এবার ইরানের সামরিক নীতি প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে পরিবর্তন করে আক্রমণাত্মক করার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এদিকে, হরমুজ ইস্যুতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান আলোচনায় বাধা দিলে ওমানে বোমা হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা না করায় দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক মহড়া কমিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) জ্যেষ্ঠ কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াদোল্লাহ জাভানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে বলেছেন, ইরানের শত্রুদের এখন ‘কৌশলগত চমক’ বা ‘স্ট্র্যাটেজিক সারপ্রাইজের’ জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত। তিনি জানান, নতুন কমান্ডার–ইন–চিফ মেজর জেনারেল আহমেদ ওয়াহিদিকে সর্বোচ্চ মাত্রার প্রতিরোধ বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নীতির আওতায় শত্রুর যেকোনো হুমকি আগেভাগেই দমন করতে ইরানের প্রতিরক্ষা পদক্ষেপগুলো আরও আক্রমণাত্মক রূপ নেবে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে জানান, ইরানের পরমাণু নিষ্ক্রিয়করণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে দক্ষিণ কোরিয়ার অস্বীকৃতির কারণে পেন্টাগনকে দেশটির সঙ্গে সামরিক মহড়া কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়াগুলো অত্যন্ত ব্যয়বহুল। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে তাঁর ‘চমৎকার সম্পর্ক’ রয়েছে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে এসব সামরিক মহড়া উত্তর কোরিয়ার কাছে অপ্রয়োজনীয় ও শত্রুতাপূর্ণ বার্তা পাঠায়। অন্যদিকে, হরমুজ ইস্যুতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান আলোচনার প্রেক্ষাপটে ওমানকে ঘিরে সামরিক হুমকিও দিয়েছেন ট্রাম্প। আলোচনায় কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি হলে ওমানে বোমা হামলা চালানোর হুমকি দেওয়ার বিষয়টি নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা বাড়িয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















