ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘জনপ্রিয়তার শীর্ষে’ থাকা কে এই খাইরুল দেওয়ান বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন দেশের বাজারে পাওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক শিশুর অনুরোধে ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ‘চুক্তিতে’ স্বাক্ষর করলেন স্কালোনি সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের এবার ইরানে স্থলসেনা নামানোর ছক যুক্তরাষ্ট্রের, ভয়ংকর পরিকল্পনা ফ্যামিলি কার্ড শুমারির নিয়োগ পরীক্ষায় ছাত্রদলের দুই নেতার হাতাহাতি ইরানে হামলায় যুক্তরাজ্যের কোনো ঘাঁটি ব্যবহৃত হলে তা হবে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’: আইআরজিসি কৃষক সেজে ফসলি মাঠ থেকে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে ধরল পুলিশ সাবেক রাষ্ট্রপতির ফৌজদারী অপরাধের বিচার সম্ভব, সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদে কোন বাধা নেই: শিশির মনির

নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ বলা স্লিপ অব টাং: জামায়াত এমপি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:২১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • ৫৫ বার পড়া হয়েছে

নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের’ সন্তান বলে সংসদে দেওয়া বক্তব্যকে অনিচ্ছাকৃত ভুল বা ‘স্লিপ অপ টাং’ বলে জানিয়েছেন নীলফামারী-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম।

 

বুধবার (১৭ জুন) বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে তিনি বলেন, আমার কথা বলতে গিয়ে স্লিপ অব টাং হয়ে গেছে।

 

এর আগে রোববার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বক্তব্যে আব্দুল মুনতাকিম দাবি করেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার পরিবারের বড় অবদান ছিল এবং তার বাবা একজন ‘শহীদ’। তিনি বলেন, আমার বাবা এবং দাদা যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। আমার বাবারা সাত ভাই, এরমধ্যে চারজন মুক্তিযোদ্ধা। আমার দাদারা ১৯ জন, ১১ জনই মুক্তিযোদ্ধা। আমার পরিবারে ৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার মা-ও মুক্তিযুদ্ধের একজন অন্যতম সংগঠক ছিলেন।

 

বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই তার নির্বাচনি হলফনামা ও প্রকাশ্য তথ্য যাচাই করতে শুরু করেন। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা এবং বিভিন্ন উন্মুক্ত তথ্যসূত্র অনুযায়ী, আব্দুল মুনতাকিমের জন্মতারিখ ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি। তখন প্রশ্ন ওঠে ১৯৮১ সালে জন্ম নেওয়া এ সংসদ সদস্যের বাবা ‘যুদ্ধশহীদ’ হন কীভাবে।

 

বিষয়টি নিয়ে এশিয়া পোস্টের পক্ষে থেকে আব্দুল মুনতাকিমের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ব্যক্তিগত সহকারী আব্দুল মুয়ীদ কল রিসিভ করেন। তিনি বলেন, স্যার (আব্দুল মুনতাকিম) এখন সংসদ অধিবেশনে আছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরা অবগত। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

 

এ সময় আব্দুল মুয়ীদ বলেন, এটি ‘স্লিপ অব টাং’ বা মুখ ফসকে বলা কথা। উনার বাবা ও মা উভয়েই বর্তমানে জীবিত আছেন। সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি ‘বাবারা ও দাদারা শহীদ’ বলতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে শুধু ‘বাবা ও দাদা’ বলে ফেলেছিলেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘জনপ্রিয়তার শীর্ষে’ থাকা কে এই খাইরুল দেওয়ান

নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ বলা স্লিপ অব টাং: জামায়াত এমপি

আপডেট সময় ০৯:২১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের’ সন্তান বলে সংসদে দেওয়া বক্তব্যকে অনিচ্ছাকৃত ভুল বা ‘স্লিপ অপ টাং’ বলে জানিয়েছেন নীলফামারী-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম।

 

বুধবার (১৭ জুন) বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে তিনি বলেন, আমার কথা বলতে গিয়ে স্লিপ অব টাং হয়ে গেছে।

 

এর আগে রোববার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বক্তব্যে আব্দুল মুনতাকিম দাবি করেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার পরিবারের বড় অবদান ছিল এবং তার বাবা একজন ‘শহীদ’। তিনি বলেন, আমার বাবা এবং দাদা যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। আমার বাবারা সাত ভাই, এরমধ্যে চারজন মুক্তিযোদ্ধা। আমার দাদারা ১৯ জন, ১১ জনই মুক্তিযোদ্ধা। আমার পরিবারে ৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার মা-ও মুক্তিযুদ্ধের একজন অন্যতম সংগঠক ছিলেন।

 

বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই তার নির্বাচনি হলফনামা ও প্রকাশ্য তথ্য যাচাই করতে শুরু করেন। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা এবং বিভিন্ন উন্মুক্ত তথ্যসূত্র অনুযায়ী, আব্দুল মুনতাকিমের জন্মতারিখ ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি। তখন প্রশ্ন ওঠে ১৯৮১ সালে জন্ম নেওয়া এ সংসদ সদস্যের বাবা ‘যুদ্ধশহীদ’ হন কীভাবে।

 

বিষয়টি নিয়ে এশিয়া পোস্টের পক্ষে থেকে আব্দুল মুনতাকিমের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ব্যক্তিগত সহকারী আব্দুল মুয়ীদ কল রিসিভ করেন। তিনি বলেন, স্যার (আব্দুল মুনতাকিম) এখন সংসদ অধিবেশনে আছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরা অবগত। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

 

এ সময় আব্দুল মুয়ীদ বলেন, এটি ‘স্লিপ অব টাং’ বা মুখ ফসকে বলা কথা। উনার বাবা ও মা উভয়েই বর্তমানে জীবিত আছেন। সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি ‘বাবারা ও দাদারা শহীদ’ বলতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে শুধু ‘বাবা ও দাদা’ বলে ফেলেছিলেন।