ঢাকা , বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘শয়তান-২’ মিসাইল ছুড়লো রাশিয়া, আতঙ্কে পশ্চিমা বিশ্ব!  সারজিস আলমকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার অভিশাপ দিলেন নীলা ইসরাফিল ভুলে হামের টিকার পরিবর্তে একমাসের শিশুকে দেওয়া হলো জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন, মুহূর্তেই নিস্তেজ পদ্মা ব্যারেজ আমাদের স্বার্থ, ভারতের সঙ্গে আলোচনার কিছু নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী এবার বিধানসভাতেও থালাপতি ম্যাজিক, বিরোধী শিবিরে ভাঙন দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সোলার প্ল্যান্ট বসানোর ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর জ্বালানি পরিবহণে ইরানের সঙ্গে পাকিস্তান-ইরাকের চুক্তি জ্বালানির অভাবে নিজের গাড়িবহর অর্ধেক করছেন মোদি হামের টিকা নিয়ে দোষীদের খোঁজার আগে আমাদের মায়েদের বুক ভরা রাখতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী তিস্তা প্রকল্পে চীনের সম্পৃক্ততা, ‘পানিবোমার’ শঙ্কায় ভারত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বানিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান: শিক্ষামন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৫৩:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান শিক্ষকদের বিদেশে ছুটি কাটানোর পরিবর্তে দেশে থেকে পাঠদানের সুব্যবস্থা করেছিলেন।

মঙ্গলবার (১২ মে)  বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ১৯৯২ সালে দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে ডক্টর ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাসের মাধ্যমেই দেশে ১১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

তিনি বলেন, বর্তমানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৫৭-তে দাঁড়িয়েছে। উচ্চশিক্ষায় আমরা সংখ্যার দিক থেকে এগিয়ে গেলেও গুণগত মান বা কোয়ালিটির দিক থেকে কতটুকু অর্জন করতে পেরেছি, তা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। ড. মিলন আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকাকালীন দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন এনেছিলেন এবং পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়াও শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছিলেন।

বর্তমান সরকারের প্রেক্ষাপট টেনে তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও একইভাবে শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং তার নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী দিনের শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আনতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার রূপান্তর: টেকসই উৎকর্ষের রূপরেখা’ শীর্ষক এই কর্মশালায় সরকারের নীতিনির্ধারক, ইউজিসি সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষক, গবেষক এবং দেশি-বিদেশি কূটনীতিক ও উন্নয়ন সহযোগীরা অংশ নেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘শয়তান-২’ মিসাইল ছুড়লো রাশিয়া, আতঙ্কে পশ্চিমা বিশ্ব! 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বানিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৫৩:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান শিক্ষকদের বিদেশে ছুটি কাটানোর পরিবর্তে দেশে থেকে পাঠদানের সুব্যবস্থা করেছিলেন।

মঙ্গলবার (১২ মে)  বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ১৯৯২ সালে দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে ডক্টর ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাসের মাধ্যমেই দেশে ১১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

তিনি বলেন, বর্তমানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৫৭-তে দাঁড়িয়েছে। উচ্চশিক্ষায় আমরা সংখ্যার দিক থেকে এগিয়ে গেলেও গুণগত মান বা কোয়ালিটির দিক থেকে কতটুকু অর্জন করতে পেরেছি, তা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। ড. মিলন আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকাকালীন দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন এনেছিলেন এবং পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়াও শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছিলেন।

বর্তমান সরকারের প্রেক্ষাপট টেনে তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও একইভাবে শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং তার নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী দিনের শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আনতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার রূপান্তর: টেকসই উৎকর্ষের রূপরেখা’ শীর্ষক এই কর্মশালায় সরকারের নীতিনির্ধারক, ইউজিসি সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষক, গবেষক এবং দেশি-বিদেশি কূটনীতিক ও উন্নয়ন সহযোগীরা অংশ নেন।