ঢাকা , মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস: প্রধানমন্ত্রী ছিনতাইকালে নিজেদের আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ হিসেবে পরিচয় দেন বিমানবন্দর ছাত্রদলের সভাপতি-সম্পাদক নেপালে এক বাড়ি থেকেই উদ্ধার ২৪ মরদেহ, আরও থাকার আশঙ্কা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যু’দ্ধ ভুলে নতুন সম্পর্ক গড়তে চায় আফগানিস্তান রংপুরে চার খুন হত্যার আগে-পরে ৮০ বার ফোনালাপ হয় আসামিদের: পুলিশ ১১০ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে ইউরোপে তৃতীয় বাংলাদেশি হাফেজ সাদ ছাত্রদল নেতার হুমকির পর পদত্যাগ করলেন চবির হল প্রভোস্ট বিদ্যুৎ সংকট: ‘১২ ঘণ্টায় ৯ বার লোডশেডিং, এলেও ২০ মিনিটের বেশি থাকে না’ আর কোনো মায়ের কোল যেন খালি না হয়: আছিয়ার মা নির্বাচনের ৭ বছর পর রাশেদ খাঁনকে ডাকসুর জিএস ঘোষণা

প্রাথমিকে যুক্ত হচ্ছে সংগীত-নাট্যকলা-নৃত্যকলা-চারু ও কারুকলা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:০৪:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
  • ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

এবার প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও সামগ্রিক বিকাশের লক্ষ্যে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এখন থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা এবং চারু ও কারুকলা বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। বুধবার (১০ জুন) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৭ সাল থেকে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্যশিল্প ও সংস্কৃতিনামে নতুন পাঠ্যবই চালু করা হবে। এই বইয়ের চারটি অধ্যায়ে চারু ও কারুকলা, সংগীত, নৃত্যকলা ও নাট্যকলা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পরবর্তীতে ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলামের আওতায় এই বিষয়গুলোকে প্রাথমিক শিক্ষার পূর্ণাঙ্গ অংশ হিসেবে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমান সরকারের শিক্ষাদর্শনের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য তাদের দক্ষ করে তোলা। প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ মনে করেন যে, শিল্প, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াভিত্তিক শিক্ষা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রাথমিক শিক্ষায় এই বিষয়গুলোর সংযোজন তরুণ প্রজন্মের জন্য চাকরির নতুন দ্বার উন্মোচন করবে। প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বিপুলসংখ্যক বিশেষায়িত শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের প্রয়োজন হবে। আগামী পাঁচ বছরে এই খাতে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। সংগীত, নৃত্যকলা, চারুকলা ও নাট্যকলা বিষয়ে ডিগ্রিধারী তরুণতরুণীদের জন্য এটি একটি দারুণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের সুযোগ তৈরি করতে তাদের পাঠ্যক্রমে শিক্ষকতাসংক্রান্ত প্রশিক্ষণ বা প্রস্তুতিমূলক মডিউল যুক্ত করার বিষয়ে সরকার কাজ করছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটবে এবং দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস: প্রধানমন্ত্রী

প্রাথমিকে যুক্ত হচ্ছে সংগীত-নাট্যকলা-নৃত্যকলা-চারু ও কারুকলা

আপডেট সময় ০৪:০৪:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

এবার প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও সামগ্রিক বিকাশের লক্ষ্যে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এখন থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা এবং চারু ও কারুকলা বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। বুধবার (১০ জুন) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৭ সাল থেকে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্যশিল্প ও সংস্কৃতিনামে নতুন পাঠ্যবই চালু করা হবে। এই বইয়ের চারটি অধ্যায়ে চারু ও কারুকলা, সংগীত, নৃত্যকলা ও নাট্যকলা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পরবর্তীতে ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলামের আওতায় এই বিষয়গুলোকে প্রাথমিক শিক্ষার পূর্ণাঙ্গ অংশ হিসেবে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমান সরকারের শিক্ষাদর্শনের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য তাদের দক্ষ করে তোলা। প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ মনে করেন যে, শিল্প, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াভিত্তিক শিক্ষা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রাথমিক শিক্ষায় এই বিষয়গুলোর সংযোজন তরুণ প্রজন্মের জন্য চাকরির নতুন দ্বার উন্মোচন করবে। প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বিপুলসংখ্যক বিশেষায়িত শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের প্রয়োজন হবে। আগামী পাঁচ বছরে এই খাতে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। সংগীত, নৃত্যকলা, চারুকলা ও নাট্যকলা বিষয়ে ডিগ্রিধারী তরুণতরুণীদের জন্য এটি একটি দারুণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের সুযোগ তৈরি করতে তাদের পাঠ্যক্রমে শিক্ষকতাসংক্রান্ত প্রশিক্ষণ বা প্রস্তুতিমূলক মডিউল যুক্ত করার বিষয়ে সরকার কাজ করছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটবে এবং দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।