ঢাকা , সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আল-কায়েদা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা আমলে নিচ্ছে না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তিস্তা নিয়ে ভারতের বন্ধুত্ব নষ্ট করতে চাই না, দেখবো দেশের স্বার্থ: পানি সম্পদমন্ত্রী এবার ৫৮২ টনের ম্যাগনেট দিয়ে ‘কৃত্রিম সূর্য’ বানাচ্ছে চীন শিক্ষক না আসায় লাঠিসোটা নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের আন্দোলন আলু বিক্রি বাড়াতে দোকানে নর্তকীর নাচ, ভিডিও ভাইরাল থালাপাতির এক ঘোষণায় বদলে গেলো হিসাব, লাখ লাখ কৃষকের ঋণ মওকুফ! জঙ্গল পরিষ্কার করতে গিয়ে দেখা মিলল ৪০০ বছরের পুরোনো মসজিদ এসএসসির এত খাতা পুনর্মূল্যায়ন করা  প্রায় অসম্ভব, আমরা নীতিমালা করব: শিক্ষামন্ত্রী কুমিল্লা বিমানবন্দরে বিমান ওঠে না ৩২ বছর, তবুও মাসে কোটি টাকা আয় ইরানের প্রতিরোধের প্রশংসা করলেন আনোয়ার ইব্রাহিম

দুই ঘণ্টার মধ্যেই ‘ভারতের কান্না পৌঁছে গিয়েছিল ওয়াশিংটনে’: পাক-পরিকল্পনা মন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৫০:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মে ২০২৫
  • ৫৩৮ বার পড়া হয়েছে

এবার পাক-পরিকল্পনা মন্ত্রী আহসান ইকবাল বলেছেন, পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে এমন শক্ত প্রতিক্রিয়া দিয়েছে যে ‘মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই ভারতের কান্না গিয়ে পৌঁছায় ওয়াশিংটনে।’ নারোওয়ালে এক উদ্ধার সেবা উদ্বোধনের সময় তিনি বলেন, আমাদের নেতৃত্ব এখন আর ‘হামলা করবো কি না’—এই প্রশ্ন করে না। সিদ্ধান্ত নেওয়া ও জবাব দেওয়ার মতো সাহস এখন আমাদের হাতে আছে।

তিনি দাবি করেন, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব ও সামরিক সক্ষমতা এমন ছিল যে ভারতের মাল্টি-মিলিয়ন ডলারের যুদ্ধবিমানগুলো ‘জং ধরা ধাতব টুকরোতে’ রূপ নিয়েছে। আহসান ইকবালের ভাষায়, বর্তমান নেতৃত্ব ও সেনাবাহিনী মিলে প্রমাণ করেছে—যুদ্ধ সংখ্যা দিয়ে নয়, দক্ষতা দিয়ে জেতা হয়।

এদিকে পাকিস্তান সরকার ‘অপারেশন বুনিয়ান-উম-মারসুস’-এর সাফল্য তুলে ধরে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, কাশ্মীরের পেহেলগাম হামলাটি ছিল ভারতের সাজানো একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন’, যা পাকিস্তানকে দোষী প্রমাণের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত। ঘটনার ১০ মিনিটের মধ্যেই ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে। পাকিস্তান একটি নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক তদন্তের প্রস্তাব দিলেও ভারত তা প্রত্যাখ্যান করে।

পরে ভারত মুরিদকে, বাহাওয়ালপুর ও মুজাফ্‌ফরাবাদে বিমান হামলা চালায়, যেখানে বেসামরিক নাগরিক ও ধর্মীয় স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর জবাবে পাকিস্তান সীমিত ও লক্ষ্যভিত্তিক সামরিক প্রতিক্রিয়া দেয়, যা শুধু ভারতীয় সামরিক স্থাপনাগুলোতে ছিল।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, পাকিস্তান ভারতের যুদ্ধবিমান ধ্বংস, এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় ও ব্রাহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। ভারত ড্রোনের মাধ্যমে সীমান্তে আতঙ্ক ছড়িয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। পেহেলগাম পাকিস্তান সীমান্ত থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে হলেও ভারতীয় মিডিয়া দ্রুত পাকিস্তানকে দায়ী করে। কিন্তু অনেক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সেই দাবির অসঙ্গতি তুলে ধরে। প্রতিবেদনের শেষে পাকিস্তান জানায়, তারা শান্তির পক্ষে, তবে ভূখণ্ড ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আল-কায়েদা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা আমলে নিচ্ছে না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দুই ঘণ্টার মধ্যেই ‘ভারতের কান্না পৌঁছে গিয়েছিল ওয়াশিংটনে’: পাক-পরিকল্পনা মন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:৫০:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মে ২০২৫

এবার পাক-পরিকল্পনা মন্ত্রী আহসান ইকবাল বলেছেন, পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে এমন শক্ত প্রতিক্রিয়া দিয়েছে যে ‘মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই ভারতের কান্না গিয়ে পৌঁছায় ওয়াশিংটনে।’ নারোওয়ালে এক উদ্ধার সেবা উদ্বোধনের সময় তিনি বলেন, আমাদের নেতৃত্ব এখন আর ‘হামলা করবো কি না’—এই প্রশ্ন করে না। সিদ্ধান্ত নেওয়া ও জবাব দেওয়ার মতো সাহস এখন আমাদের হাতে আছে।

তিনি দাবি করেন, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব ও সামরিক সক্ষমতা এমন ছিল যে ভারতের মাল্টি-মিলিয়ন ডলারের যুদ্ধবিমানগুলো ‘জং ধরা ধাতব টুকরোতে’ রূপ নিয়েছে। আহসান ইকবালের ভাষায়, বর্তমান নেতৃত্ব ও সেনাবাহিনী মিলে প্রমাণ করেছে—যুদ্ধ সংখ্যা দিয়ে নয়, দক্ষতা দিয়ে জেতা হয়।

এদিকে পাকিস্তান সরকার ‘অপারেশন বুনিয়ান-উম-মারসুস’-এর সাফল্য তুলে ধরে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, কাশ্মীরের পেহেলগাম হামলাটি ছিল ভারতের সাজানো একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন’, যা পাকিস্তানকে দোষী প্রমাণের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত। ঘটনার ১০ মিনিটের মধ্যেই ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে। পাকিস্তান একটি নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক তদন্তের প্রস্তাব দিলেও ভারত তা প্রত্যাখ্যান করে।

পরে ভারত মুরিদকে, বাহাওয়ালপুর ও মুজাফ্‌ফরাবাদে বিমান হামলা চালায়, যেখানে বেসামরিক নাগরিক ও ধর্মীয় স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর জবাবে পাকিস্তান সীমিত ও লক্ষ্যভিত্তিক সামরিক প্রতিক্রিয়া দেয়, যা শুধু ভারতীয় সামরিক স্থাপনাগুলোতে ছিল।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, পাকিস্তান ভারতের যুদ্ধবিমান ধ্বংস, এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় ও ব্রাহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। ভারত ড্রোনের মাধ্যমে সীমান্তে আতঙ্ক ছড়িয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। পেহেলগাম পাকিস্তান সীমান্ত থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে হলেও ভারতীয় মিডিয়া দ্রুত পাকিস্তানকে দায়ী করে। কিন্তু অনেক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সেই দাবির অসঙ্গতি তুলে ধরে। প্রতিবেদনের শেষে পাকিস্তান জানায়, তারা শান্তির পক্ষে, তবে ভূখণ্ড ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত।