ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
স্মার্ট টেকনোলজি থেকে ৫০ লাখ নিয়ে কাজ দেয়ার অভিযোগ বিসিসি’র কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকার দুই মাসের মধ্যে জনগণকে রাজপথে আসতে বাধ্য করছে: এটিএম আজহার বর্তমানে বাংলাদেশে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ৭৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি: অর্থমন্ত্রী জনগণের স্বার্থ বিবেচনা করে ইরানের উচিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব গ্রহণ করা: জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানি জাহাজে চীনা মিসাইলের কেমিক্যাল, তবে কি ইরানকে টিকিয়ে রাখার নেপথ্যে বেইজিং? এক পরিবারে দুই এমপির নীতি না থাকায় আমিরের স্ত্রীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি: হামিদুর রহমান আযাদ দৃষ্টি নেই, তবুও স্বপ্ন অটুট শরীফের ইসরায়েলি সেনাবাহিনী পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্টতম সেনাবাহিনী: জাতিসংঘের বিশেষ দূত প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি, পরবর্তী পরীক্ষাগুলোও পর্যবেক্ষণ করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী যুদ্ধে নিজেদের সাফল্য তুলে না ধরায় মার্কিন গণমাধ্যমের ওপর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

‘চিলড্রেন্স পার্টি’র কথা শুনে বি’ভ্রান্ত হওয়ার কারণ নেই : মির্জা আব্বাস

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:২১:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
  • ২৯৩ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে নিয়ে নানা মহলের সমালোচনার জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির যৌথ বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, “একটা দল আছে ‘বাংলাদেশ চিলড্রেন্স পার্টি’—তাদের অনেকেই এখন তারেক রহমান আর জিয়াউর রহমানকে নিয়ে কথা বলেন। তাদের দাদারাও তো জিয়াউর রহমানকে চিনতেন না। তাদের কথাবার্তায় বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই।” তিনি এখানে পরোক্ষভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমালোচনা করেন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ তথা চরমোনাই পীরের প্রসঙ্গে আব্বাস বলেন, “এই লোক ও তার দল বলছে, আওয়ামী লীগ গেছে যেই পথে বিএনপি যাবে সেই পথে। এটা কি এত সহজ? বাংলাদেশ বিএনপির স্থায়ী ঠিকানা।” তিনি ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনার উদাহরণ দিয়ে বলেন, “তখন হামলার সময় চরমোনাই পীর কোথায় ছিলেন? মুসলমানদের পক্ষে দাঁড়াননি, বিএনপি দাঁড়িয়েছিল।”

জামায়াতে ইসলামীর প্রতি ইঙ্গিত করে মির্জা আব্বাস বলেন, “তাদের কাজ শুধু সুকৌশলে চাঁদা ও হাদিয়া নেওয়া। বসুন্ধরা, সিটি গ্রুপসহ বড় বড় গ্রুপের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে—আমাদের কাছে সব তথ্য আছে। এরশাদের কাঁধে, আওয়ামী লীগের কাঁধে, বিএনপির কাঁধে চড়ে এখন বড় বড় কথা বলছে। তারা চায় বিএনপিকে ধ্বংস করে রাজত্ব করতে। কিন্তু তারা জানে না, তারেক রহমান তাদের সকল ষড়যন্ত্র ভেদ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।”

বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি রফিকুল আলম মজনু, এবং সঞ্চালনা করেন মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন।

এ ছাড়া সমাবেশে বক্তব্য দেন মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমিনুল হক, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, আবদুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নসহ অন্যান্য নেতারা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

স্মার্ট টেকনোলজি থেকে ৫০ লাখ নিয়ে কাজ দেয়ার অভিযোগ বিসিসি’র কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

‘চিলড্রেন্স পার্টি’র কথা শুনে বি’ভ্রান্ত হওয়ার কারণ নেই : মির্জা আব্বাস

আপডেট সময় ০৮:২১:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে নিয়ে নানা মহলের সমালোচনার জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির যৌথ বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, “একটা দল আছে ‘বাংলাদেশ চিলড্রেন্স পার্টি’—তাদের অনেকেই এখন তারেক রহমান আর জিয়াউর রহমানকে নিয়ে কথা বলেন। তাদের দাদারাও তো জিয়াউর রহমানকে চিনতেন না। তাদের কথাবার্তায় বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই।” তিনি এখানে পরোক্ষভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমালোচনা করেন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ তথা চরমোনাই পীরের প্রসঙ্গে আব্বাস বলেন, “এই লোক ও তার দল বলছে, আওয়ামী লীগ গেছে যেই পথে বিএনপি যাবে সেই পথে। এটা কি এত সহজ? বাংলাদেশ বিএনপির স্থায়ী ঠিকানা।” তিনি ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনার উদাহরণ দিয়ে বলেন, “তখন হামলার সময় চরমোনাই পীর কোথায় ছিলেন? মুসলমানদের পক্ষে দাঁড়াননি, বিএনপি দাঁড়িয়েছিল।”

জামায়াতে ইসলামীর প্রতি ইঙ্গিত করে মির্জা আব্বাস বলেন, “তাদের কাজ শুধু সুকৌশলে চাঁদা ও হাদিয়া নেওয়া। বসুন্ধরা, সিটি গ্রুপসহ বড় বড় গ্রুপের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে—আমাদের কাছে সব তথ্য আছে। এরশাদের কাঁধে, আওয়ামী লীগের কাঁধে, বিএনপির কাঁধে চড়ে এখন বড় বড় কথা বলছে। তারা চায় বিএনপিকে ধ্বংস করে রাজত্ব করতে। কিন্তু তারা জানে না, তারেক রহমান তাদের সকল ষড়যন্ত্র ভেদ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।”

বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি রফিকুল আলম মজনু, এবং সঞ্চালনা করেন মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন।

এ ছাড়া সমাবেশে বক্তব্য দেন মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমিনুল হক, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, আবদুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নসহ অন্যান্য নেতারা।