শরীয়তপুরের গোসাইরহাট থানা হাজতে বিএনপির সাবেক নেতা ও সাজাপ্রাপ্ত আসামি লিটন হাওলাদারকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বেশ কয়েকটি ছবিতে দেখা যায়, তিনি হাজতে খাট-তোষকসহ ভিআইপি সুবিধা ভোগ করছেন এবং সিগারেট হাতে নিয়ে মোবাইলে কথা বলছেন। এ ঘটনায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদ আলমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
জানা যায়, এক বছর দুই মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামি লিটন হাওলাদারকে গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে গোসাইরহাট থানা পুলিশ আটক করে। পরদিন আদালতে পাঠানোর আগে তাকে হাজতে অন্যান্য আসামিদের থেকে আলাদাভাবে বিশেষ সুবিধা দিয়ে রাখা হয়। অভিযোগ রয়েছে, অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে তার জন্য ব্যারাক থেকে খাট ও বালিশ এনে দেওয়া হয় এবং মোবাইল ফোন ব্যবহারের সুযোগও করে দেওয়া হয়।
ওসি মাকসুদ আলম বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, লিটন হাওলাদার অসুস্থ দাবি করায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র সংলগ্ন কক্ষে রাখা হয়েছিল। মোবাইল ব্যবহার বা ভিআইপি বিছানার ব্যবস্থা কে করেছে তা তিনি জানেন না বলে দাবি করেন।
গোসাইরহাট সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তানভীর হোসেন জানান, অসুস্থ আসামিকে হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার নিয়ম রয়েছে, থানার ভেতরে এমন সুবিধা দেওয়ার সুযোগ নেই। হাজতে ভেতরে মোবাইল ব্যবহারের অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হবে এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট 



















