ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘ডোপ টেস্টের’ খবর শুনেই উধাও এসআই মামুন শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে ভারত ষড়যন্ত্র করছে: রিজভী ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষতির চিত্র ঢাকা-রংপুর লংমার্চ সফলে রাজধানীতে জামায়াতের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ হাদি হত্যা নিয়ে মমতার বিতর্কিত মন্তব্য, জনস্বার্থ মামলা খারিজ হাইকোর্টে পটুয়াখালীর চাঞ্চল্যে: একই ঘরে দুই তরুণী, ‘বাসর’ সাজিয়ে রাতযাপন ইরান সংঘাতে জ্বালানি সংকটে বিশ্ব; আকাশচুম্বী তেলের দামে দেশে দেশে ছড়িয়ে পড়ছে বিক্ষোভ ডাকসুর অনার বোর্ডে ২০১৯ সালের জিএস হিসেবে রাশেদ খাঁনের নাম মাদক উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় ভারত, তবুও যে কারণে মোদির প্রশংসায় ট্রাম্প! সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেও কেন এআই উন্নয়ন নিয়ে এতো মরিয়া ট্রাম্প?

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যে ভারতকে ছাপিয়ে দুই নম্বরে উঠে এল আমেরিকা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:১৭:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে

২০২৫২৬ অর্থবর্ষে বাংলাদেশে ৪৩ শতাংশ রফতানি বাড়িয়েছে আমেরিকা। বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় রফতানি বেড়েছে মাত্র ৪ শতাংশ। অন্য দিকে, এই সময়ের মধ্যে ভারত থেকে বাংলাদেশে আমদানির পরিমাণ কমেছে প্রায় সাড়ে ৭ শতাংশ। বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে ক্রমশ এগোচ্ছে আমেরিকা! বাণিজ্যের পরিমাণের নিরিখে বেশ কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে পড়শি দেশ ভারত। ২০২৫২৬ অর্থবর্ষে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যের পরিমাণ জানিয়ে পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে ঢাকা। সে দেশের সংবাদপত্রপ্রথম আলো’-র প্রতিবেদন অনুসারে, বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে আমেরিকা। ভারত নেমে গিয়েছে তৃতীয় স্থানে। আর বহু এগিয়ে শীর্ষস্থান দখলে রেখেছে চিন।

২০২৫২৬ অর্থবর্ষে বাংলাদেশে ৪৩ শতাংশ রফতানি বাড়িয়েছে আমেরিকা। বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় রফতানি বেড়েছে মাত্র ৪ শতাংশ। অন্য দিকে, এই সময়ের মধ্যে ভারত থেকে বাংলাদেশে আমদানির পরিমাণ কমেছে প্রায় সাড়ে ৭ শতাংশ। বাংলাদেশ থেকে ভারতে রফতানির পরিমাণও ৩ শতাংশ কমেছে। বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর হিসাব অনুযায়ী, গত ২০২৫২৬ অর্থবর্ষে আমেরিকার সঙ্গে বাংলাদেশের পণ্য আমদানিরফতানির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ২৬৭ কোটি ডলার। ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য হয়েছে ১ হাজার ৭২ কোটি ডলার (কোটির হিসাব বাংলাদেশের মুদ্রায়। আমদানি ও রফতানি মিলিয়ে আমেরিকার সঙ্গে বাংলাদেশের ভারতের তুলনায় ১৯৫ কোটি ডলার বেশি বাণিজ্য হয়েছে। ফলে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যের নিরিখে ১৬ বছর ধরে দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও সম্প্রতি সেই স্থান খুইয়েছে নয়াদিল্লি।

বাংলাদেশের সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে মূলত দুটি বিষয় উঠে আসছে। কয়েক মাসের দর কষাকষির পর গত ৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ এবং আমেরিকার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে বাংলাদেশের পণ্যের উপর আরোপিত শুল্কের পরিমাণ কমিয়ে ১৯ শতাংশ করে আমেরিকা। অন্য দিকে, আমেরিকা থেকে ৩৫০ কোটি ডলারের কৃষিপণ্য, ১৫ বছরে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের জ্বালানি পণ্য, ১৪টি বোয়িং বিমান এবং সামরিক সরঞ্জাম কেনার অঙ্গীকার করে বাংলাদেশ। তার পরেই গত ৩০ এপ্রিল বাংলাদেশের বিমানসংস্থা বিমান বাংলাদেশ বোয়িংএর কাছ থেকে ১৪টি বিমান কেনার চুক্তিতে সই করে। আরও ১১টি বিমান কেনার বিষয়ে দুপক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে।

