ঢাকা , শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যশোরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা পলাশসহ চারজনকে সেনাবাহিনীর অভিযানে আটক দিনের শুরুতে যে দোয়া পড়তেন নবিজি (সা.) ফিফা শান্তি পুরস্কার পাচ্ছেন ট্রাম্প যে আমলে দারিদ্র্য দূর হয় রাজনীতিতে ইসলাম মানে শুধু নাম নয়, কাজের মধ্যেও থাকতে হবে” বিএনপির এ্যানি নির্বাচনে অংশ নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত বিএনপি: বড় বিপর্যয় না হলে অংশগ্রহণের ঘোষণা রিজভীর বাংলাদেশে পাথর মেরে মানুষ হত্যার রাজনীতি আর চলবে না: জাহিদুল ইসলাম ‘এনসিপি নেতা আব্দুল হান্নান মাসউদ ও ছাত্রশক্তির শ্যামলী সুলতানা জেদনীর শুভ বিবাহ সম্পন্ন’ বিএনপির ২৭২ মনোনয়ন নিয়ে ক্ষোভ,১২ দলীয় জোটের জরুরি সংবাদ সম্মেলন সোমবার “কুরআনের বাংলাদেশ গড়তেই আমাদের লড়াই,চট্টগ্রামে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান”

চট্টগ্রামে ৭ তলা ভবন আবারও হেলে পড়েছে; পাঁচ বছর আগেও ছিল ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষিত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
  • ২২৩ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম নগরের মনসুরাবাদ এলাকায় পাঁচ বছর আগে ভূমিকম্পে হেলে পড়া সাততলা ভবনটি শুক্রবারের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। স্থানীয়দের দাবি, ভবনটি সাবেক মেয়র মনজুর আলমের মালিকানাধীন।

ডবলমুরিং থানার ওসি বাবুল আজাদ জানান, স্থানীয়রা ভবনটি পাশের আরেকটি ভবনের দিকে হেলে পড়েছে বলে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে যান। কেউ কেউ বলছেন ভবনটি আগে থেকেই হেলে ছিল, আবার অনেকে দাবি করছেন ভূমিকম্পেই এটি আরও বেঁকে গেছে।

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘটনাস্থলে পাঠানো টিম স্থানীয়দের কাছ থেকে নিশ্চিত হয়েছে যে ভবনটি আগেই হেলে ছিল। সাততলা ভবনটিতে বর্তমানে ১০টি পরিবার বসবাস করছে। নিচতলায় রয়েছে একটি ডায়াবেটিস কেয়ার সেন্টার। সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

পাশের ভবনের মালিক আব্দুল্লাহ বিন আশরাফ জানান, পাঁচ বছর আগে ভবনটি হেলে পড়ার পর সিডিএ উপরের দুইতলা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু ভবন মালিক তা মানেননি। সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে ভবনটি আরও হেলে পড়েছে বলে তিনি জানান।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ–সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস বলেন, ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে। মালিক ভাঙতে রাজি না হলে সিটি করপোরেশনকে ব্যবস্থা নিতে তালিকা দেওয়া হবে।

অভিযোগের বিষয়ে সাবেক মেয়র মনজুর আলম বলেন, ‘হেলে পড়ার খবর পেয়ে ভবন পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রকৌশলীদের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

এদিকে চট্টগ্রামে ৫ দশমিক ৫ মাত্রার হালকা ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভবনটি ছাড়া শহরের অন্যান্য এলাকায় বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। আগ্রাবাদের একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা পলাশ দে জানান, অফিস ভবন কেঁপে ওঠার পর তারা আতঙ্কে নিচে নেমে আসেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা পলাশসহ চারজনকে সেনাবাহিনীর অভিযানে আটক

চট্টগ্রামে ৭ তলা ভবন আবারও হেলে পড়েছে; পাঁচ বছর আগেও ছিল ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষিত

আপডেট সময় ০৮:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম নগরের মনসুরাবাদ এলাকায় পাঁচ বছর আগে ভূমিকম্পে হেলে পড়া সাততলা ভবনটি শুক্রবারের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। স্থানীয়দের দাবি, ভবনটি সাবেক মেয়র মনজুর আলমের মালিকানাধীন।

ডবলমুরিং থানার ওসি বাবুল আজাদ জানান, স্থানীয়রা ভবনটি পাশের আরেকটি ভবনের দিকে হেলে পড়েছে বলে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে যান। কেউ কেউ বলছেন ভবনটি আগে থেকেই হেলে ছিল, আবার অনেকে দাবি করছেন ভূমিকম্পেই এটি আরও বেঁকে গেছে।

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘটনাস্থলে পাঠানো টিম স্থানীয়দের কাছ থেকে নিশ্চিত হয়েছে যে ভবনটি আগেই হেলে ছিল। সাততলা ভবনটিতে বর্তমানে ১০টি পরিবার বসবাস করছে। নিচতলায় রয়েছে একটি ডায়াবেটিস কেয়ার সেন্টার। সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

পাশের ভবনের মালিক আব্দুল্লাহ বিন আশরাফ জানান, পাঁচ বছর আগে ভবনটি হেলে পড়ার পর সিডিএ উপরের দুইতলা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু ভবন মালিক তা মানেননি। সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে ভবনটি আরও হেলে পড়েছে বলে তিনি জানান।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ–সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস বলেন, ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে। মালিক ভাঙতে রাজি না হলে সিটি করপোরেশনকে ব্যবস্থা নিতে তালিকা দেওয়া হবে।

অভিযোগের বিষয়ে সাবেক মেয়র মনজুর আলম বলেন, ‘হেলে পড়ার খবর পেয়ে ভবন পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রকৌশলীদের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

এদিকে চট্টগ্রামে ৫ দশমিক ৫ মাত্রার হালকা ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভবনটি ছাড়া শহরের অন্যান্য এলাকায় বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। আগ্রাবাদের একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা পলাশ দে জানান, অফিস ভবন কেঁপে ওঠার পর তারা আতঙ্কে নিচে নেমে আসেন।