ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষতির চিত্র ঢাকা-রংপুর লংমার্চ সফলে রাজধানীতে জামায়াতের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ হাদি হত্যা নিয়ে মমতার বিতর্কিত মন্তব্য, জনস্বার্থ মামলা খারিজ হাইকোর্টে পটুয়াখালীর চাঞ্চল্যে: একই ঘরে দুই তরুণী, ‘বাসর’ সাজিয়ে রাতযাপন ইরান সংঘাতে জ্বালানি সংকটে বিশ্ব; আকাশচুম্বী তেলের দামে দেশে দেশে ছড়িয়ে পড়ছে বিক্ষোভ ডাকসুর অনার বোর্ডে ২০১৯ সালের জিএস হিসেবে রাশেদ খাঁনের নাম মাদক উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় ভারত, তবুও যে কারণে মোদির প্রশংসায় ট্রাম্প! সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেও কেন এআই উন্নয়ন নিয়ে এতো মরিয়া ট্রাম্প? গাজায় যুদ্ধবিধ্বস্ত ভবন ধসে ৮ শিশুসহ অন্তত ২১ জন নিহত জুলাই আন্দোলনে বিএনপি কর্মী হত্যা: শেখ হাসিনা-জয়সহ ১২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

উপদেষ্টা আসিফকে নগর ভবনে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৩১:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫
  • ৮৬২ বার পড়া হয়েছে

এবার হাইকোর্টের রায় ও প্রজ্ঞাপনের পরও ডিএসসিসির মেয়রের দায়িত্ব ইশরাক হোসেনকে বুঝিয়ে না দেওয়ার প্রতিবাদে আজ তিনদিন ধরে নগর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন ঢাকা দক্ষিণের বাসিন্দারা। এরই ফলশ্রুতিতে শনিবার (১৭ মে) সকাল ১০টায় নগর ভবনের সামনে হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ মানুষ জড়ো হয়ে প্রতিবাদ জানান। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগর ভবন থেকে সচিবালয় এবং প্রেস ক্লাব হয়ে পূণরায় নগর ভবনে সামনে এসে শেষ হয়।

পরে নগর ভবনের সামনে এক সমাবেশে বিক্ষুব্ধ ঢাকাবাসীর পক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করেন সাবেক সিনিয়র সচিব মশিউর রহমান। তিনি জানান, আগামীকালও (১৮ মে) বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবেন ঢাকাবাসী। এছাড়াও, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও তার সচিব রেজাউল মাকছুদ জাহেদীকে নগর ভবনে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি তাদের যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে প্রতিহত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ২য় দিনের অবস্থান কর্মসূচি থেকে সচিবালয় অভিমুখের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে বিক্ষোভ মিছিল রওনা হওয়ার আগে নগর ভবনের সামনে এসে জড়ো হতে থাকে হাজার হাজার নগরবাসী। সচিবালয় অভিমুখে নগরবাসীর এই কর্মসূচি উপলক্ষে সকাল থেকে পুলিশও সতর্কাবস্থায় রয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ২য় দিনের মতো একই দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন নগরের বাসিন্দারা। সেদিন নগরভনের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান কর্মসূচি চলে। সেই কর্মসূচিতে নগরবাসীর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণা করে গত ২৭ এপ্রিল গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নগরভবনের সামনে অবস্থানকারী বিক্ষোভকারীরা বলেছেন, এখন পর্যন্ত ইশরাকের শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই তারা ইশরাককে মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিতে গতকাল বিক্ষোভ করেছেন।

শান্তিপূর্ণ এই অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নগরের বাসিন্দারা বলছেন, আদালতের রায় ও নির্বাচন কমিশনের গেজেট অনুযায়ী ইশরাক হোসেন বৈধ মেয়র। এরপরও কেন তাকে এখনো শপথ করানো হয়নি, তার ব্যাখ্যা চাচ্ছেন তারা। তাদের দাবি, একটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, মশামুক্ত এবং দুর্নীতিমুক্ত ঢাকা গড়তে ইশরাকের মতো জনবান্ধব মেয়র প্রয়োজন। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যতদিন ইশরাক হোসেনকে শপথ করানো না হবে, ততদিন তারা নগর ভবনের সামনে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি দেবেন।

এদিকে, ঢাকাবাসীর এই অবস্থান কর্মসুচিতে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সাধারণ কর্মচারীরাও। সকাল থেকেই তারা সব কার্যক্রম বন্ধ করে তারাও অবস্থান নেন সেই অবস্থান কর্মসূচিতে। সব গেট বন্ধ করে দেয় তারা। প্রত্যেক গেটেই তালা ঝুলিয়ে দিয়ে নগর ভবনের নীচ তলায় স্টেজ করে অবস্থান কর্মসূচি চালাতে থাকেন তারা। সেই কর্মসূচিতে ঢাকার বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক এবং সচেতন নাগরিক সমাজের নেতাকর্মীরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষতির চিত্র

উপদেষ্টা আসিফকে নগর ভবনে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

আপডেট সময় ০৩:৩১:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫

এবার হাইকোর্টের রায় ও প্রজ্ঞাপনের পরও ডিএসসিসির মেয়রের দায়িত্ব ইশরাক হোসেনকে বুঝিয়ে না দেওয়ার প্রতিবাদে আজ তিনদিন ধরে নগর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন ঢাকা দক্ষিণের বাসিন্দারা। এরই ফলশ্রুতিতে শনিবার (১৭ মে) সকাল ১০টায় নগর ভবনের সামনে হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ মানুষ জড়ো হয়ে প্রতিবাদ জানান। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগর ভবন থেকে সচিবালয় এবং প্রেস ক্লাব হয়ে পূণরায় নগর ভবনে সামনে এসে শেষ হয়।

পরে নগর ভবনের সামনে এক সমাবেশে বিক্ষুব্ধ ঢাকাবাসীর পক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করেন সাবেক সিনিয়র সচিব মশিউর রহমান। তিনি জানান, আগামীকালও (১৮ মে) বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবেন ঢাকাবাসী। এছাড়াও, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও তার সচিব রেজাউল মাকছুদ জাহেদীকে নগর ভবনে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি তাদের যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে প্রতিহত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ২য় দিনের অবস্থান কর্মসূচি থেকে সচিবালয় অভিমুখের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে বিক্ষোভ মিছিল রওনা হওয়ার আগে নগর ভবনের সামনে এসে জড়ো হতে থাকে হাজার হাজার নগরবাসী। সচিবালয় অভিমুখে নগরবাসীর এই কর্মসূচি উপলক্ষে সকাল থেকে পুলিশও সতর্কাবস্থায় রয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ২য় দিনের মতো একই দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন নগরের বাসিন্দারা। সেদিন নগরভনের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান কর্মসূচি চলে। সেই কর্মসূচিতে নগরবাসীর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণা করে গত ২৭ এপ্রিল গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নগরভবনের সামনে অবস্থানকারী বিক্ষোভকারীরা বলেছেন, এখন পর্যন্ত ইশরাকের শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই তারা ইশরাককে মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিতে গতকাল বিক্ষোভ করেছেন।

শান্তিপূর্ণ এই অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নগরের বাসিন্দারা বলছেন, আদালতের রায় ও নির্বাচন কমিশনের গেজেট অনুযায়ী ইশরাক হোসেন বৈধ মেয়র। এরপরও কেন তাকে এখনো শপথ করানো হয়নি, তার ব্যাখ্যা চাচ্ছেন তারা। তাদের দাবি, একটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, মশামুক্ত এবং দুর্নীতিমুক্ত ঢাকা গড়তে ইশরাকের মতো জনবান্ধব মেয়র প্রয়োজন। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যতদিন ইশরাক হোসেনকে শপথ করানো না হবে, ততদিন তারা নগর ভবনের সামনে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি দেবেন।

এদিকে, ঢাকাবাসীর এই অবস্থান কর্মসুচিতে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সাধারণ কর্মচারীরাও। সকাল থেকেই তারা সব কার্যক্রম বন্ধ করে তারাও অবস্থান নেন সেই অবস্থান কর্মসূচিতে। সব গেট বন্ধ করে দেয় তারা। প্রত্যেক গেটেই তালা ঝুলিয়ে দিয়ে নগর ভবনের নীচ তলায় স্টেজ করে অবস্থান কর্মসূচি চালাতে থাকেন তারা। সেই কর্মসূচিতে ঢাকার বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক এবং সচেতন নাগরিক সমাজের নেতাকর্মীরা।