ঢাকা , শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইরান যুদ্ধে হেরে গেছেন ট্রাম্প: নিউইয়র্ক টাইমস এআইকে হার মানাল ইঁদুর! দুই দিন বন্ধ ছিল ঢাকার স্মার্ট ক্যামেরা মোহাম্মদপুরে লাগানোর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই চুরি সিসি ক্যামেরা…. ছাগল বাঁচাতে নেমে প্রাণ গেল ৪ জনের, টাঙ্গাইলে মর্মান্তিক ঘটনা একটি ছাগল উদ্ধার করতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু রিসোর্টের ‘৫০১’ ঘটনা ছিল ফ্যাসিবাদী হাসিনার ব্যর্থ প্রজেক্ট: মামুনুল হক নেত্রকোনায় ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা প্রতিবন্ধী শিশু: দেড় মাস পর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মহন তালুকদারের আত্মসমর্পণ মোহাম্মাদপুরে সিসি ক্যামেরা লাগিয়েছিলাম, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে চুরি হয়ে গেছে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রদর্শনীতে কোরআনের ৪০০ বছরের পুরোনো বিরল পাণ্ডুলিপি মেসির সেই ট্যাকল নিয়ে রেফারির বিরুদ্ধে ফিফার কাছে অভিযোগ আলজেরিয়ার

দুবাই থেকে গ্রেপ্তার মূল আসামি আরিফ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৫৯:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • ১১১ বার পড়া হয়েছে

নরসিংদীর শিবপুরে সাবেক উপজেলার চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার প্রধান আসামি আরিফ সরকারকে (৪০) ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই থেকে গ্রেপ্তার করে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার ড. এসএম ফরহাদ হোসেন।

 

 

এর আগে গতকাল বুধবার (৬ মে) দুবাই পুলিশ আরিফ সরকারকে বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে তাকে দেশে এনে শিবপুর থানা পুলিশের মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হয়।

 

 

গ্রেপ্তারকৃত আরিফ সরকার শিবপুর উপজেলার পুটিয়া কামারগাঁও এলাকার হাফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি। এ নিয়ে আলোচিত এ হত্যা মামলার ১২ আসামির সবাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

 

পিবিআই সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি নিজ বাসায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. হারুনুর রশিদ খান। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর একই বছরের ৩১মে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আমানুর রশিদ বাদী হয়ে আরিফ সরকারকে প্রধান আসামি করে ১২ জনের নামে শিবপুর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে মামলার তদন্তভার পায় পিবিআই।

 

 

তদন্ত চলাকালে মামলার অন্যতম আসামি মহসীন সরকারকে দুবাই থেকে গ্রেপ্তার করে দেশে আনা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে আরিফ সরকারসহ অন্যান্য আসামিদের সম্পৃক্ততা ও হত্যার পরিকল্পনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় আরিফ সরকারের অবস্থান দুবাইয়ে শনাক্ত করে পিবিআই। পরবর্তীতে ইন্টারপোলের সহযোগিতায় দুবাই পুলিশের মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

 

 

পিবিআই জানায়, মামলার চার্জশিট ইতোমধ্যে আদালতে দাখিল করা হয়েছে। এছাড়া পূর্বে গ্রেপ্তার হওয়া অন্য আসামিরা বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধে হেরে গেছেন ট্রাম্প: নিউইয়র্ক টাইমস

দুবাই থেকে গ্রেপ্তার মূল আসামি আরিফ

আপডেট সময় ১২:৫৯:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

নরসিংদীর শিবপুরে সাবেক উপজেলার চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার প্রধান আসামি আরিফ সরকারকে (৪০) ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই থেকে গ্রেপ্তার করে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার ড. এসএম ফরহাদ হোসেন।

 

 

এর আগে গতকাল বুধবার (৬ মে) দুবাই পুলিশ আরিফ সরকারকে বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে তাকে দেশে এনে শিবপুর থানা পুলিশের মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হয়।

 

 

গ্রেপ্তারকৃত আরিফ সরকার শিবপুর উপজেলার পুটিয়া কামারগাঁও এলাকার হাফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি। এ নিয়ে আলোচিত এ হত্যা মামলার ১২ আসামির সবাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

 

পিবিআই সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি নিজ বাসায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. হারুনুর রশিদ খান। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর একই বছরের ৩১মে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আমানুর রশিদ বাদী হয়ে আরিফ সরকারকে প্রধান আসামি করে ১২ জনের নামে শিবপুর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে মামলার তদন্তভার পায় পিবিআই।

 

 

তদন্ত চলাকালে মামলার অন্যতম আসামি মহসীন সরকারকে দুবাই থেকে গ্রেপ্তার করে দেশে আনা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে আরিফ সরকারসহ অন্যান্য আসামিদের সম্পৃক্ততা ও হত্যার পরিকল্পনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় আরিফ সরকারের অবস্থান দুবাইয়ে শনাক্ত করে পিবিআই। পরবর্তীতে ইন্টারপোলের সহযোগিতায় দুবাই পুলিশের মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

 

 

পিবিআই জানায়, মামলার চার্জশিট ইতোমধ্যে আদালতে দাখিল করা হয়েছে। এছাড়া পূর্বে গ্রেপ্তার হওয়া অন্য আসামিরা বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।