বগুড়ার শেরপুরে নিজ কন্যাকে ধর্ষণের দায়ে আব্দুল খালেক নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বগুড়া শিশু দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মারুফ হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল খালেক শেরপুর উপজেলার বাগড়া বস্তি এলাকার বাসিন্দা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বগুড়া শিশু দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আলী আসগর।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর ভোরে খালেক তার নিজ মেয়েকে ধর্ষণ করেন। ওই সময় শিশুটির সৎ মা স্থানীয় একটি চাতালে ধান সেদ্ধ করতে গিয়েছিলেন। ঘটনার পর কাউকে জানালে মেয়েকে হত্যার হুমকি দেন তিনি।
এরপর শিশুটির আচরণে পরিবর্তন দেখা দেয়। একপর্যায়ে সে সৎ মাকে ঘটনাটি জানায়। তবে অভিযোগ বিশ্বাস না করে উল্টো শিশুটির ওপর নির্যাতন চালানো হয়।
পরে নির্যাতন থেকে বাঁচতে শিশুটি দুই সহপাঠীকে বিষয়টি জানায়। তাদের কাছ থেকে ঘটনা জানতে পেরে স্থানীয়রা থানায় অভিযোগ করেন। এরপর ২০২০ সালের ৩১ অক্টোবর শিশুটির মা ও আসামির দ্বিতীয় স্ত্রী শেরপুর থানায় মামলা করেন।
মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মৃত্যুদণ্ড ও দুই লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করেই আদালত এ রায় দিয়েছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 























