ঢাকা , সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অনেকে ২৯ বছর বয়সেই রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে ব্যাকুল: মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী সম্পত্তি ভাগের পর মায়ের ঠাঁই হলো জরাজীর্ণ ঘরে, পায়ে শিকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রয়াত প্রতিমন্ত্রীর বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ছাত্রীকে কুপ্রস্তাবের অভিযোগ, তোপের মুখে পুলিশি পাহারায় স্কুল ছাড়লেন প্রধান শিক্ষক দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী শিশু হত্যা মামলায় জামিনে বেরিয়ে গৃহকর্ত্রীকে খুন, কে এই লাইলী অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নে বাধা, ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেপ্তার ‘মাইন’ ঘিরে ৩৬ ঘণ্টা ধরে আতঙ্ক, দেখা নেই নিষ্ক্রিয়কারী দলের যুক্তরাষ্ট্রে দাবানল নেভাতে গিয়ে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ২ পাইলট ১০ টাকার চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে উঠছেন মুক্তার গাজী

‘মাইন’ ঘিরে ৩৬ ঘণ্টা ধরে আতঙ্ক, দেখা নেই নিষ্ক্রিয়কারী দলের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামে মাইনসদৃশ ১০টি বস্তু উদ্ধারের ৩৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী কোনো ইউনিটকে ঘটনাস্থলে দেখা যায়নি।

 

শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল থেকে রোববার এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (সন্ধ্যা ৬টা) ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছেন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।

 

স্থানীয়রা জানান, বিস্ফোরকের মতো দেখেতে বস্তুগুলো কর্ডন করে পাহারা দিচ্ছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র‌্যাব, পুলিশ ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা। দীর্ঘ সময় বস্তুগুলো সরিয়ে না নেওয়ায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। দ্রুত এসব বস্তু পরীক্ষা করে প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত করে আতঙ্কের অবসান ঘটানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

পুলিশ জানায়, যশোর সেনানিবাস থেকে পাঁচ সদস্যের একটি দল পাঠানোর কথা রয়েছে। তবে বিষয়টি মৌখিকভাবে জানানো হলেও আনুষ্ঠানিক কোনো চিঠি পাওয়া যায়নি।

 

শনিবার বেতবাড়িয়া গ্রামের কালু মালিথার একটি পরিত্যক্ত জমিতে মাইনসদৃশ এসব বস্তু দেখতে পান স্থানীয়রা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে গিয়ে অন্তত ১০টি মাইনসদৃশ বস্তু ও ৫টি মাইনের বক্সসদৃশ বস্তু দেখতে পায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বক্সগুলোর কয়েকটিতে ইংরেজিতে ‘MPI 1967 MINE A/PERS ND P2 MK2’ লেখা রয়েছে। তবে এগুলো প্রকৃত ল্যান্ডমাইন বা ট্যাংক বিধ্বংসী মাইন, ডেমো মাইন, বোমা নাকি অন্য কোনো বস্তু, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

 

গাংনী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শিমুল কুমার দাস এশিয়া পোস্টকে বলেন, জননিরাপত্তার স্বার্থে ঘটনাস্থল কর্ডন করে পাহারা বসানো হয়েছে। বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী দল পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

পুলিশের একটি সূত্র এশিয়া পোস্টকে জানায়, বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী ইউনিট পাঠানোর জন্য শনিবার পুলিশ সদর দপ্তরে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ সদর দপ্তরের বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী ইউনিট বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে। পরে যশোর সেনানিবাসে যোগাযোগ করে বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী ইউনিট পাঠানোর জন্য চিঠি দেওয়া হয়।

 

মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিনুর রহমান খান এশিয়া পোস্টকে বলেন, যশোর ক্যান্টনমেন্ট থেকে টিম পাঠাবে বলে আমাদের মৌখিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। টিম চলে আসার পরপর বস্তুগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

বিষয়টি নিয়ে জানতে রোববার সন্ধ্যায় যশোর সেনানিবাসের একটি সূত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে এশিয়া পোস্ট। সূত্র জানায়, সেনানিবাস থেকে একজন ওয়ারেন্ট অফিসারের নেতৃত্বে একটি টিম সোমবার সকালে মেহেরপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হবে। তারা বস্তুগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অনেকে ২৯ বছর বয়সেই রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে ব্যাকুল: মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী

‘মাইন’ ঘিরে ৩৬ ঘণ্টা ধরে আতঙ্ক, দেখা নেই নিষ্ক্রিয়কারী দলের

আপডেট সময় ১০:৫৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামে মাইনসদৃশ ১০টি বস্তু উদ্ধারের ৩৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী কোনো ইউনিটকে ঘটনাস্থলে দেখা যায়নি।

 

শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল থেকে রোববার এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (সন্ধ্যা ৬টা) ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছেন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।

 

স্থানীয়রা জানান, বিস্ফোরকের মতো দেখেতে বস্তুগুলো কর্ডন করে পাহারা দিচ্ছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র‌্যাব, পুলিশ ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা। দীর্ঘ সময় বস্তুগুলো সরিয়ে না নেওয়ায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। দ্রুত এসব বস্তু পরীক্ষা করে প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত করে আতঙ্কের অবসান ঘটানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

পুলিশ জানায়, যশোর সেনানিবাস থেকে পাঁচ সদস্যের একটি দল পাঠানোর কথা রয়েছে। তবে বিষয়টি মৌখিকভাবে জানানো হলেও আনুষ্ঠানিক কোনো চিঠি পাওয়া যায়নি।

 

শনিবার বেতবাড়িয়া গ্রামের কালু মালিথার একটি পরিত্যক্ত জমিতে মাইনসদৃশ এসব বস্তু দেখতে পান স্থানীয়রা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে গিয়ে অন্তত ১০টি মাইনসদৃশ বস্তু ও ৫টি মাইনের বক্সসদৃশ বস্তু দেখতে পায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বক্সগুলোর কয়েকটিতে ইংরেজিতে ‘MPI 1967 MINE A/PERS ND P2 MK2’ লেখা রয়েছে। তবে এগুলো প্রকৃত ল্যান্ডমাইন বা ট্যাংক বিধ্বংসী মাইন, ডেমো মাইন, বোমা নাকি অন্য কোনো বস্তু, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

 

গাংনী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শিমুল কুমার দাস এশিয়া পোস্টকে বলেন, জননিরাপত্তার স্বার্থে ঘটনাস্থল কর্ডন করে পাহারা বসানো হয়েছে। বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী দল পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

পুলিশের একটি সূত্র এশিয়া পোস্টকে জানায়, বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী ইউনিট পাঠানোর জন্য শনিবার পুলিশ সদর দপ্তরে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ সদর দপ্তরের বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী ইউনিট বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে। পরে যশোর সেনানিবাসে যোগাযোগ করে বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী ইউনিট পাঠানোর জন্য চিঠি দেওয়া হয়।

 

মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিনুর রহমান খান এশিয়া পোস্টকে বলেন, যশোর ক্যান্টনমেন্ট থেকে টিম পাঠাবে বলে আমাদের মৌখিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। টিম চলে আসার পরপর বস্তুগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

বিষয়টি নিয়ে জানতে রোববার সন্ধ্যায় যশোর সেনানিবাসের একটি সূত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে এশিয়া পোস্ট। সূত্র জানায়, সেনানিবাস থেকে একজন ওয়ারেন্ট অফিসারের নেতৃত্বে একটি টিম সোমবার সকালে মেহেরপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হবে। তারা বস্তুগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।