এতদিন বাংলাদেশ যে পরিমাণ পণ্য আমেরিকায় রফতানি করত, সেই তুলনায় অনেক কম পণ্য ট্রাম্পের দেশ থেকে ঢাকায় আসত। বাংলাদেশের সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৬২৬ কোটি ডলার (টাকার হিসাব বাংলাদেশের মুদ্রায়) তবে বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষরের পর আমেরিকা বাংলাদেশে রফতানির পরিমাণ বাড়িয়েছে। ২০২৫২৬ অর্থবর্ষে আমেরিকায় ৯১১ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি করেছে বাংলাদেশ। ট্রাম্পের দেশ থেকে আমদানি করেছে ৩৫৬ কোটি ডলারের পণ্য। আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যিক লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধির কারণ হিসেবে আরও একটি বিষয়কে দায়ী করছে ঢাকা। সে দেশের বণিকমহলের একাংশের বক্তব্য, ভারতবাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কিছু বদল এসেছে। দুই দেশের সম্পর্কের প্রভাব পড়েছে বাণিজ্যেও। দীর্ঘদিন ধরে ভারত থেকে তুলো, সুতো, খাদ্যপণ্য, শিল্পের কাঁচামালসহ বহু পণ্য আমদানি করে বাংলাদেশ। প্রতিবেশী দেশ হওয়ায় সেখান থেকে পণ্য আনতে সময় ও পরিবহণ খরচও তুলনামূলক কম। তার পরেও গত ২০২৪২৫ অর্থবর্ষে দুই দেশের আমদানি ও রফতানি দুটিই কমেছে।

২০২৫ সালের মার্চে বাংলাদেশ সরকার ভারত থেকে স্থলবন্দর দিয়ে সুতো আমদানি বন্ধের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়। তার পর ৮ এপ্রিল কলকাতা বিমানবন্দর ব্যবহার করে বাংলাদেশের পণ্য তৃতীয় দেশে রফতানির সুবিধা প্রত্যাহার করে ভারত। ভারতও তিন দফায় বাংলাদেশের পণ্য আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করে। ১৭ মে এবং ২৭ জুন পোশাক, খাদ্যপণ্য, পাটজাত পণ্য, তুলো ও সুতো, প্লাস্টিকের পণ্য এবং কাঠের আসবাব ভারতে রফতানির ক্ষেত্রে বিভিন্ন শর্ত দেওয়া হয়। পরে ১১ অগস্ট আরও কিছু পাটজাত পণ্য রফতানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করে নয়াদিল্লি। পারস্পরিক এই সমস্ত পদক্ষেপে দুই দেশের বাণিজ্যই বাধাপ্রাপ্ত হয়। ভারতে বাংলাদেশের তৈরি রেডিমেড পোশাক আমদানির পরিমাণ কমে। একই সঙ্গে ভারত থেকে বাংলাদেশে তুলো এবং সুতো রফতানিও হ্রাস পায়। ২০২৪২৫ অর্থবছরে ভারতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ছিল প্রায় ৬৫ কোটি ডলার। স্থলবন্দর দিয়ে রফতানিতে বিধিনিষেধের মধ্যে গত অর্থবর্ষে তা ১২ শতাংশ কমে ৫৭ কোটি ডলারে নেমেছে। একই সময়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে তুলো আমদানি ৫২ কোটি থেকে ২৩ শতাংশ কমে ৪০ কোটি এবং তুলার সুতো ১৭৫ কোটি থেকে কমে ১৪৭ কোটি ডলার হয়েছে। এই দুই কাঁচামালের আমদানি কমেছে ৪০ কোটি ডলার।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ডোপ টেস্টের’ খবর শুনেই উধাও এসআই মামুন

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যে ভারতকে ছাপিয়ে দুই নম্বরে উঠে এল আমেরিকা

আপডেট সময় ০৯:১৭:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০২৫২৬ অর্থবর্ষে বাংলাদেশে ৪৩ শতাংশ রফতানি বাড়িয়েছে আমেরিকা। বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় রফতানি বেড়েছে মাত্র ৪ শতাংশ। অন্য দিকে, এই সময়ের মধ্যে ভারত থেকে বাংলাদেশে আমদানির পরিমাণ কমেছে প্রায় সাড়ে ৭ শতাংশ। বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে ক্রমশ এগোচ্ছে আমেরিকা! বাণিজ্যের পরিমাণের নিরিখে বেশ কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে পড়শি দেশ ভারত। ২০২৫২৬ অর্থবর্ষে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যের পরিমাণ জানিয়ে পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে ঢাকা। সে দেশের সংবাদপত্রপ্রথম আলো’-র প্রতিবেদন অনুসারে, বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে আমেরিকা। ভারত নেমে গিয়েছে তৃতীয় স্থানে। আর বহু এগিয়ে শীর্ষস্থান দখলে রেখেছে চিন।

২০২৫২৬ অর্থবর্ষে বাংলাদেশে ৪৩ শতাংশ রফতানি বাড়িয়েছে আমেরিকা। বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় রফতানি বেড়েছে মাত্র ৪ শতাংশ। অন্য দিকে, এই সময়ের মধ্যে ভারত থেকে বাংলাদেশে আমদানির পরিমাণ কমেছে প্রায় সাড়ে ৭ শতাংশ। বাংলাদেশ থেকে ভারতে রফতানির পরিমাণও ৩ শতাংশ কমেছে। বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর হিসাব অনুযায়ী, গত ২০২৫২৬ অর্থবর্ষে আমেরিকার সঙ্গে বাংলাদেশের পণ্য আমদানিরফতানির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ২৬৭ কোটি ডলার। ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য হয়েছে ১ হাজার ৭২ কোটি ডলার (কোটির হিসাব বাংলাদেশের মুদ্রায়। আমদানি ও রফতানি মিলিয়ে আমেরিকার সঙ্গে বাংলাদেশের ভারতের তুলনায় ১৯৫ কোটি ডলার বেশি বাণিজ্য হয়েছে। ফলে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যের নিরিখে ১৬ বছর ধরে দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও সম্প্রতি সেই স্থান খুইয়েছে নয়াদিল্লি।

