ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আ.লীগের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি মোকাবিলাই বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী এনসিপির সমাবেশে বিস্ফোরণ,  যুবলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ২ মারা গেলেন আফগানিস্তানের সাবেক পেসার শাপুর জাদরান স্বাস্থ্যসেবা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, এটি মৌলিক অধিকার: জুবাইদা রহমান ঘুষ নেওয়ার দায়ে চীনের সাবেক সরকারি কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড বিচারে নিষিদ্ধ না হলে কর্মকাণ্ড চালাতে পারবে আওয়ামী লীগ : তথ্য উপদেষ্টা ভারতের বিরুদ্ধে সব ফ্রন্টে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের স্থানীয় সরকার নির্বাচন অক্টোবরে শুরু: তথ্য উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী খামেনির শেষ শ্রদ্ধা অনুষ্ঠানে খাবার বিতরণ ও স্বেচ্ছাসেবী ভূমিকায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ইসরায়েলি অবরোধ ভাঙতে গাজা অভিমুখে রওনা দিয়েছে তিউনিসিয়ার প্রথম জাহাজ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৪১:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩০৬ বার পড়া হয়েছে

এবার গাজার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে তিউনিসিয়ার প্রথম ত্রাণবাহী জাহাজ। দেশটির রাজধানী তিউনিসের উত্তরের লা গুলেট বন্দর থেকে রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) এটি রওনা দেয়। গাজায় ইসরায়েলি অবরোধ ভাঙতে একত্রিত হওয়া ডজনখানেক আন্তর্জাতিক জাহাজের সঙ্গে এটি যোগ দেবে। খবর আনাদুলু এজেন্সি

এদিকে আয়োজকরা জানিয়েছেন, জাহাজটিতে পাঁচজন অধিকারকর্মী রয়েছেন। যার মধ্যে আছেন তিউনিসিয়ার চিত্রশিল্পী মোহম্মেদ আমিন হামজাউই। গ্লোবাল সমুদ ফ্লোটিলাতে যোগ দেওয়া তিউনেসিয়ার এটিই প্রথম জাহাজ। এই বহরে ২২টি বিদেশি জাহাজের সঙ্গে উত্তর আফ্রিকার থেকে আরও ২৩ জাহাজ যোগ দিয়েছে।

গতকাল তিউনিসিয়ার বিজার্তে বন্দর থেকে স্পেনের তিন জাহাজ রওনা দেয়। এগুলোও ফ্লোটিলার সঙ্গে যুক্ত হবে। আয়োজনকারী সংস্থা জানিয়েছে, ৪৭টি দেশের অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে প্রায় ৫০টি জাহাজ বর্তমানে তিউনিসিয়া বন্দরে জড়ো হয়েছে। এই নৌবহরে ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তান, ভারত এবং মালয়েশিয়ার সংসদ সদস্য, শিল্পী এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা রয়েছেন।

গত মাসে এ উদ্যোগটি শুরু করতে স্পেনের বার্সেলোনা এবং ইতালির জেনোয়া থেকে জাহাজগুলো রওনা দেয়। গত সপ্তাহে ইউরোপীয় নৌযানগুলো তাদের মাঘরেব সঙ্গীদের সঙ্গে যোগ দিতে তিউনিসিয়ার জলসীমায় এসে পৌঁছায়। এরপর গাজার উদ্দেশে যাত্রা অব্যাহত রাখে। আয়োজকরা এই যাত্রাকে অভূতপূর্ব বলে বর্ণনা করেছেন। তারা আরও উল্লেখ করে, এর আগে এককভাবে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু এতে হামলা চালায় ইসরায়েল বাহিনী। ফলে তা পণ্ড হয়ে যায়।

এই সংগঠনটির উদ্দেশ্য হলো গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি অবরোধ তুলে নিতে চেষ্টা চালানো এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রম বৃদ্ধি করা। কয়েক মাস ধরে গাজার সব সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল। এতে সেখানে পর্যাপ্ত খাদ্যের অভাবে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজায় প্রায় ৬৫ হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এই অবিরাম বোমাবর্ষণের ফলে গাজা উপত্যকাটি বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে এবং দুর্ভিক্ষ ও রোগের ভয়াবহ বিস্তার ঘটেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আ.লীগের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি মোকাবিলাই বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী

ইসরায়েলি অবরোধ ভাঙতে গাজা অভিমুখে রওনা দিয়েছে তিউনিসিয়ার প্রথম জাহাজ

আপডেট সময় ০২:৪১:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এবার গাজার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে তিউনিসিয়ার প্রথম ত্রাণবাহী জাহাজ। দেশটির রাজধানী তিউনিসের উত্তরের লা গুলেট বন্দর থেকে রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) এটি রওনা দেয়। গাজায় ইসরায়েলি অবরোধ ভাঙতে একত্রিত হওয়া ডজনখানেক আন্তর্জাতিক জাহাজের সঙ্গে এটি যোগ দেবে। খবর আনাদুলু এজেন্সি

এদিকে আয়োজকরা জানিয়েছেন, জাহাজটিতে পাঁচজন অধিকারকর্মী রয়েছেন। যার মধ্যে আছেন তিউনিসিয়ার চিত্রশিল্পী মোহম্মেদ আমিন হামজাউই। গ্লোবাল সমুদ ফ্লোটিলাতে যোগ দেওয়া তিউনেসিয়ার এটিই প্রথম জাহাজ। এই বহরে ২২টি বিদেশি জাহাজের সঙ্গে উত্তর আফ্রিকার থেকে আরও ২৩ জাহাজ যোগ দিয়েছে।

গতকাল তিউনিসিয়ার বিজার্তে বন্দর থেকে স্পেনের তিন জাহাজ রওনা দেয়। এগুলোও ফ্লোটিলার সঙ্গে যুক্ত হবে। আয়োজনকারী সংস্থা জানিয়েছে, ৪৭টি দেশের অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে প্রায় ৫০টি জাহাজ বর্তমানে তিউনিসিয়া বন্দরে জড়ো হয়েছে। এই নৌবহরে ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তান, ভারত এবং মালয়েশিয়ার সংসদ সদস্য, শিল্পী এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা রয়েছেন।

গত মাসে এ উদ্যোগটি শুরু করতে স্পেনের বার্সেলোনা এবং ইতালির জেনোয়া থেকে জাহাজগুলো রওনা দেয়। গত সপ্তাহে ইউরোপীয় নৌযানগুলো তাদের মাঘরেব সঙ্গীদের সঙ্গে যোগ দিতে তিউনিসিয়ার জলসীমায় এসে পৌঁছায়। এরপর গাজার উদ্দেশে যাত্রা অব্যাহত রাখে। আয়োজকরা এই যাত্রাকে অভূতপূর্ব বলে বর্ণনা করেছেন। তারা আরও উল্লেখ করে, এর আগে এককভাবে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু এতে হামলা চালায় ইসরায়েল বাহিনী। ফলে তা পণ্ড হয়ে যায়।

এই সংগঠনটির উদ্দেশ্য হলো গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি অবরোধ তুলে নিতে চেষ্টা চালানো এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রম বৃদ্ধি করা। কয়েক মাস ধরে গাজার সব সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল। এতে সেখানে পর্যাপ্ত খাদ্যের অভাবে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজায় প্রায় ৬৫ হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এই অবিরাম বোমাবর্ষণের ফলে গাজা উপত্যকাটি বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে এবং দুর্ভিক্ষ ও রোগের ভয়াবহ বিস্তার ঘটেছে।