ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্তমান সংকটের জন্য বিগত সরকার দায়ী: ডিএসসিসি প্রশাসক নো গ্যাস নো বিল, নো সার্ভিস নো ট্যাক্স: রুমিন ফারহানা ছয় দফা না মানলে সরকার পতনে এক দফা: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কানাডায় ২ শিশুকে ৯ মাস যৌন নিপীড়ন, প্রবাসী আর্ট শিক্ষক গ্রেপ্তার জাতিসংঘে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে বিএনপি নায়ক হতে পারতো, কিন্তু ভিলেনে পরিণত হয়েছে: তাজুল ইসলাম জাতিসংঘে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফিলিস্তিনে ধ্বংসস্তূপ থেকে একই পরিবারের ৫৫ লাশ উদ্ধার ‘আমি চলে গেলে কেউ আমার নাম দেবে না’, তাই সবকিছুতে নিজের নাম দিচ্ছেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে আকস্মিক হামলা চালাতে পারে ইরান

বাড়ল টাকার মান, কমেছে ডলারের দাম

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৫৬:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
  • ২১৩১ বার পড়া হয়েছে

এবার ব্যাংকগুলোতে ডলারের দাম আরও কমেছে। গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দাম কমেছে প্রায় ২ টাকা ৪০ পয়সা। ডলারের সর্বনিম্ন দর এখন ১২০ টাকা ৩০ পয়সায় নেমেছে। সর্বোচ্চ দর নেমেছে ১২১ টাকা ২০ পয়সায়। এর আগে সর্বোচ্চ দর ১২৩ টাকায় উঠেছিল। রেমিট্যান্স প্রবাহ, রপ্তানি আয় ও বৈদেশিক ঋণ প্রবাহ বাড়ার কারণে বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। এতে ডলারের দামও কমতে শুরু করেছে। একইসঙ্গে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বাড়ছে।

গত ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে দেশে ডলার সংকট শুরু হয়। বিগত সরকার ক্ষমতায় থাকা পর্যন্ত এই সংকট ছিল। গত বছরের ৫ আগস্ট সরকারের পতন হলে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। তখন থেকে ডলার পাচার বহুলাংশে কমার কারণে ডলার সংকটও কেটে যায়। অর্থাৎ ডলারের পাচারের কারণেই ছিল সংকট।

রোববার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে সর্বনিম্ন ১২০ টাকা ৩০ পয়সা দরে ডলার বিক্রি হয়েছে। সর্বোচ্চ বিক্রি হয়েছে ১২১ টাকা ২০ পয়সা দরে। গত দাম ছিল ১২০ টাকা ৬০ পয়সা। এর আগে দুই সপ্তাহ আগে ডলারের দাম সর্বোচ্চ ১২৩ টাকায় উঠেছিল। গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে ডলারের দাম বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়। এর দাম সর্বোচ্চ এক টাকা বাড়লেও এখন অনেকটা কমে এসেছে।

ডলারের দাম কমার কারণে টাকার মান বেড়েছে। এতে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ আরও কমছে। পাশাপাশি ডলারের বাড়তি দামের কারণে আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতির চাপও কমবে। একই সঙ্গে বৈদেশিক দেনা পরিশোধের ক্ষেত্রেও কম দামে ডলার পাওয়া যাবে। এতে দায়ও কমবে। এদিকে ডলারের দাম কমার কারণে রেমিট্যান্সের ওপর যাতে কোনো নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে সেজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক সতর্ক রয়েছে। দুর্বল কিছু ব্যাংক এখনও চড়া দামে রেমিট্যান্স কিনছে। ফলে রেমিট্যান্সের একটি অংশ ওইসব ব্যাংকের মাধ্যমে আসছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্তমান সংকটের জন্য বিগত সরকার দায়ী: ডিএসসিসি প্রশাসক

বাড়ল টাকার মান, কমেছে ডলারের দাম

আপডেট সময় ১২:৫৬:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

এবার ব্যাংকগুলোতে ডলারের দাম আরও কমেছে। গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দাম কমেছে প্রায় ২ টাকা ৪০ পয়সা। ডলারের সর্বনিম্ন দর এখন ১২০ টাকা ৩০ পয়সায় নেমেছে। সর্বোচ্চ দর নেমেছে ১২১ টাকা ২০ পয়সায়। এর আগে সর্বোচ্চ দর ১২৩ টাকায় উঠেছিল। রেমিট্যান্স প্রবাহ, রপ্তানি আয় ও বৈদেশিক ঋণ প্রবাহ বাড়ার কারণে বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। এতে ডলারের দামও কমতে শুরু করেছে। একইসঙ্গে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বাড়ছে।

গত ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে দেশে ডলার সংকট শুরু হয়। বিগত সরকার ক্ষমতায় থাকা পর্যন্ত এই সংকট ছিল। গত বছরের ৫ আগস্ট সরকারের পতন হলে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। তখন থেকে ডলার পাচার বহুলাংশে কমার কারণে ডলার সংকটও কেটে যায়। অর্থাৎ ডলারের পাচারের কারণেই ছিল সংকট।

রোববার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে সর্বনিম্ন ১২০ টাকা ৩০ পয়সা দরে ডলার বিক্রি হয়েছে। সর্বোচ্চ বিক্রি হয়েছে ১২১ টাকা ২০ পয়সা দরে। গত দাম ছিল ১২০ টাকা ৬০ পয়সা। এর আগে দুই সপ্তাহ আগে ডলারের দাম সর্বোচ্চ ১২৩ টাকায় উঠেছিল। গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে ডলারের দাম বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়। এর দাম সর্বোচ্চ এক টাকা বাড়লেও এখন অনেকটা কমে এসেছে।

ডলারের দাম কমার কারণে টাকার মান বেড়েছে। এতে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ আরও কমছে। পাশাপাশি ডলারের বাড়তি দামের কারণে আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতির চাপও কমবে। একই সঙ্গে বৈদেশিক দেনা পরিশোধের ক্ষেত্রেও কম দামে ডলার পাওয়া যাবে। এতে দায়ও কমবে। এদিকে ডলারের দাম কমার কারণে রেমিট্যান্সের ওপর যাতে কোনো নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে সেজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক সতর্ক রয়েছে। দুর্বল কিছু ব্যাংক এখনও চড়া দামে রেমিট্যান্স কিনছে। ফলে রেমিট্যান্সের একটি অংশ ওইসব ব্যাংকের মাধ্যমে আসছে।