ঢাকা , শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

ওহা সে গোলি চলেগি, ইহা সে গোলা চলেগা : মোদি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩১:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫
  • ৬৫১ বার পড়া হয়েছে

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশটির সশস্ত্র বাহিনীকে বলেছেন, পাকিস্তানের প্রতিটি পদক্ষেপের প্রতি তার দেশের প্রতিক্রিয়া আরও জোরালো হওয়া উচিত। পাকিস্তানে ভারতের হামলার পর তার এই বক্তব্য সামনে এলো।

 

মূলত ভারতের ওই হামলার জবাবে ভারতের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে পাকিস্তানও ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্রসহ অন্যান্য অস্ত্র ব্যবহার করে পাল্টা হামলা চালায়। পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেই গত শনিবার যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় উভয় দেশ।

রোববার (১১ মে) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

 

ভারতের সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, মোদি ভারতীয় সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়ে বলেন, “ওহা সে গোলি চলেগি, ইহা সে গোলা চলেগা (ওদিক থেকে যদি গুলি চালানো হয়, তবে এখান থেকে গোলা ছোড়া হবে)।”

ভারতীয় সূত্রগুলো এটিকে একটি মোড় ঘোরানো সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেছে, বিশেষ করে ভারতের বিমানঘাঁটিতে পাকিস্তানের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের বানান ভুল, চিড়িয়াখানার কিউরেটরকে বদলি

ওহা সে গোলি চলেগি, ইহা সে গোলা চলেগা : মোদি

আপডেট সময় ১০:৩১:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশটির সশস্ত্র বাহিনীকে বলেছেন, পাকিস্তানের প্রতিটি পদক্ষেপের প্রতি তার দেশের প্রতিক্রিয়া আরও জোরালো হওয়া উচিত। পাকিস্তানে ভারতের হামলার পর তার এই বক্তব্য সামনে এলো।

 

মূলত ভারতের ওই হামলার জবাবে ভারতের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে পাকিস্তানও ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্রসহ অন্যান্য অস্ত্র ব্যবহার করে পাল্টা হামলা চালায়। পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেই গত শনিবার যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় উভয় দেশ।

রোববার (১১ মে) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

 

ভারতের সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, মোদি ভারতীয় সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়ে বলেন, “ওহা সে গোলি চলেগি, ইহা সে গোলা চলেগা (ওদিক থেকে যদি গুলি চালানো হয়, তবে এখান থেকে গোলা ছোড়া হবে)।”

ভারতীয় সূত্রগুলো এটিকে একটি মোড় ঘোরানো সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেছে, বিশেষ করে ভারতের বিমানঘাঁটিতে পাকিস্তানের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে।