ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
স্মার্ট টেকনোলজি থেকে ৫০ লাখ নিয়ে কাজ দেয়ার অভিযোগ বিসিসি’র কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকার দুই মাসের মধ্যে জনগণকে রাজপথে আসতে বাধ্য করছে: এটিএম আজহার বর্তমানে বাংলাদেশে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ৭৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি: অর্থমন্ত্রী জনগণের স্বার্থ বিবেচনা করে ইরানের উচিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব গ্রহণ করা: জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানি জাহাজে চীনা মিসাইলের কেমিক্যাল, তবে কি ইরানকে টিকিয়ে রাখার নেপথ্যে বেইজিং? এক পরিবারে দুই এমপির নীতি না থাকায় আমিরের স্ত্রীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি: হামিদুর রহমান আযাদ দৃষ্টি নেই, তবুও স্বপ্ন অটুট শরীফের ইসরায়েলি সেনাবাহিনী পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্টতম সেনাবাহিনী: জাতিসংঘের বিশেষ দূত প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি, পরবর্তী পরীক্ষাগুলোও পর্যবেক্ষণ করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী যুদ্ধে নিজেদের সাফল্য তুলে না ধরায় মার্কিন গণমাধ্যমের ওপর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

ঢাকায় আসছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:১০:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫
  • ৩৬৩ বার পড়া হয়েছে

এবার ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি আগামী ৩০ আগস্ট সন্ধ্যায় ঢাকা সফরে আসছেন। এটি বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়কালে ইউরোপের কোনো শীর্ষ নেতার প্রথম সফর। সফরের পরদিন ৩১ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, এই বৈঠকে অভিবাসন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা—এই চারটি বিষয়ে গুরুত্ব পাবে। বৈঠকের পর একান্ত আলোচনা ও মধ্যাহ্নভোজ শেষে সেদিনই ঢাকা ছাড়তে পারেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে ১৯৯৮ সালের জানুয়ারিতে ঢাকায় এসেছিলেন ইতালির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রোমানো প্রোদি। সেটিই ছিল ইতালির কোনো প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বাংলাদেশ সফর। বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে চলতি বছরের মে মাসে ‘মাইগ্রেশন অ্যান্ড মোবিলিটি’ শীর্ষক একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। এর লক্ষ্য হলো অবৈধ অভিবাসন রোধ করে নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশের পক্ষে এ চুক্তিতে সই করেন প্রবাসীকল্যাণ উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল, এবং ইতালির পক্ষে সই করেন সে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাত্তেও পিয়ান্তেদোসি। চুক্তি অনুযায়ী, ইতালি ‘সিজনাল’ ও ‘নন-সিজনাল’—দুই ধরনের কর্মী নেবে। ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা সবসময় বৈধ উপায়ে শ্রমিক আসাকে উৎসাহিত করি। এই সমঝোতার মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্ব আরও বাড়বে।”

বর্তমানে বাংলাদেশ-ইতালি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলার। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি চামড়াজাত পণ্যও রপ্তানি করে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, ইতালির প্রযুক্তি ও বাংলাদেশের মানবসম্পদ মিলিয়ে বিনিয়োগ ও ব্যবসার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

স্মার্ট টেকনোলজি থেকে ৫০ লাখ নিয়ে কাজ দেয়ার অভিযোগ বিসিসি’র কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

ঢাকায় আসছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:১০:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫

এবার ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি আগামী ৩০ আগস্ট সন্ধ্যায় ঢাকা সফরে আসছেন। এটি বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়কালে ইউরোপের কোনো শীর্ষ নেতার প্রথম সফর। সফরের পরদিন ৩১ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, এই বৈঠকে অভিবাসন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা—এই চারটি বিষয়ে গুরুত্ব পাবে। বৈঠকের পর একান্ত আলোচনা ও মধ্যাহ্নভোজ শেষে সেদিনই ঢাকা ছাড়তে পারেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে ১৯৯৮ সালের জানুয়ারিতে ঢাকায় এসেছিলেন ইতালির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রোমানো প্রোদি। সেটিই ছিল ইতালির কোনো প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বাংলাদেশ সফর। বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে চলতি বছরের মে মাসে ‘মাইগ্রেশন অ্যান্ড মোবিলিটি’ শীর্ষক একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। এর লক্ষ্য হলো অবৈধ অভিবাসন রোধ করে নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশের পক্ষে এ চুক্তিতে সই করেন প্রবাসীকল্যাণ উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল, এবং ইতালির পক্ষে সই করেন সে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাত্তেও পিয়ান্তেদোসি। চুক্তি অনুযায়ী, ইতালি ‘সিজনাল’ ও ‘নন-সিজনাল’—দুই ধরনের কর্মী নেবে। ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা সবসময় বৈধ উপায়ে শ্রমিক আসাকে উৎসাহিত করি। এই সমঝোতার মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্ব আরও বাড়বে।”

বর্তমানে বাংলাদেশ-ইতালি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলার। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি চামড়াজাত পণ্যও রপ্তানি করে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, ইতালির প্রযুক্তি ও বাংলাদেশের মানবসম্পদ মিলিয়ে বিনিয়োগ ও ব্যবসার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে।