ঢাকা , সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বপ্নে জীবিত দেখার দাবি: দাফনের ১৮ দিন পর তরুণীর কবর খুঁড়লেন স্বজনরা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৩৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • ৮৯৩ বার পড়া হয়েছে

ভোলা সদর উপজেলার ভেলুমিয়া ইউনিয়নের চর রমেশ গ্রামে দাফনের ১৮ দিন পর মরিয়ম (২০) নামের এক তরুণীর কবর খুঁড়েছেন তাঁর স্বজনরা। পরিবারের কয়েকজন সদস্য স্বপ্নে মরিয়মকে জীবিত দেখেছেন বলে দাবি করার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামের একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত মরিয়ম ঈদুল আজহার ছুটিতে বাড়িতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েন। গত ২৮ মে ভোরে তাঁর মৃত্যু হলে সেদিনই পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
দাফনের কিছুদিন পর এলাকায় গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, মরিয়মের কবর থেকে সুগন্ধি বের হচ্ছে। পরে তাঁর এক ভাই ও এক বোন স্বপ্নে মরিয়মকে জীবিত দেখেছেন বলে দাবি করেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রতিদিন শত শত মানুষ কবরটি দেখতে ভিড় জমাতে থাকেন।
পরিবার বিষয়টি স্থানীয় আলেম-ওলামাদের জানালে তাঁরা এ ধরনের দাবি অবাস্তব বলে উল্লেখ করে কবর না খোঁড়ার পরামর্শ দেন। তবে গত মঙ্গলবার বিকেলে প্রায় দুই শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে স্বজনরা কবর খুঁড়ে দেখেন। পরে কবরের ভেতরে মরদেহের স্বাভাবিক অবস্থা দেখতে পেয়ে তাঁদের বিভ্রান্তি ও সন্দেহ দূর হয় বলে জানান স্থানীয়রা।
স্থানীয় মসজিদের ইমাম আবুল কাশেম বলেন, ইসলামে দাফনের পর এভাবে কবর খোঁড়ার কোনো সুযোগ নেই। অন্যদিকে ভোলা সদর মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, আদালতের অনুমতি ছাড়া কবর খোঁড়া আইনসম্মত নয়। তবে কবর খোঁড়ার ঘটনাটি আগে থেকে পুলিশের জানা ছিল না।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বপ্নে জীবিত দেখার দাবি: দাফনের ১৮ দিন পর তরুণীর কবর খুঁড়লেন স্বজনরা

আপডেট সময় ০৮:৩৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

ভোলা সদর উপজেলার ভেলুমিয়া ইউনিয়নের চর রমেশ গ্রামে দাফনের ১৮ দিন পর মরিয়ম (২০) নামের এক তরুণীর কবর খুঁড়েছেন তাঁর স্বজনরা। পরিবারের কয়েকজন সদস্য স্বপ্নে মরিয়মকে জীবিত দেখেছেন বলে দাবি করার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামের একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত মরিয়ম ঈদুল আজহার ছুটিতে বাড়িতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েন। গত ২৮ মে ভোরে তাঁর মৃত্যু হলে সেদিনই পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
দাফনের কিছুদিন পর এলাকায় গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, মরিয়মের কবর থেকে সুগন্ধি বের হচ্ছে। পরে তাঁর এক ভাই ও এক বোন স্বপ্নে মরিয়মকে জীবিত দেখেছেন বলে দাবি করেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রতিদিন শত শত মানুষ কবরটি দেখতে ভিড় জমাতে থাকেন।
পরিবার বিষয়টি স্থানীয় আলেম-ওলামাদের জানালে তাঁরা এ ধরনের দাবি অবাস্তব বলে উল্লেখ করে কবর না খোঁড়ার পরামর্শ দেন। তবে গত মঙ্গলবার বিকেলে প্রায় দুই শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে স্বজনরা কবর খুঁড়ে দেখেন। পরে কবরের ভেতরে মরদেহের স্বাভাবিক অবস্থা দেখতে পেয়ে তাঁদের বিভ্রান্তি ও সন্দেহ দূর হয় বলে জানান স্থানীয়রা।
স্থানীয় মসজিদের ইমাম আবুল কাশেম বলেন, ইসলামে দাফনের পর এভাবে কবর খোঁড়ার কোনো সুযোগ নেই। অন্যদিকে ভোলা সদর মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, আদালতের অনুমতি ছাড়া কবর খোঁড়া আইনসম্মত নয়। তবে কবর খোঁড়ার ঘটনাটি আগে থেকে পুলিশের জানা ছিল না।