ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের পর ছেলেকে দিয়ে ক্লাস করানো সেই শিক্ষিকা বহিষ্কার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • ২৩৭ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষক হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে দাখিল পাশ ছেলেকে দিয়ে পাঠদান করানো ফাতেমা বেগম নামে সেই সহকারী শিক্ষিকাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। ফাতেমা চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার বদরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। সম্প্রতি বিষয়টি জানাজানি হয়। ১২ মে চাঁদপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মুহাম্মদ মোছাদ্দেক হোসেন সাক্ষরিত ৭৮৮/৭ নং স্মারকের এক অফিস আদেশে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

অসুস্থতার কারণে ছুটি না নিয়ে কর্মস্থলে এসে হাজিরা দিতেন ফাতেমা বেগম। নিজের স্থলে তার সদ্য দাখিল পাশ ছেলে মিরাজুন্নবী সিয়ামকে দিয়ে দীর্ঘদিন পাঠদান চালিয়ে আসছিলেন তিনি। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। দৈনিক যুগান্তরসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ খবর প্রচার হলে কতৃপক্ষ এ ব্যবস্থা নেয়।

এদিকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শিরিন সুলতানা বলেন, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছ।  জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মুহাম্মদ মোছাদ্দেক হোসেন বলেন, তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। যে কোনো ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে আমরা সোচ্চার। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের পর ছেলেকে দিয়ে ক্লাস করানো সেই শিক্ষিকা বহিষ্কার

আপডেট সময় ১০:৩৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

শিক্ষক হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে দাখিল পাশ ছেলেকে দিয়ে পাঠদান করানো ফাতেমা বেগম নামে সেই সহকারী শিক্ষিকাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। ফাতেমা চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার বদরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। সম্প্রতি বিষয়টি জানাজানি হয়। ১২ মে চাঁদপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মুহাম্মদ মোছাদ্দেক হোসেন সাক্ষরিত ৭৮৮/৭ নং স্মারকের এক অফিস আদেশে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

অসুস্থতার কারণে ছুটি না নিয়ে কর্মস্থলে এসে হাজিরা দিতেন ফাতেমা বেগম। নিজের স্থলে তার সদ্য দাখিল পাশ ছেলে মিরাজুন্নবী সিয়ামকে দিয়ে দীর্ঘদিন পাঠদান চালিয়ে আসছিলেন তিনি। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। দৈনিক যুগান্তরসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ খবর প্রচার হলে কতৃপক্ষ এ ব্যবস্থা নেয়।

এদিকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শিরিন সুলতানা বলেন, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছ।  জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মুহাম্মদ মোছাদ্দেক হোসেন বলেন, তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। যে কোনো ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে আমরা সোচ্চার। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।