ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ব্রিজ নির্মাণ! অবরুদ্ধ হরমুজ: ট্রাম্পের অবরোধ ভাঙতে নামবে চীনের ভয়ঙ্কর নৌবহর? মার্কিন হুমকি তোয়াক্কা না করে হরমুজ পার হলো ইরানি সুপার ট্যাংকার ২৮০০ কোটি টাকার মার্কিন ড্রোন ধ্বংস করল ইরান মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছি না: শিক্ষামন্ত্রী ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে: পেজেশকিয়ান তেহরানের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ যেকোনো সমাধানই মস্কো মেনে নেবে: রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরান থেকে তেল নিতে পারবে না চীন: যুক্তরাষ্ট্র আমাকে নতি স্বীকার করাতে বুশরা বিবিকে ‘অমানুষিক’ নির্যাতন করা হচ্ছে: ইমরান খান আমিও অনলাইন ক্লাস চাই না, কিন্তু পৃথিবী চায়: শিক্ষামন্ত্রী

বাড়ল টাকার মান, কমেছে ডলারের দাম

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৫৬:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
  • ১৯৯১ বার পড়া হয়েছে

এবার ব্যাংকগুলোতে ডলারের দাম আরও কমেছে। গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দাম কমেছে প্রায় ২ টাকা ৪০ পয়সা। ডলারের সর্বনিম্ন দর এখন ১২০ টাকা ৩০ পয়সায় নেমেছে। সর্বোচ্চ দর নেমেছে ১২১ টাকা ২০ পয়সায়। এর আগে সর্বোচ্চ দর ১২৩ টাকায় উঠেছিল। রেমিট্যান্স প্রবাহ, রপ্তানি আয় ও বৈদেশিক ঋণ প্রবাহ বাড়ার কারণে বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। এতে ডলারের দামও কমতে শুরু করেছে। একইসঙ্গে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বাড়ছে।

গত ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে দেশে ডলার সংকট শুরু হয়। বিগত সরকার ক্ষমতায় থাকা পর্যন্ত এই সংকট ছিল। গত বছরের ৫ আগস্ট সরকারের পতন হলে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। তখন থেকে ডলার পাচার বহুলাংশে কমার কারণে ডলার সংকটও কেটে যায়। অর্থাৎ ডলারের পাচারের কারণেই ছিল সংকট।

রোববার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে সর্বনিম্ন ১২০ টাকা ৩০ পয়সা দরে ডলার বিক্রি হয়েছে। সর্বোচ্চ বিক্রি হয়েছে ১২১ টাকা ২০ পয়সা দরে। গত দাম ছিল ১২০ টাকা ৬০ পয়সা। এর আগে দুই সপ্তাহ আগে ডলারের দাম সর্বোচ্চ ১২৩ টাকায় উঠেছিল। গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে ডলারের দাম বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়। এর দাম সর্বোচ্চ এক টাকা বাড়লেও এখন অনেকটা কমে এসেছে।

ডলারের দাম কমার কারণে টাকার মান বেড়েছে। এতে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ আরও কমছে। পাশাপাশি ডলারের বাড়তি দামের কারণে আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতির চাপও কমবে। একই সঙ্গে বৈদেশিক দেনা পরিশোধের ক্ষেত্রেও কম দামে ডলার পাওয়া যাবে। এতে দায়ও কমবে। এদিকে ডলারের দাম কমার কারণে রেমিট্যান্সের ওপর যাতে কোনো নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে সেজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক সতর্ক রয়েছে। দুর্বল কিছু ব্যাংক এখনও চড়া দামে রেমিট্যান্স কিনছে। ফলে রেমিট্যান্সের একটি অংশ ওইসব ব্যাংকের মাধ্যমে আসছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ব্রিজ নির্মাণ!

বাড়ল টাকার মান, কমেছে ডলারের দাম

আপডেট সময় ১২:৫৬:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

এবার ব্যাংকগুলোতে ডলারের দাম আরও কমেছে। গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দাম কমেছে প্রায় ২ টাকা ৪০ পয়সা। ডলারের সর্বনিম্ন দর এখন ১২০ টাকা ৩০ পয়সায় নেমেছে। সর্বোচ্চ দর নেমেছে ১২১ টাকা ২০ পয়সায়। এর আগে সর্বোচ্চ দর ১২৩ টাকায় উঠেছিল। রেমিট্যান্স প্রবাহ, রপ্তানি আয় ও বৈদেশিক ঋণ প্রবাহ বাড়ার কারণে বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। এতে ডলারের দামও কমতে শুরু করেছে। একইসঙ্গে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বাড়ছে।

গত ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে দেশে ডলার সংকট শুরু হয়। বিগত সরকার ক্ষমতায় থাকা পর্যন্ত এই সংকট ছিল। গত বছরের ৫ আগস্ট সরকারের পতন হলে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। তখন থেকে ডলার পাচার বহুলাংশে কমার কারণে ডলার সংকটও কেটে যায়। অর্থাৎ ডলারের পাচারের কারণেই ছিল সংকট।

রোববার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে সর্বনিম্ন ১২০ টাকা ৩০ পয়সা দরে ডলার বিক্রি হয়েছে। সর্বোচ্চ বিক্রি হয়েছে ১২১ টাকা ২০ পয়সা দরে। গত দাম ছিল ১২০ টাকা ৬০ পয়সা। এর আগে দুই সপ্তাহ আগে ডলারের দাম সর্বোচ্চ ১২৩ টাকায় উঠেছিল। গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে ডলারের দাম বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়। এর দাম সর্বোচ্চ এক টাকা বাড়লেও এখন অনেকটা কমে এসেছে।

ডলারের দাম কমার কারণে টাকার মান বেড়েছে। এতে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ আরও কমছে। পাশাপাশি ডলারের বাড়তি দামের কারণে আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতির চাপও কমবে। একই সঙ্গে বৈদেশিক দেনা পরিশোধের ক্ষেত্রেও কম দামে ডলার পাওয়া যাবে। এতে দায়ও কমবে। এদিকে ডলারের দাম কমার কারণে রেমিট্যান্সের ওপর যাতে কোনো নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে সেজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক সতর্ক রয়েছে। দুর্বল কিছু ব্যাংক এখনও চড়া দামে রেমিট্যান্স কিনছে। ফলে রেমিট্যান্সের একটি অংশ ওইসব ব্যাংকের মাধ্যমে আসছে।