ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
স্ত্রীসহ বিদেশে পালানোর চেষ্টায় শেখ পরশ, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ‘বলেছিল এক কোটি চাকরি দেবে, কিন্তু ছয় মাসে চাকরি হারিয়েছেন ৬২ হাজার মানুষ’ বিরোধীদের তীব্র আপত্তির মুখে ‘শাহবাগ স্কয়ার-পল্টন’ বক্তব্য প্রত্যাহার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সামলাতে বিরোধী দলের ৯০ এমপি কান্নাকাটি করছেন ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ফিরেছে, না কি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যর্থ: জানতে চান হাসনাত বাংলাদেশে ঢুকবে নেপালের পাহাড়ি ঢল, দেওয়া হলো পানির গতিপথ দিনাজপুরে শ্রমিকনেতা গ্রেপ্তার: পুলিশ-বিএনপি কর্মীদের সঙ্গে সমর্থকদের সংঘর্ষ স্ত্রীর আত্মহত্যা মামলায় হাজিরা শেষে নাট্যাভিনেতা আলভী বললেন, ‘আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী’ এবার ভয়াবহ দুর্যোগের ঝুঁকিতে ভারত, দুই রাজ্যে উচ্চ সতর্কতা মক্কা চুক্তি বিশ্ব মুসলিম পরিবারের আত্মরক্ষার বিষয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিনিয়োগের টাকা পেলে কোনও তরুণ চাকরির সন্ধানে যাবে না: প্রধান উপদেষ্টা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৩৯:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫
  • ১৭২৬ বার পড়া হয়েছে

এবার যুব সমাজকে আত্মনির্ভর করে তুলতে বিনিয়োগভিত্তিক মডেলকে কার্যকরী পথ হিসেবে উল্লেখ করেছেন গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, “এই ইন্ডাস্ট্রি যদি ইনভেস্টমেন্টের টাকা পায়, তাহলে কোনও তরুণের চাকরির সন্ধানে যাবে না, যাবার কোনও দরকার নেই।”

শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) ভবন উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন ড. ইউনূস। তিনি বলেন, “এখন আমরা তরুণ, তাঁদের পরিবারের সদস্য, তাঁদের ছেলেমেয়ে যারা আছে, যারা চাকরির সন্ধানে বড় বড় হতে চাইছে,সবাই চাকরি করছে। কিন্তু চাকরি হওয়াটাই গন্তব্য নয়, বরং নিজের উদ্যোগই হতে পারে ভবিষ্যতের পথ।”

তার মতে, “সরকার হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হল প্রতিষ্ঠানগুলো সৃষ্টি করে দেওয়া। কাজেই ব্যাঙ্ক সৃষ্টি করার দায়িত্ব আমাদের, যাতে তরুণ-তরুণীরা, মহিলা-পুরুষ,ঘরের বাইরে যেখানেই থাকুক না কেন, তারা যেন ওই বিনিয়োগটা পায় এবং নিজের বুদ্ধিতে নিজের ব্যবসা করে ফেলতে পারে।”

ড. ইউনূস আরও বলেন, “এরকম হাজার হাজার তরুণ এখন সেই কাজ করছে এবং সম্প্রসারিত হচ্ছে। মাইক্রো ব্যাংকগুলো তাদের কাছে বিনিয়োগের টাকা পৌঁছে দিচ্ছে, আর তারা ধাপে ধাপে সে টাকা শোধ করে পুরোপুরি মালিকানা অর্জন করছে।”

তিনি বলেন, “আমার কাজ হলো তাকে উঠিয়ে দেওয়া। আমি তার ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতে চাই না, বরং চাই সে নিজের ভাগ্য নিজে গড়ে তুলুক।” উল্লেখ্য, প্রধান উপদেষ্টার এই বক্তব্যে উঠে আসে উদ্যোক্তা তৈরিতে সরকার ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত ভূমিকা, যা চাকরি নির্ভরতা কমিয়ে অর্থনীতিতে নতুন প্রাণ সঞ্চার করতে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রীসহ বিদেশে পালানোর চেষ্টায় শেখ পরশ, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

বিনিয়োগের টাকা পেলে কোনও তরুণ চাকরির সন্ধানে যাবে না: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০২:৩৯:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫

এবার যুব সমাজকে আত্মনির্ভর করে তুলতে বিনিয়োগভিত্তিক মডেলকে কার্যকরী পথ হিসেবে উল্লেখ করেছেন গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, “এই ইন্ডাস্ট্রি যদি ইনভেস্টমেন্টের টাকা পায়, তাহলে কোনও তরুণের চাকরির সন্ধানে যাবে না, যাবার কোনও দরকার নেই।”

শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) ভবন উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন ড. ইউনূস। তিনি বলেন, “এখন আমরা তরুণ, তাঁদের পরিবারের সদস্য, তাঁদের ছেলেমেয়ে যারা আছে, যারা চাকরির সন্ধানে বড় বড় হতে চাইছে,সবাই চাকরি করছে। কিন্তু চাকরি হওয়াটাই গন্তব্য নয়, বরং নিজের উদ্যোগই হতে পারে ভবিষ্যতের পথ।”

তার মতে, “সরকার হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হল প্রতিষ্ঠানগুলো সৃষ্টি করে দেওয়া। কাজেই ব্যাঙ্ক সৃষ্টি করার দায়িত্ব আমাদের, যাতে তরুণ-তরুণীরা, মহিলা-পুরুষ,ঘরের বাইরে যেখানেই থাকুক না কেন, তারা যেন ওই বিনিয়োগটা পায় এবং নিজের বুদ্ধিতে নিজের ব্যবসা করে ফেলতে পারে।”

ড. ইউনূস আরও বলেন, “এরকম হাজার হাজার তরুণ এখন সেই কাজ করছে এবং সম্প্রসারিত হচ্ছে। মাইক্রো ব্যাংকগুলো তাদের কাছে বিনিয়োগের টাকা পৌঁছে দিচ্ছে, আর তারা ধাপে ধাপে সে টাকা শোধ করে পুরোপুরি মালিকানা অর্জন করছে।”

তিনি বলেন, “আমার কাজ হলো তাকে উঠিয়ে দেওয়া। আমি তার ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতে চাই না, বরং চাই সে নিজের ভাগ্য নিজে গড়ে তুলুক।” উল্লেখ্য, প্রধান উপদেষ্টার এই বক্তব্যে উঠে আসে উদ্যোক্তা তৈরিতে সরকার ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত ভূমিকা, যা চাকরি নির্ভরতা কমিয়ে অর্থনীতিতে নতুন প্রাণ সঞ্চার করতে পারে।