ঢাকা , রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নিখোঁজের পর আট মাসে ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার, এখনো নিখোঁজ ২ হাজার ৩৮ ‘এ দেশটা ধ্বংস হয়ে যাক, এ দেশের দরকার নাই’—অপ্রতিমের মায়ের আহাজারি গাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে আগুন, ৪৫টি ঘর পুড়ে ছাই বিএনপি জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে: অলি আহমদ আইনের মারপ্যাঁচে আওয়ামী লীগকে সুবিধা দিলে গণবিস্ফোরণ হবে: মঞ্চ ২৪ দাবি না মানলে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হবে: জামায়াতের আমির কমলাপুর রেল স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে ককটেল বিস্ফোরণ অপ্রতিমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, জানাজা কাল সকাল ১০টায় সারাদেশে এখন জনমনে আতঙ্ক, মানুষের নিরাপত্তা নেই: নাহিদ ইসলাম মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জড়ালে পাকিস্তানে মহাবিপর্যয় নেমে আসবে: রাজা নাসির আব্বাস

একদিকে চিকিৎসকরা চাচ্ছেন পরিচালকের পদ/ত্যাগ, অন্যদিকে কর্মচারীদের অবস্থান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৪৩:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৯৭ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রেজাউল ইসলামের বদলি এবং এক কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক ও কর্মচারীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্লকে চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা পরিচালকের কক্ষে প্রবেশ করে ‘দফা এক, দাবি এক—পরিচালকের পদত্যাগ’ স্লোগান দেন। তারা পরিচালকের কক্ষের ভেতরে অবস্থান নেন। অন্যদিকে, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা অবস্থান নেন বাইরে।

সম্প্রতি ঢামেকের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রেজাউল ইসলামকে ময়মনসিংহে বদলি করা হয়। একই আদেশে ময়মনসিংহের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোজাম্মেল হককে ঢামেকে বদলি করা হয়। তবে মোজাম্মেল হককে যোগদানের সুযোগ না দেওয়ায় চিকিৎসকদের একটি পক্ষ পরিচালকের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করে আসছিল।

রোববার রেজাউল ইসলামকে ময়মনসিংহে মুভআউট করা হলেও সোমবার তার কক্ষে তালা দেওয়ার চেষ্টা করেন চিকিৎসকদের একটি পক্ষ। এ সময় তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী মো. হানিফের কাছে তালা চাওয়া হয়। পরে তাকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন হানিফ।

এ ঘটনার প্রতিবাদে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা হাসপাতালে মিছিল করেন এবং পরিচালকের কাছে বিচার দাবি করেন। মঙ্গলবার হানিফকে মারধরের ঘটনায় লিখিত স্মারকলিপি দিতে পরিচালকের কাছে আসেন তারা। এ সময় চিকিৎসকরাও পরিচালকের কক্ষে অবস্থান নেন।

এদিকে, রেজাউল ইসলামের বদলির প্রজ্ঞাপনও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বাতিল করেছে বলে জানা গেছে। এরপরই পরিচালকের পদত্যাগ দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা।

ঢামেক হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. আজিম বলেন, হানিফকে মারধরের ঘটনায় বিচার দাবি করতেই তারা স্মারকলিপি দিতে এসেছেন। তবে চিকিৎসকরা পরিচালকের কক্ষে অবস্থান করায় এখনো স্মারকলিপি দেওয়া সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে, কর্মসূচিতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. সাইফুল আলম বাদশা পরিচালকের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের সময় চিকিৎসাসেবা দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, পরিচালক পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তাদের অবস্থান কর্মসূচি চলবে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নিখোঁজের পর আট মাসে ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার, এখনো নিখোঁজ ২ হাজার ৩৮

একদিকে চিকিৎসকরা চাচ্ছেন পরিচালকের পদ/ত্যাগ, অন্যদিকে কর্মচারীদের অবস্থান

আপডেট সময় ০৩:৪৩:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রেজাউল ইসলামের বদলি এবং এক কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক ও কর্মচারীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্লকে চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা পরিচালকের কক্ষে প্রবেশ করে ‘দফা এক, দাবি এক—পরিচালকের পদত্যাগ’ স্লোগান দেন। তারা পরিচালকের কক্ষের ভেতরে অবস্থান নেন। অন্যদিকে, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা অবস্থান নেন বাইরে।

সম্প্রতি ঢামেকের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রেজাউল ইসলামকে ময়মনসিংহে বদলি করা হয়। একই আদেশে ময়মনসিংহের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোজাম্মেল হককে ঢামেকে বদলি করা হয়। তবে মোজাম্মেল হককে যোগদানের সুযোগ না দেওয়ায় চিকিৎসকদের একটি পক্ষ পরিচালকের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করে আসছিল।

রোববার রেজাউল ইসলামকে ময়মনসিংহে মুভআউট করা হলেও সোমবার তার কক্ষে তালা দেওয়ার চেষ্টা করেন চিকিৎসকদের একটি পক্ষ। এ সময় তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী মো. হানিফের কাছে তালা চাওয়া হয়। পরে তাকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন হানিফ।

এ ঘটনার প্রতিবাদে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা হাসপাতালে মিছিল করেন এবং পরিচালকের কাছে বিচার দাবি করেন। মঙ্গলবার হানিফকে মারধরের ঘটনায় লিখিত স্মারকলিপি দিতে পরিচালকের কাছে আসেন তারা। এ সময় চিকিৎসকরাও পরিচালকের কক্ষে অবস্থান নেন।

এদিকে, রেজাউল ইসলামের বদলির প্রজ্ঞাপনও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বাতিল করেছে বলে জানা গেছে। এরপরই পরিচালকের পদত্যাগ দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা।

ঢামেক হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. আজিম বলেন, হানিফকে মারধরের ঘটনায় বিচার দাবি করতেই তারা স্মারকলিপি দিতে এসেছেন। তবে চিকিৎসকরা পরিচালকের কক্ষে অবস্থান করায় এখনো স্মারকলিপি দেওয়া সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে, কর্মসূচিতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. সাইফুল আলম বাদশা পরিচালকের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের সময় চিকিৎসাসেবা দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, পরিচালক পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তাদের অবস্থান কর্মসূচি চলবে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।