ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাউফলে কোটি টাকার সেতু উদ্বোধনের আগেই ধ্বস আ.লীগের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি মোকাবিলাই বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী এনসিপির সমাবেশে বিস্ফোরণ,  যুবলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ২ মারা গেলেন আফগানিস্তানের সাবেক পেসার শাপুর জাদরান স্বাস্থ্যসেবা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, এটি মৌলিক অধিকার: জুবাইদা রহমান ঘুষ নেওয়ার দায়ে চীনের সাবেক সরকারি কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড বিচারে নিষিদ্ধ না হলে কর্মকাণ্ড চালাতে পারবে আওয়ামী লীগ : তথ্য উপদেষ্টা ভারতের বিরুদ্ধে সব ফ্রন্টে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের স্থানীয় সরকার নির্বাচন অক্টোবরে শুরু: তথ্য উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জুলাই আন্দোলনের সেই কিশোরের বড় ভাই এবার জাকসুর জিএস

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৫৭৩ বার পড়া হয়েছে

জুলাই আন্দোলনের সময়কার এক ছবি নাড়িয়ে দিয়েছিল পুরো দেশকে—প্রিজনভ্যান থেকে নামানো এক কিশোর, গায়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জার্সি, দুই হাত বাঁধা, হাতে কাপড়ের ব্যাগ। সেই কিশোর হাসনাতুল ইসলাম ফাইয়াজ, বয়স তখন মাত্র ১৭ বছর, ঢাকা কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

ফাইয়াজ এখন গর্বিত ছোট ভাই। তার বড় ভাই মাজহারুল ইসলাম ফাহিম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বিজয়ী হয়েছেন। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় টানা ৪৪ ঘণ্টা গণনা শেষে নির্বাচন কমিশন এই ফল ঘোষণা করে। ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মাজহারুল পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৩০ ভোট।

ফেসবুকে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ফাইয়াজ লিখেছেন, “একদিন আমি আম্মুকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আপনার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ কে? তিনি কোনো দ্বিধা ছাড়াই বলেছিলেন—ফাহিম। আজ সেই আম্মুর সবচেয়ে প্রিয় মানুষ জাকসুর জিএস নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, তার ভাই শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষায় আপসহীন ভূমিকা রাখবেন, শান্তিপূর্ণ ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠায় কাজ করবেন এবং মতের বৈচিত্র্যকে মূল্য দেবেন।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে মাজহারুল ইসলাম বিএনসিসি জাহাঙ্গীরনগর প্লাটুনের সিইউও ও ক্যাডেট ইনচার্জ, জেইউডিও’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকসহ নানা সামাজিক ও অ্যাকাডেমিক প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় ছিলেন।

জুলাই আন্দোলনের অভিজ্ঞতা টেনে ফাইয়াজ লেখেন, “আমাকে নির্যাতন করে ভাইয়ার অবস্থান জানতে চেয়েছিল। আমি কিছু না বলায় তারা মোবাইল ট্র্যাক করেছিল। কিন্তু ভাইয়ার কৌশলী অবস্থানের কারণে তাকে ধরতে পারেনি।”

পোস্টের শেষদিকে তিনি দোয়া প্রার্থনা করে লেখেন, “আমার আম্মুর সবচেয়ে প্রিয় মানুষকে যেন শিক্ষার্থীরাও প্রিয় হিসেবে গ্রহণ করে। আল্লাহ যেন ভাইয়ার উদ্দেশ্য কবুল করেন।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাউফলে কোটি টাকার সেতু উদ্বোধনের আগেই ধ্বস

জুলাই আন্দোলনের সেই কিশোরের বড় ভাই এবার জাকসুর জিএস

আপডেট সময় ০১:০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জুলাই আন্দোলনের সময়কার এক ছবি নাড়িয়ে দিয়েছিল পুরো দেশকে—প্রিজনভ্যান থেকে নামানো এক কিশোর, গায়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জার্সি, দুই হাত বাঁধা, হাতে কাপড়ের ব্যাগ। সেই কিশোর হাসনাতুল ইসলাম ফাইয়াজ, বয়স তখন মাত্র ১৭ বছর, ঢাকা কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

ফাইয়াজ এখন গর্বিত ছোট ভাই। তার বড় ভাই মাজহারুল ইসলাম ফাহিম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বিজয়ী হয়েছেন। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় টানা ৪৪ ঘণ্টা গণনা শেষে নির্বাচন কমিশন এই ফল ঘোষণা করে। ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মাজহারুল পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৩০ ভোট।

ফেসবুকে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ফাইয়াজ লিখেছেন, “একদিন আমি আম্মুকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আপনার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ কে? তিনি কোনো দ্বিধা ছাড়াই বলেছিলেন—ফাহিম। আজ সেই আম্মুর সবচেয়ে প্রিয় মানুষ জাকসুর জিএস নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, তার ভাই শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষায় আপসহীন ভূমিকা রাখবেন, শান্তিপূর্ণ ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠায় কাজ করবেন এবং মতের বৈচিত্র্যকে মূল্য দেবেন।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে মাজহারুল ইসলাম বিএনসিসি জাহাঙ্গীরনগর প্লাটুনের সিইউও ও ক্যাডেট ইনচার্জ, জেইউডিও’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকসহ নানা সামাজিক ও অ্যাকাডেমিক প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় ছিলেন।

জুলাই আন্দোলনের অভিজ্ঞতা টেনে ফাইয়াজ লেখেন, “আমাকে নির্যাতন করে ভাইয়ার অবস্থান জানতে চেয়েছিল। আমি কিছু না বলায় তারা মোবাইল ট্র্যাক করেছিল। কিন্তু ভাইয়ার কৌশলী অবস্থানের কারণে তাকে ধরতে পারেনি।”

পোস্টের শেষদিকে তিনি দোয়া প্রার্থনা করে লেখেন, “আমার আম্মুর সবচেয়ে প্রিয় মানুষকে যেন শিক্ষার্থীরাও প্রিয় হিসেবে গ্রহণ করে। আল্লাহ যেন ভাইয়ার উদ্দেশ্য কবুল করেন।”