ঢাকা , রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
“ইরানের বেশিরভাগ মানুষের নাম মোহাম্মদ”— ট্রাম্পের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৪ বারের মতো পেছাল “ওসমান হাদির রক্তের সঙ্গে বেইমানি করেছে ইউনূস সরকার”- বরিশালে বিক্ষোভে মাসুমা হাদি মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে পত্রিকায় গ্রেপ্তারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ আদালতের অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহারের দাবিতে এনবিআরের সামনে বাইকারদের মানববন্ধন ডুয়েটে সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত ও শাস্তির দাবি ছাত্রদলের এবার জাবির প্রশাসনিক ভবনে তালা একদল শিক্ষার্থীর আমপাতা জোড়া জোড়া’ নিয়ে এলেন কনা আজ সন্ধ্যায় প্রথম দফায় কারিনা কায়সারের জানাজা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীর হাত মামুনুল হকের মাথায়, হেফাজতে ঐক্যের বার্তা

শেখ হাসিনাকে ‘কওমি জননী’ উপাধি দেয়নি হেফাজত: মামুনুল হক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:১৫:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৪২৫ বার পড়া হয়েছে

এবার বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির ও হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, শেখ হাসিনাকে ‘কওমি জননী’ উপাধি হেফাজতে ইসলাম দেয়নি, এটির দায়ও হেফাজতে ইসলামের নয়। যিনি এ উপাধি দিয়েছেন, তা ছিল তার একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়। তিনি হেফাজতের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না; বরং তিনি আওয়ামী লীগ-সমর্থিত এবং ওই দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী একজন আলেম ছিলেন। সুতরাং তার ব্যক্তিগত মন্তব্যের দায় কখনোই হেফাজতে ইসলাম বা বাংলাদেশের আলেমসমাজ নেবে না।

সম্প্রতি এ বিষয়ে এক গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে মাওলানা মামুনুল হক কথা বলেন। ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে আওয়ামী লীগের চালানো নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার, শাপলা চত্বরে শহীদ হওয়া আলেম ও মাদ্রাসাছাত্রদের খোঁজখবরসহ সমসাময়িক নানা বিষয়ে দেওয়া দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কওমি সনদের স্বীকৃতির পর হেফাজতে ইসলাম শেখ হাসিনাকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সংবর্ধনা (শোকরানা মাহফিল) দিয়ে ‘কওমি জননী’ উপাধি দিয়েছে। এ বিষয়ে আজও হেফাজতে ইসলাম আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

সেদিনের ঘটনার জন্য হেফাজত কি দুঃখ প্রকাশ করবে? জবাবে মামুনুল হক বলেন, শোকরানা মাহফিল নিয়ে হেফাজতে ইসলামের তৎকালীন নেতৃত্বের মধ্যেও দ্বিধা-বিভক্তি ছিল। তৎকালীন মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী, ঢাকা মহানগর সভাপতি ও নায়েবে আমির আল্লামা নুর হোসাইন কাসেমীসহ বহু শীর্ষ নেতা সেদিন উপস্থিত ছিলেন না। মাহফিলটি মূলত কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড (বেফাক) সংশ্লিষ্ট আয়োজন ছিল। তবে সরকার পরিকল্পিতভাবে সেখানে হেফাজতে ইসলামের নাম ব্যবহার করতে বাধ্য করেছে।

আসলে বিষয়টি ছিল কওমি সনদের স্বীকৃতি নিয়ে- যা দীর্ঘদিন ধরে কওমি ছাত্রজনতার প্রাণের দাবি ছিল। সেই দাবির প্রেক্ষাপটে আলেম সমাজকে তৎকালীন সরকারের সঙ্গে ন্যুনতম সমন্বয় করতে হয়েছে। এটা দুঃখ প্রকাশ করার মতো কোনো কিছু বলে আমি মনে করি না। তবে সেখানে তৎকালীন সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা যে বক্তব্য দিয়েছিলেন, বিশেষ করে হেফাজতের ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি বলে যে চরম মিথ্যাচার করা হয়েছিল, আমরা তখনই এর প্রতিবাদ জানিয়েছি এবং আজও জানাচ্ছি। তিনি বলেন, ‘সত্যকে বিকৃত করার এ অপচেষ্টা হেফাজত কখনোই প্রশ্রয় দেয়নি, দেবে না’।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

