ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
তরুণীর কবর থেকে ছড়াচ্ছিল সুগন্ধি,স্বপ্নে দেখলেন জীবিত, অতঃপর কবর খুঁড়ে যা দেখলেন স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তির খসড়া ফাঁস করল সিএনএন ভারতীয় বিমানের জন্য আকাশসীমা বন্ধের মেয়াদ বাড়াল পাকিস্তান রাফিনিয়াকে ভুল পজিশনে খেলাচ্ছেন আনচেলত্তি, প্রশ্ন তুললেন রোনালদো দেশের প্রধান রুটে চালু হচ্ছে বৈদ্যুতিক ট্রেন- প্রধানমন্ত্রী নামাজের ইমামতি রেখে পালিয়ে যাওয়া বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা গ্রেফতার ইরান আচরণ না বদলালে আবার বোমা হামলা হবে : ট্রাম্প শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি ১৪ জুলাই নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ বলা স্লিপ অব টাং: জামায়াত এমপি

নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ বলা স্লিপ অব টাং: জামায়াত এমপি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:২১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের’ সন্তান বলে সংসদে দেওয়া বক্তব্যকে অনিচ্ছাকৃত ভুল বা ‘স্লিপ অপ টাং’ বলে জানিয়েছেন নীলফামারী-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম।

 

বুধবার (১৭ জুন) বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে তিনি বলেন, আমার কথা বলতে গিয়ে স্লিপ অব টাং হয়ে গেছে।

 

এর আগে রোববার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বক্তব্যে আব্দুল মুনতাকিম দাবি করেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার পরিবারের বড় অবদান ছিল এবং তার বাবা একজন ‘শহীদ’। তিনি বলেন, আমার বাবা এবং দাদা যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। আমার বাবারা সাত ভাই, এরমধ্যে চারজন মুক্তিযোদ্ধা। আমার দাদারা ১৯ জন, ১১ জনই মুক্তিযোদ্ধা। আমার পরিবারে ৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার মা-ও মুক্তিযুদ্ধের একজন অন্যতম সংগঠক ছিলেন।

 

বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই তার নির্বাচনি হলফনামা ও প্রকাশ্য তথ্য যাচাই করতে শুরু করেন। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা এবং বিভিন্ন উন্মুক্ত তথ্যসূত্র অনুযায়ী, আব্দুল মুনতাকিমের জন্মতারিখ ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি। তখন প্রশ্ন ওঠে ১৯৮১ সালে জন্ম নেওয়া এ সংসদ সদস্যের বাবা ‘যুদ্ধশহীদ’ হন কীভাবে।

 

বিষয়টি নিয়ে এশিয়া পোস্টের পক্ষে থেকে আব্দুল মুনতাকিমের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ব্যক্তিগত সহকারী আব্দুল মুয়ীদ কল রিসিভ করেন। তিনি বলেন, স্যার (আব্দুল মুনতাকিম) এখন সংসদ অধিবেশনে আছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরা অবগত। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

 

এ সময় আব্দুল মুয়ীদ বলেন, এটি ‘স্লিপ অব টাং’ বা মুখ ফসকে বলা কথা। উনার বাবা ও মা উভয়েই বর্তমানে জীবিত আছেন। সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি ‘বাবারা ও দাদারা শহীদ’ বলতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে শুধু ‘বাবা ও দাদা’ বলে ফেলেছিলেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণীর কবর থেকে ছড়াচ্ছিল সুগন্ধি,স্বপ্নে দেখলেন জীবিত, অতঃপর কবর খুঁড়ে যা দেখলেন

নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ বলা স্লিপ অব টাং: জামায়াত এমপি

আপডেট সময় ০৯:২১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের’ সন্তান বলে সংসদে দেওয়া বক্তব্যকে অনিচ্ছাকৃত ভুল বা ‘স্লিপ অপ টাং’ বলে জানিয়েছেন নীলফামারী-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম।

 

বুধবার (১৭ জুন) বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে তিনি বলেন, আমার কথা বলতে গিয়ে স্লিপ অব টাং হয়ে গেছে।

 

এর আগে রোববার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বক্তব্যে আব্দুল মুনতাকিম দাবি করেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার পরিবারের বড় অবদান ছিল এবং তার বাবা একজন ‘শহীদ’। তিনি বলেন, আমার বাবা এবং দাদা যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। আমার বাবারা সাত ভাই, এরমধ্যে চারজন মুক্তিযোদ্ধা। আমার দাদারা ১৯ জন, ১১ জনই মুক্তিযোদ্ধা। আমার পরিবারে ৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার মা-ও মুক্তিযুদ্ধের একজন অন্যতম সংগঠক ছিলেন।

 

বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই তার নির্বাচনি হলফনামা ও প্রকাশ্য তথ্য যাচাই করতে শুরু করেন। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা এবং বিভিন্ন উন্মুক্ত তথ্যসূত্র অনুযায়ী, আব্দুল মুনতাকিমের জন্মতারিখ ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি। তখন প্রশ্ন ওঠে ১৯৮১ সালে জন্ম নেওয়া এ সংসদ সদস্যের বাবা ‘যুদ্ধশহীদ’ হন কীভাবে।

 

বিষয়টি নিয়ে এশিয়া পোস্টের পক্ষে থেকে আব্দুল মুনতাকিমের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ব্যক্তিগত সহকারী আব্দুল মুয়ীদ কল রিসিভ করেন। তিনি বলেন, স্যার (আব্দুল মুনতাকিম) এখন সংসদ অধিবেশনে আছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরা অবগত। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

 

এ সময় আব্দুল মুয়ীদ বলেন, এটি ‘স্লিপ অব টাং’ বা মুখ ফসকে বলা কথা। উনার বাবা ও মা উভয়েই বর্তমানে জীবিত আছেন। সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি ‘বাবারা ও দাদারা শহীদ’ বলতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে শুধু ‘বাবা ও দাদা’ বলে ফেলেছিলেন।