এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস ফ্যাকাল্টি থেকে বিবিএ এবং এমবিএ পড়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার জবাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এমবিএর শেষ সেমিস্টারে তার সামনে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া কিংবা পড়াশোনায় ফিরে যাওয়ার সুযোগ ছিল; তিনি পরেরটি বেছে নেন। একই সঙ্গে সারোয়ার তুষারের শিক্ষাজীবন নিয়ে কটাক্ষ করে তাকে আবার অনার্স পড়ার ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছেন তিনি।
রাশেদ খাঁন দাবি করেছেন, এমবিএর শেষ সেমিস্টারে তার সামনে কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া কিংবা পড়াশোনায় ফিরে যাওয়ার সুযোগ ছিল। তখন তিনি পড়াশোনায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং পরবর্তীতে রাজনীতিতে মনোযোগ দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘SUST থেকে অনার্স পাশ করতে না পারা ড্রপ আউট সরোয়ার তুষার আমার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।’
নিজের শিক্ষাজীবনের বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস ফ্যাকাল্টি থেকে BBA পড়েছি। MBA ফাইনাল সেমিস্টারের সময় আমার হাতে অপশন ছিল কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বা পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়া। আমি দ্বিতীয়টা বেছে নিয়েছি এবং পরবর্তীতে রাজনীতিতেই মনোযোগ দিয়েছি।’ এরপর সরোয়ার তুষারের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন সফল হওয়ার পরও কেন তিনি চাকরির পরীক্ষা দেননি। তবে পোস্টে সরোয়ার তুষারের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে আরও কটাক্ষ করেন তিনি। এমনকি তাকে আবার অনার্স পড়ার ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রস্তাবও দেন।
তিনি বলেন, ‘তবে ড্রপ আউট সরোয়ার তুষার যদি আবারও অনার্স পড়তে চায়, আমি তার পড়াশোনার ব্যবস্থা করে দিবো। অন্তত লাগালাগির পেছনে সময় ব্যয় না করে পড়াশোনা করে মানুষ হোক।’ পোস্টের শেষাংশে সরোয়ার তুষারের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষ্য, ‘সারোয়ার তুষাররা মানুষ না হলে এনসিপিতে কোনো মা–বোন নিরাপদ নয়।’ তবে পোস্টে উত্থাপিত অভিযোগ ও মন্তব্যের বিষয়ে সারোয়ার তুষারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