“ইরানের বেশিরভাগ মানুষের নাম মোহাম্মদ”— ট্রাম্পের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক

শেখ হাসিনাকে ‘কওমি জননী’ উপাধি দেয়নি হেফাজত: মামুনুল হক

আপডেট সময় ০৬:১৫:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এবার বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির ও হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, শেখ হাসিনাকে ‘কওমি জননী’ উপাধি হেফাজতে ইসলাম দেয়নি, এটির দায়ও হেফাজতে ইসলামের নয়। যিনি এ উপাধি দিয়েছেন, তা ছিল তার একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়। তিনি হেফাজতের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না; বরং তিনি আওয়ামী লীগ-সমর্থিত এবং ওই দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী একজন আলেম ছিলেন। সুতরাং তার ব্যক্তিগত মন্তব্যের দায় কখনোই হেফাজতে ইসলাম বা বাংলাদেশের আলেমসমাজ নেবে না।

সম্প্রতি এ বিষয়ে এক গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে মাওলানা মামুনুল হক কথা বলেন। ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে আওয়ামী লীগের চালানো নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার, শাপলা চত্বরে শহীদ হওয়া আলেম ও মাদ্রাসাছাত্রদের খোঁজখবরসহ সমসাময়িক নানা বিষয়ে দেওয়া দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কওমি সনদের স্বীকৃতির পর হেফাজতে ইসলাম শেখ হাসিনাকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সংবর্ধনা (শোকরানা মাহফিল) দিয়ে ‘কওমি জননী’ উপাধি দিয়েছে। এ বিষয়ে আজও হেফাজতে ইসলাম আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

সেদিনের ঘটনার জন্য হেফাজত কি দুঃখ প্রকাশ করবে? জবাবে মামুনুল হক বলেন, শোকরানা মাহফিল নিয়ে হেফাজতে ইসলামের তৎকালীন নেতৃত্বের মধ্যেও দ্বিধা-বিভক্তি ছিল। তৎকালীন মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী, ঢাকা মহানগর সভাপতি ও নায়েবে আমির আল্লামা নুর হোসাইন কাসেমীসহ বহু শীর্ষ নেতা সেদিন উপস্থিত ছিলেন না। মাহফিলটি মূলত কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড (বেফাক) সংশ্লিষ্ট আয়োজন ছিল। তবে সরকার পরিকল্পিতভাবে সেখানে হেফাজতে ইসলামের নাম ব্যবহার করতে বাধ্য করেছে।

আসলে বিষয়টি ছিল কওমি সনদের স্বীকৃতি নিয়ে- যা দীর্ঘদিন ধরে কওমি ছাত্রজনতার প্রাণের দাবি ছিল। সেই দাবির প্রেক্ষাপটে আলেম সমাজকে তৎকালীন সরকারের সঙ্গে ন্যুনতম সমন্বয় করতে হয়েছে। এটা দুঃখ প্রকাশ করার মতো কোনো কিছু বলে আমি মনে করি না। তবে সেখানে তৎকালীন সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা যে বক্তব্য দিয়েছিলেন, বিশেষ করে হেফাজতের ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি বলে যে চরম মিথ্যাচার করা হয়েছিল, আমরা তখনই এর প্রতিবাদ জানিয়েছি এবং আজও জানাচ্ছি। তিনি বলেন, ‘সত্যকে বিকৃত করার এ অপচেষ্টা হেফাজত কখনোই প্রশ্রয় দেয়নি, দেবে না’।