ঢাকা , রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঘরজামাই দত্তক নিচ্ছে জাপানের ধনী পরিবারগুলো, আবেদন করতে পারবে বাংলাদেশিরাও ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত করার আহ্বান স্পিকারের যুবদল নেতা নয়নের ‘দাড়িওয়ালাদের আস্তানা’ স্লোগানের প্রতিবাদ জামায়াতের পাকিস্তানের ‘স্বৈরাচারীদের’ রুখে দেওয়ার আহ্বান ইমরান খানের ছেলের বাবার কষ্টের দিন শেষ করার স্বপ্ন, নিয়োগের আগেই থামল সোহানের পথ কেউ চাঁদা চাইলে থানায় সোপর্দ করবেন: ধর্মমন্ত্রী এবার মোহাম্মদপুরে জমি দখলের চেষ্টা, অফিসে হামলা-ভাঙচুর নিরাপত্তা জোরদারে সামরিক সরঞ্জাম নিরাপদ স্থানে সরাল ইরান একতরফা সামরিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে চীন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের জোরালো আহ্বান বর্তমান সরকার যুবকদের লুটতরাজের জন্য দলীয় ক্যাডার বানাচ্ছে: সাবেক শিবির সভাপতি

এবার উপদেষ্টা আসিফের মুখে স্লোগান ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২৬:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • ৪৯৫ বার পড়া হয়েছে

গত বছরের ১৪ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকার’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার সেই বক্তব্যের প্রতিবাদে সেদিন রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে স্লোগানে মুখর করেন পুরো এলাকা—‘তুমি কে, আমি কে – রাজাকার রাজাকার’, ‘চাইতে এলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার’, ‘কে বলেছে কে বলেছে – স্বৈরাচার স্বৈরাচার’।

গতকাল সোমবার (১৪ জুলাই) দিনটিকে স্মরণ করে আবারও ‘জুলাই কন্যা দিবস’ আয়োজন করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এই আয়োজনের অংশ হিসেবে রাজপথে নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতশত শিক্ষার্থী। এবার তাদের স্লোগানের কণ্ঠে যোগ দেন অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। অনুষ্ঠানস্থলে মঞ্চে উঠে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে উচ্চারণ করেন—‘তুমি কে, আমি কে – রাজাকার রাজাকার’, ‘কে বলেছে, কে বলেছে – স্বৈরাচার, স্বৈরাচার’, ‘কথায় কথায় বাংলা ছাড়, বাংলা কী তোর বাপ-দাদার?’ এবং ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’।

এর আগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পশ্চিম আকাশজুড়ে রংবেরঙের আলোতে আলোকিত হয়ে ভেসে ওঠে ২ হাজার ড্রোন। ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে থেকে আসা উল্লাসিত ছাত্র-জনতা নিঃশব্দে তাকিয়ে থাকেন আকাশের দিকে। মুহূর্তেই সকলে মোবাইল ক্যামেরা অন করে ধারণ করতে থাকেন সেই দৃশ্য। ড্রোন প্রদর্শনীতে আলোকচিত্র ও কারুকার্যের মধ্য দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয় স্বৈরাচারী সরকার শেখ হাসিনার সময়ের নানা অনিয়ম, নির্যাতন ও নৈরাজ্যের চিত্র। তুলে ধরা হয়—খুন, গুম, ধর্ষণ, লুটতরাজের দুঃসহ অধ্যায়। উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো আকাশে ভেসে ওঠে ১৪ জুলাইয়ের চেতনার প্রতিচ্ছবি।

পর্যায়ক্রমে প্রদর্শিত হয় বিডিয়ার ম্যাসাকার, গুম হওয়া ইলিয়াস আলী, আরমান, মাইকেল ও সুমনের প্রতিকৃতি। তুলে ধরা হয় শাপলা হত্যাকাণ্ড, আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড, সরকারের মদদে লুটপাটে জড়িত ব্যক্তিদের ছবি, ‘লাইলাতুল ইলেকশন’, ‘পোস্ট ডিলিট করো’, ‘তাহলে কি রাজাকারের নাতিপুতিরা পাবে?’—এমন নানা বার্তা। ‘তুমি কে, আমি কে – জন্মভূমি অথবা মৃত্যু’, ‘শোনো মহাজন, আমরা অনেকজন’—এসব স্লোগান ভেসে ওঠে আকাশজুড়ে। প্রায় ১০ মিনিটব্যাপী চলা এই প্রদর্শনী শেষ হয় পশ্চিম আকাশে ড্রোনগুলোর ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘরজামাই দত্তক নিচ্ছে জাপানের ধনী পরিবারগুলো, আবেদন করতে পারবে বাংলাদেশিরাও

এবার উপদেষ্টা আসিফের মুখে স্লোগান ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার’

আপডেট সময় ১০:২৬:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

গত বছরের ১৪ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকার’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার সেই বক্তব্যের প্রতিবাদে সেদিন রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে স্লোগানে মুখর করেন পুরো এলাকা—‘তুমি কে, আমি কে – রাজাকার রাজাকার’, ‘চাইতে এলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার’, ‘কে বলেছে কে বলেছে – স্বৈরাচার স্বৈরাচার’।

গতকাল সোমবার (১৪ জুলাই) দিনটিকে স্মরণ করে আবারও ‘জুলাই কন্যা দিবস’ আয়োজন করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এই আয়োজনের অংশ হিসেবে রাজপথে নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতশত শিক্ষার্থী। এবার তাদের স্লোগানের কণ্ঠে যোগ দেন অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। অনুষ্ঠানস্থলে মঞ্চে উঠে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে উচ্চারণ করেন—‘তুমি কে, আমি কে – রাজাকার রাজাকার’, ‘কে বলেছে, কে বলেছে – স্বৈরাচার, স্বৈরাচার’, ‘কথায় কথায় বাংলা ছাড়, বাংলা কী তোর বাপ-দাদার?’ এবং ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’।

এর আগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পশ্চিম আকাশজুড়ে রংবেরঙের আলোতে আলোকিত হয়ে ভেসে ওঠে ২ হাজার ড্রোন। ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে থেকে আসা উল্লাসিত ছাত্র-জনতা নিঃশব্দে তাকিয়ে থাকেন আকাশের দিকে। মুহূর্তেই সকলে মোবাইল ক্যামেরা অন করে ধারণ করতে থাকেন সেই দৃশ্য। ড্রোন প্রদর্শনীতে আলোকচিত্র ও কারুকার্যের মধ্য দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয় স্বৈরাচারী সরকার শেখ হাসিনার সময়ের নানা অনিয়ম, নির্যাতন ও নৈরাজ্যের চিত্র। তুলে ধরা হয়—খুন, গুম, ধর্ষণ, লুটতরাজের দুঃসহ অধ্যায়। উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো আকাশে ভেসে ওঠে ১৪ জুলাইয়ের চেতনার প্রতিচ্ছবি।

পর্যায়ক্রমে প্রদর্শিত হয় বিডিয়ার ম্যাসাকার, গুম হওয়া ইলিয়াস আলী, আরমান, মাইকেল ও সুমনের প্রতিকৃতি। তুলে ধরা হয় শাপলা হত্যাকাণ্ড, আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড, সরকারের মদদে লুটপাটে জড়িত ব্যক্তিদের ছবি, ‘লাইলাতুল ইলেকশন’, ‘পোস্ট ডিলিট করো’, ‘তাহলে কি রাজাকারের নাতিপুতিরা পাবে?’—এমন নানা বার্তা। ‘তুমি কে, আমি কে – জন্মভূমি অথবা মৃত্যু’, ‘শোনো মহাজন, আমরা অনেকজন’—এসব স্লোগান ভেসে ওঠে আকাশজুড়ে। প্রায় ১০ মিনিটব্যাপী চলা এই প্রদর্শনী শেষ হয় পশ্চিম আকাশে ড্রোনগুলোর ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে।