ঢাকা , শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘আর্জেন্টিনা জেতেনি’, মেসিদের বোর্ড থেকেই সাংবাদিকদের ই-মেইল দেশ বিক্রির ষড়যন্ত্রকারীদের উৎখাতে জুলাই অভ্যুত্থান হয়েছে: ফয়জুল করীম বরিশালে থানাহাজতে সেদিন যা ঘটেছিল, সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল মোহাম্মদপুরে ভবনের একাংশে ধস, দুর্ঘটনার শঙ্কা জামালপুরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ভাঙচুর এমপির গাড়ি সরকারি শিশু পরিবারে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় চট্টগ্রামের ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন সারাদেশে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গোল না খাওয়া স্পেনের সামনে বেলজিয়ামের গোলঝড় এবার অমুসলিম দেশেও ই’স’রা’ই’লি পণ্য আমদানি নি’ষি’দ্ধ

ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি ব্রিটিশ এমপিদের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:২৯:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • ৩৪৮ বার পড়া হয়েছে

এবার ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ব্রিটিশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির অন্তত ৬০ জন এমপি। তারা গাজায় ‘জাতিগত নিধন’ বন্ধে অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানান।  বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) লেবার ফ্রেন্ডস অব ফিলিস্তিন অ্যান্ড দ্য মিডল ইস্ট-এর এ দাবি সংক্রান্ত একটি চিঠি ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামির কাছে পাঠানো হয়। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন, লেবার পার্টির মধ্যপন্থী ও বামঘরানার ৫৯ জন এমপি। এমপিরা গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফাহর ধ্বংসস্তূপে ত্রাণের অজুহাতে তাবু শহর গড়ে তোলার ইসরায়েলি পরিকল্পনা বন্ধে অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।  ব্রিটিশ এমপিরা হুঁশিয়ারি দেন, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের জোরপূর্বক স্থানান্তর এবং তাদের নিজেদের ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদের শামিল হবে।

গাজার সব ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিককে রাফাহর ধ্বংসস্তূপে একটি ক্যাম্পে জোরপূর্বক স্থানান্তরের পরিকল্পনা করা হচ্ছে জানিয়ে চিঠিতে বলা হয়, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ঘোষণার পর আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। যেখানে তাদের বের হওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না। আমরা এটিকে ‘জাতিগত নিধন’ হিসেবে দেখছি।

যুক্তরাজ্যকে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে তারা বলেন, ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ-র তহবিল পুনরায় চালু করা, জিম্মিদের মুক্তির জন্য পদক্ষেপ নেওয়া এবং অধিকৃত পশ্চিমতীরে ইসরায়েলি বসতিতে উৎপাদিত পণ্যের ওপর বাণিজ্য অবরোধ আরোপ করা। আমরা ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দিয়ে আমাদের নিজেদের দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের নীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছি এবং এই বার্তা দিচ্ছি যে, বর্তমান পরিস্থিতি চলতে থাকবে এবং এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড মানচিত্র থেকে কার্যত মুছে ফেলা ও দখলের পথ তৈরি হবে।

নতুন লেবার প্রশাসনের অধীনে যুক্তরাজ্য সরকার এখনও ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র স্বীকৃতির ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক অবস্থান পরিবর্তন করেনি। গাজায় যুদ্ধ দশম মাসে গড়িয়েছে। এ সময় ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা ব্যাপক স্থানচ্যুতি, অবকাঠামোর ধ্বংস এবং যুদ্ধবিরতি আলোচনার ভেঙে পড়ার কথা উল্লেখ করেছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আর্জেন্টিনা জেতেনি’, মেসিদের বোর্ড থেকেই সাংবাদিকদের ই-মেইল

ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি ব্রিটিশ এমপিদের

আপডেট সময় ০২:২৯:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

এবার ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ব্রিটিশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির অন্তত ৬০ জন এমপি। তারা গাজায় ‘জাতিগত নিধন’ বন্ধে অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানান।  বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) লেবার ফ্রেন্ডস অব ফিলিস্তিন অ্যান্ড দ্য মিডল ইস্ট-এর এ দাবি সংক্রান্ত একটি চিঠি ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামির কাছে পাঠানো হয়। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন, লেবার পার্টির মধ্যপন্থী ও বামঘরানার ৫৯ জন এমপি। এমপিরা গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফাহর ধ্বংসস্তূপে ত্রাণের অজুহাতে তাবু শহর গড়ে তোলার ইসরায়েলি পরিকল্পনা বন্ধে অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।  ব্রিটিশ এমপিরা হুঁশিয়ারি দেন, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের জোরপূর্বক স্থানান্তর এবং তাদের নিজেদের ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদের শামিল হবে।

গাজার সব ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিককে রাফাহর ধ্বংসস্তূপে একটি ক্যাম্পে জোরপূর্বক স্থানান্তরের পরিকল্পনা করা হচ্ছে জানিয়ে চিঠিতে বলা হয়, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ঘোষণার পর আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। যেখানে তাদের বের হওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না। আমরা এটিকে ‘জাতিগত নিধন’ হিসেবে দেখছি।

যুক্তরাজ্যকে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে তারা বলেন, ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ-র তহবিল পুনরায় চালু করা, জিম্মিদের মুক্তির জন্য পদক্ষেপ নেওয়া এবং অধিকৃত পশ্চিমতীরে ইসরায়েলি বসতিতে উৎপাদিত পণ্যের ওপর বাণিজ্য অবরোধ আরোপ করা। আমরা ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দিয়ে আমাদের নিজেদের দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের নীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছি এবং এই বার্তা দিচ্ছি যে, বর্তমান পরিস্থিতি চলতে থাকবে এবং এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড মানচিত্র থেকে কার্যত মুছে ফেলা ও দখলের পথ তৈরি হবে।

নতুন লেবার প্রশাসনের অধীনে যুক্তরাজ্য সরকার এখনও ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র স্বীকৃতির ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক অবস্থান পরিবর্তন করেনি। গাজায় যুদ্ধ দশম মাসে গড়িয়েছে। এ সময় ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা ব্যাপক স্থানচ্যুতি, অবকাঠামোর ধ্বংস এবং যুদ্ধবিরতি আলোচনার ভেঙে পড়ার কথা উল্লেখ করেছেন।