ঢাকা , রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নিখোঁজের পর আট মাসে ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার, এখনো নিখোঁজ ২ হাজার ৩৮ ‘এ দেশটা ধ্বংস হয়ে যাক, এ দেশের দরকার নাই’—অপ্রতিমের মায়ের আহাজারি গাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে আগুন, ৪৫টি ঘর পুড়ে ছাই বিএনপি জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে: অলি আহমদ আইনের মারপ্যাঁচে আওয়ামী লীগকে সুবিধা দিলে গণবিস্ফোরণ হবে: মঞ্চ ২৪ দাবি না মানলে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হবে: জামায়াতের আমির কমলাপুর রেল স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে ককটেল বিস্ফোরণ অপ্রতিমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, জানাজা কাল সকাল ১০টায় সারাদেশে এখন জনমনে আতঙ্ক, মানুষের নিরাপত্তা নেই: নাহিদ ইসলাম মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জড়ালে পাকিস্তানে মহাবিপর্যয় নেমে আসবে: রাজা নাসির আব্বাস

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • ১২৩ বার পড়া হয়েছে

এবার মন খুলে গান গাওয়া যায়, কিন্তু পরীক্ষা খাতায় মন খুলে নম্বর দেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ৫ কমার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল, শিক্ষকেরা উত্তরপত্র মূল্যায়নে অত্যন্ত কঠোর ছিলেন কি না। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘মন খুলে গান গাওয়া যায়, মন খুলে নম্বর দেওয়া যায় না।চলতি বছরের সার্বিক ফলাফলকে বস্তুনিষ্ঠ ও সুন্দর উল্লেখ করে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী পাল্টা প্রশ্ন তোলেন, ‘আপনি খারাপ রেজাল্ট বলছেন কেন? রেজাল্ট তো সুন্দর হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানান, যেসব শিক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত ফল না পেয়ে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করবে, এবার তাদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে। পরীক্ষায় ভালো করার প্রত্যাশা থাকলেও অনেক সময় শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফল না পাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের শিক্ষা বোর্ডের ১৯৯৮ সালের যে আইন ছিল, সেখানে খাতা পুনর্মূল্যায়ন বা বিস্তারিত পরিদর্শনের কোনো সুযোগ ছিল না। আমরা সেই প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন এনেছি। এখন পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদনকারীদের খাতা পুরোপুরি রিচেক করা হবে। মূল্যায়নে কোথাও কোনো ভুলত্রুটি বা বিচ্যুতি ধরা পড়লে তা শুধরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, আজ প্রকাশিত ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের তথ্যানুযায়ী, এবার সারাদেশে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২.২৫ শতাংশে। আর জিপিএ৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। গত বছর ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ এবং জিপিএ৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নিখোঁজের পর আট মাসে ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার, এখনো নিখোঁজ ২ হাজার ৩৮

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৪৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

এবার মন খুলে গান গাওয়া যায়, কিন্তু পরীক্ষা খাতায় মন খুলে নম্বর দেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ৫ কমার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল, শিক্ষকেরা উত্তরপত্র মূল্যায়নে অত্যন্ত কঠোর ছিলেন কি না। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘মন খুলে গান গাওয়া যায়, মন খুলে নম্বর দেওয়া যায় না।চলতি বছরের সার্বিক ফলাফলকে বস্তুনিষ্ঠ ও সুন্দর উল্লেখ করে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী পাল্টা প্রশ্ন তোলেন, ‘আপনি খারাপ রেজাল্ট বলছেন কেন? রেজাল্ট তো সুন্দর হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানান, যেসব শিক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত ফল না পেয়ে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করবে, এবার তাদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে। পরীক্ষায় ভালো করার প্রত্যাশা থাকলেও অনেক সময় শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফল না পাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের শিক্ষা বোর্ডের ১৯৯৮ সালের যে আইন ছিল, সেখানে খাতা পুনর্মূল্যায়ন বা বিস্তারিত পরিদর্শনের কোনো সুযোগ ছিল না। আমরা সেই প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন এনেছি। এখন পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদনকারীদের খাতা পুরোপুরি রিচেক করা হবে। মূল্যায়নে কোথাও কোনো ভুলত্রুটি বা বিচ্যুতি ধরা পড়লে তা শুধরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, আজ প্রকাশিত ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের তথ্যানুযায়ী, এবার সারাদেশে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২.২৫ শতাংশে। আর জিপিএ৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। গত বছর ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ এবং জিপিএ৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন।