ঢাকা , সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ কমিটমেন্টের সফল বাস্তবায়ন হবে: প্রেস সচিব ওসমান হাদির কবরে প্রতিদিন ক্ষমা চাইতে যান এক শহীদের বাবা নাতিকে টাকা ধার না দিতে দাদার মাইকিং গোয়ালন্দে তিন হাজার টাকায় ভাড়াটে খুনি দিয়ে বড় ভাইকে হত্যা: পুলিশ হালান্ডের নতুন লুকে প্রেমিকার আক্ষেপ, বললেন ‘কান্না পাচ্ছে’ ট্রাম্পের অর্থনৈতিক যুদ্ধের ঘোষণাই সামরিকভাবে পরাজয়ের স্বীকারোক্তি: আইআরজিসি বিএনপি সরকারও ফ্যাসিবাদের পথেই হাঁটছে: ডা. শফিকুর রহমান চেম্বারে ঢুকে চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় সেই তরুণী গ্রেফতার ভালো ফলাফলের পাশাপাশি নৈতিকতার শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে: এটিএম আজহারুল ২০ বছর পর যে দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চাঁদপুরে মসজিদে খতিবের ওপর হামলা: হামলাকারীর স্বীকারোক্তি, খতিব আপাতত শঙ্কামুক্ত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪৮:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫
  • ৯৭৩ বার পড়া হয়েছে

চাঁদপুর শহরের আলোচিত প্রফেসর পাড়া মোল্লা বাড়ি জামে মসজিদে খতিবের ওপর সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত আসামি বিল্লাল হোসেন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শনিবার বিকেলে তাকে চাঁদপুরের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাতুল হাসান আল মুরাদের আদালতে হাজির করা হলে তিনি এ জবানবন্দি দেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে মসজিদের খতিব মাওলানা আ ন ম নূরুর রহমান মাদানীকে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন থাকলেও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিনি আপাতত শঙ্কামুক্ত।

ঘটনার দিন, শুক্রবার (১১ জুলাই), মাওলানা নূর রহমান মাদানী জুমার নামাজে ইমামতি করছিলেন। খুতবার কিছু বক্তব্য নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন। জুমার নামাজ শেষে পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র ‘চাপাতি’ দিয়ে খতিবের ওপর হামলা চালায় তিনি। এতে মাওলানার মাথায় মারাত্মক জখম হয়। দ্রুত মুসল্লিরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান এবং হামলাকারী বিল্লালকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন

চাঁদপুর সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হোসেন মামলাটির তদন্তের দায়িত্বে রয়েছেন। কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক শহীদুল্লাহ এবং বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল কাদের খান হামলাকারীর জবানবন্দি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, বিকেল ৩টার দিকে বিল্লাল হোসেনকে আদালতে হাজির করা হয় এবং রাত ৮টায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আসামি বিল্লাল হোসেন চাঁদপুর সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মনোহরখাদি গ্রামের মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে। শহরের বকুলতলায় বসবাস করেন তিনি এবং পেশায় একজন ভ্রাম্যমাণ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ কমিটমেন্টের সফল বাস্তবায়ন হবে: প্রেস সচিব

চাঁদপুরে মসজিদে খতিবের ওপর হামলা: হামলাকারীর স্বীকারোক্তি, খতিব আপাতত শঙ্কামুক্ত

আপডেট সময় ১০:৪৮:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫

চাঁদপুর শহরের আলোচিত প্রফেসর পাড়া মোল্লা বাড়ি জামে মসজিদে খতিবের ওপর সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত আসামি বিল্লাল হোসেন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শনিবার বিকেলে তাকে চাঁদপুরের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাতুল হাসান আল মুরাদের আদালতে হাজির করা হলে তিনি এ জবানবন্দি দেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে মসজিদের খতিব মাওলানা আ ন ম নূরুর রহমান মাদানীকে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন থাকলেও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিনি আপাতত শঙ্কামুক্ত।

ঘটনার দিন, শুক্রবার (১১ জুলাই), মাওলানা নূর রহমান মাদানী জুমার নামাজে ইমামতি করছিলেন। খুতবার কিছু বক্তব্য নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন। জুমার নামাজ শেষে পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র ‘চাপাতি’ দিয়ে খতিবের ওপর হামলা চালায় তিনি। এতে মাওলানার মাথায় মারাত্মক জখম হয়। দ্রুত মুসল্লিরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান এবং হামলাকারী বিল্লালকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন

চাঁদপুর সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হোসেন মামলাটির তদন্তের দায়িত্বে রয়েছেন। কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক শহীদুল্লাহ এবং বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল কাদের খান হামলাকারীর জবানবন্দি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, বিকেল ৩টার দিকে বিল্লাল হোসেনকে আদালতে হাজির করা হয় এবং রাত ৮টায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আসামি বিল্লাল হোসেন চাঁদপুর সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মনোহরখাদি গ্রামের মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে। শহরের বকুলতলায় বসবাস করেন তিনি এবং পেশায় একজন ভ্রাম্যমাণ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।