বাংলাদেশের সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে মূলত দুটি বিষয় উঠে আসছে। কয়েক মাসের দর কষাকষির পর গত ৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ এবং আমেরিকার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে বাংলাদেশের পণ্যের উপর আরোপিত শুল্কের পরিমাণ কমিয়ে ১৯ শতাংশ করে আমেরিকা। অন্য দিকে, আমেরিকা থেকে ৩৫০ কোটি ডলারের কৃষিপণ্য, ১৫ বছরে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের জ্বালানি পণ্য, ১৪টি বোয়িং বিমান এবং সামরিক সরঞ্জাম কেনার অঙ্গীকার করে বাংলাদেশ। তার পরেই গত ৩০ এপ্রিল বাংলাদেশের বিমানসংস্থা বিমান বাংলাদেশ বোয়িংএর কাছ থেকে ১৪টি বিমান কেনার চুক্তিতে সই করে। আরও ১১টি বিমান কেনার বিষয়ে দুপক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে।

এতদিন বাংলাদেশ যে পরিমাণ পণ্য আমেরিকায় রফতানি করত, সেই তুলনায় অনেক কম পণ্য ট্রাম্পের দেশ থেকে ঢাকায় আসত। বাংলাদেশের সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৬২৬ কোটি ডলার (টাকার হিসাব বাংলাদেশের মুদ্রায়) তবে বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষরের পর আমেরিকা বাংলাদেশে রফতানির পরিমাণ বাড়িয়েছে। ২০২৫২৬ অর্থবর্ষে আমেরিকায় ৯১১ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি করেছে বাংলাদেশ। ট্রাম্পের দেশ থেকে আমদানি করেছে ৩৫৬ কোটি ডলারের পণ্য। আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যিক লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধির কারণ হিসেবে আরও একটি বিষয়কে দায়ী করছে ঢাকা। সে দেশের বণিকমহলের একাংশের বক্তব্য, ভারতবাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কিছু বদল এসেছে। দুই দেশের সম্পর্কের প্রভাব পড়েছে বাণিজ্যেও। দীর্ঘদিন ধরে ভারত থেকে তুলো, সুতো, খাদ্যপণ্য, শিল্পের কাঁচামালসহ বহু পণ্য আমদানি করে বাংলাদেশ। প্রতিবেশী দেশ হওয়ায় সেখান থেকে পণ্য আনতে সময় ও পরিবহণ খরচও তুলনামূলক কম। তার পরেও গত ২০২৪২৫ অর্থবর্ষে দুই দেশের আমদানি ও রফতানি দুটিই কমেছে।

২০২৫ সালের মার্চে বাংলাদেশ সরকার ভারত থেকে স্থলবন্দর দিয়ে সুতো আমদানি বন্ধের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়। তার পর ৮ এপ্রিল কলকাতা বিমানবন্দর ব্যবহার করে বাংলাদেশের পণ্য তৃতীয় দেশে রফতানির সুবিধা প্রত্যাহার করে ভারত। ভারতও তিন দফায় বাংলাদেশের পণ্য আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করে। ১৭ মে এবং ২৭ জুন পোশাক, খাদ্যপণ্য, পাটজাত পণ্য, তুলো ও সুতো, প্লাস্টিকের পণ্য এবং কাঠের আসবাব ভারতে রফতানির ক্ষেত্রে বিভিন্ন শর্ত দেওয়া হয়। পরে ১১ অগস্ট আরও কিছু পাটজাত পণ্য রফতানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করে নয়াদিল্লি। পারস্পরিক এই সমস্ত পদক্ষেপে দুই দেশের বাণিজ্যই বাধাপ্রাপ্ত হয়। ভারতে বাংলাদেশের তৈরি রেডিমেড পোশাক আমদানির পরিমাণ কমে। একই সঙ্গে ভারত থেকে বাংলাদেশে তুলো এবং সুতো রফতানিও হ্রাস পায়। ২০২৪২৫ অর্থবছরে ভারতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ছিল প্রায় ৬৫ কোটি ডলার। স্থলবন্দর দিয়ে রফতানিতে বিধিনিষেধের মধ্যে গত অর্থবর্ষে তা ১২ শতাংশ কমে ৫৭ কোটি ডলারে নেমেছে। একই সময়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে তুলো আমদানি ৫২ কোটি থেকে ২৩ শতাংশ কমে ৪০ কোটি এবং তুলার সুতো ১৭৫ কোটি থেকে কমে ১৪৭ কোটি ডলার হয়েছে। এই দুই কাঁচামালের আমদানি কমেছে ৪০ কোটি ডলার।