ঢাকা , সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
 নির্বাচনে জিতলে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রতিশ্রুতি দিলেন বেন গভির শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে প্রিজনভ্যানে চিৎকার, পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে দৌঁড়ে পালাল শীর্ষ সন্ত্রাসী মারা গেলেন মাহাথির মোহাম্মদের স্ত্রী সিতি হাসমাহ, বয়স হয়েছিল ১০০ শাশুড়ির সামনে চড় মারায় বাবাকে হত্যা, ২ দিন পর থানায় এসে যুবকের আত্মসমর্পণ ফেনী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, নিরাপত্তায় ২ হাজার পুলিশ শিকে মার্কিন অস্ত্র কেনার প্রস্তাব দিলেন ট্রাম্প সালমান এক সময় আমার বাসায় বাসন ধুয়ে দিতেও আসতে রাজি থাকত: মেঘনা আলম ১২৩ বছরেও চশমা ছাড়াই কোরআন পড়েন ভাষা আন্দোলনের সাক্ষী আব্বাস জামায়াতের উত্থান দেশকে ধর্মযুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে পারে: নুরুল হক নূর ‘তারার কাছে পৌঁছানোর সাহস রাখো আর তোমার প্রতিটি স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দাও’

এখনও ধরা পড়েনি ফোরকান, শাড়ি-চুরি-গয়নায় সাজানো লাশ নিয়ে রহস্য

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৩৭:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • ৩৯৫ বার পড়া হয়েছে

সম্প্রতি গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন সন্তান ও শ্যালককে হত্যার ঘটনায় তিন দিনেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় গৃহকর্তা ফোরকান মিয়াকে প্রধান আসামি করে কাপাসিয়া থানায় হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলায় আরও অজ্ঞাতনামা তিন থেকে চারজনকে আসামি করা হয়েছে। গত শনিবার সকালে কাপাসিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের রাউৎকোনা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন শারমিন আক্তার, তার তিন মেয়ে মীম খানম (১৫), উম্মে হাবিবা (৮), ফারিয়া (২) এবং ভাই রসুল মিয়া (২২)।

মরদেহ উদ্ধারের সময় শারমিন আক্তারের গলায় চকচকে হার, হাতে চুড়ি এবং পরনে নতুন শাড়ি ছিল। বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে রহস্যের জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা মোসা. শ্রাবণী বলেন, “শারমিনের শরীরে নতুন শাড়ি ও গয়না থাকার বিষয়টি তদন্ত হওয়া দরকার। পাঁচজন মানুষকে একজন ব্যক্তি হত্যা করেছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।” নিহত শারমিনের ভাই আরোজ আলী গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনার দিন বিকেলে ফোরকান স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বাইরে ঘুরতে গিয়েছিলেন। তখন শারমিনের পরনে ওই নতুন শাড়ি ও সিটি গোল্ডের গয়না ছিল। তার দাবি, পরিকল্পিতভাবেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

নিহত শারমিনের ফুফু ইভা আক্তার দাবি করেন, ঘটনার পর ফোরকান তার ভাইকে ফোন করে বলেন, আমার সব শেষ হয়ে গেছে। সবাইকে মাইরা ফেলছি। আমারে আর তোরা পাবি না। খবর পেয়ে স্বজনরা বাড়িতে গিয়ে পাঁচজনের মরদেহ বিছানায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে ৯৯৯–এ ফোন করে পুলিশকে জানানো হয়।

ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক মাজহারুল হক জানান, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ছোট শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতদের পাকস্থলির নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্ত ফোরকান মিয়াকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তবে এখনো তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

 নির্বাচনে জিতলে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রতিশ্রুতি দিলেন বেন গভির

এখনও ধরা পড়েনি ফোরকান, শাড়ি-চুরি-গয়নায় সাজানো লাশ নিয়ে রহস্য

আপডেট সময় ০৯:৩৭:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

সম্প্রতি গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন সন্তান ও শ্যালককে হত্যার ঘটনায় তিন দিনেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় গৃহকর্তা ফোরকান মিয়াকে প্রধান আসামি করে কাপাসিয়া থানায় হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলায় আরও অজ্ঞাতনামা তিন থেকে চারজনকে আসামি করা হয়েছে। গত শনিবার সকালে কাপাসিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের রাউৎকোনা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন শারমিন আক্তার, তার তিন মেয়ে মীম খানম (১৫), উম্মে হাবিবা (৮), ফারিয়া (২) এবং ভাই রসুল মিয়া (২২)।

মরদেহ উদ্ধারের সময় শারমিন আক্তারের গলায় চকচকে হার, হাতে চুড়ি এবং পরনে নতুন শাড়ি ছিল। বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে রহস্যের জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা মোসা. শ্রাবণী বলেন, “শারমিনের শরীরে নতুন শাড়ি ও গয়না থাকার বিষয়টি তদন্ত হওয়া দরকার। পাঁচজন মানুষকে একজন ব্যক্তি হত্যা করেছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।” নিহত শারমিনের ভাই আরোজ আলী গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনার দিন বিকেলে ফোরকান স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বাইরে ঘুরতে গিয়েছিলেন। তখন শারমিনের পরনে ওই নতুন শাড়ি ও সিটি গোল্ডের গয়না ছিল। তার দাবি, পরিকল্পিতভাবেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

নিহত শারমিনের ফুফু ইভা আক্তার দাবি করেন, ঘটনার পর ফোরকান তার ভাইকে ফোন করে বলেন, আমার সব শেষ হয়ে গেছে। সবাইকে মাইরা ফেলছি। আমারে আর তোরা পাবি না। খবর পেয়ে স্বজনরা বাড়িতে গিয়ে পাঁচজনের মরদেহ বিছানায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে ৯৯৯–এ ফোন করে পুলিশকে জানানো হয়।

ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক মাজহারুল হক জানান, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ছোট শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতদের পাকস্থলির নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্ত ফোরকান মিয়াকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তবে এখনো তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।