ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যুদ্ধ নিয়ে সমঝোতার সম্ভাবনার মাঝেই ট্রাম্পের বিস্ফোরক মন্তব্য কলকাতায় শুভেন্দুর সহকারীকে গুলি করে হত্যা ‘ওরা আমাকে বরখাস্ত করুক’, মমতার হুঙ্কার ‘কামব্যাক কমরেড’, মির্জা আব্বাসের উদ্দেশে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শুনেছি খালেদা জিয়ার দৃঢ়তার সঙ্গে আমার মিল আছে: মেঘনা আলম পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় চারজন নিহত যুবলীগের কর্মী অর্ঘ্য হচ্ছেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সরকার এমন একটি প্রশাসন চায়, যেখানে মানুষ হয়রানি মুক্ত সেবা পাবে: প্রধানমন্ত্রী আমি পদত্যাগ করব না, রাষ্ট্রপতি শাসন হলে হোক: মমতা স্ত্রীকে নিয়ে গাড়ি চালিয়ে আগারগাঁও গেলেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামে ৭ তলা ভবন আবারও হেলে পড়েছে; পাঁচ বছর আগেও ছিল ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষিত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩৭৫ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম নগরের মনসুরাবাদ এলাকায় পাঁচ বছর আগে ভূমিকম্পে হেলে পড়া সাততলা ভবনটি শুক্রবারের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। স্থানীয়দের দাবি, ভবনটি সাবেক মেয়র মনজুর আলমের মালিকানাধীন।

ডবলমুরিং থানার ওসি বাবুল আজাদ জানান, স্থানীয়রা ভবনটি পাশের আরেকটি ভবনের দিকে হেলে পড়েছে বলে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে যান। কেউ কেউ বলছেন ভবনটি আগে থেকেই হেলে ছিল, আবার অনেকে দাবি করছেন ভূমিকম্পেই এটি আরও বেঁকে গেছে।

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘটনাস্থলে পাঠানো টিম স্থানীয়দের কাছ থেকে নিশ্চিত হয়েছে যে ভবনটি আগেই হেলে ছিল। সাততলা ভবনটিতে বর্তমানে ১০টি পরিবার বসবাস করছে। নিচতলায় রয়েছে একটি ডায়াবেটিস কেয়ার সেন্টার। সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

পাশের ভবনের মালিক আব্দুল্লাহ বিন আশরাফ জানান, পাঁচ বছর আগে ভবনটি হেলে পড়ার পর সিডিএ উপরের দুইতলা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু ভবন মালিক তা মানেননি। সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে ভবনটি আরও হেলে পড়েছে বলে তিনি জানান।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ–সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস বলেন, ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে। মালিক ভাঙতে রাজি না হলে সিটি করপোরেশনকে ব্যবস্থা নিতে তালিকা দেওয়া হবে।

অভিযোগের বিষয়ে সাবেক মেয়র মনজুর আলম বলেন, ‘হেলে পড়ার খবর পেয়ে ভবন পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রকৌশলীদের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

এদিকে চট্টগ্রামে ৫ দশমিক ৫ মাত্রার হালকা ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভবনটি ছাড়া শহরের অন্যান্য এলাকায় বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। আগ্রাবাদের একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা পলাশ দে জানান, অফিস ভবন কেঁপে ওঠার পর তারা আতঙ্কে নিচে নেমে আসেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধ নিয়ে সমঝোতার সম্ভাবনার মাঝেই ট্রাম্পের বিস্ফোরক মন্তব্য

চট্টগ্রামে ৭ তলা ভবন আবারও হেলে পড়েছে; পাঁচ বছর আগেও ছিল ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষিত

আপডেট সময় ০৮:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম নগরের মনসুরাবাদ এলাকায় পাঁচ বছর আগে ভূমিকম্পে হেলে পড়া সাততলা ভবনটি শুক্রবারের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। স্থানীয়দের দাবি, ভবনটি সাবেক মেয়র মনজুর আলমের মালিকানাধীন।

ডবলমুরিং থানার ওসি বাবুল আজাদ জানান, স্থানীয়রা ভবনটি পাশের আরেকটি ভবনের দিকে হেলে পড়েছে বলে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে যান। কেউ কেউ বলছেন ভবনটি আগে থেকেই হেলে ছিল, আবার অনেকে দাবি করছেন ভূমিকম্পেই এটি আরও বেঁকে গেছে।

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘটনাস্থলে পাঠানো টিম স্থানীয়দের কাছ থেকে নিশ্চিত হয়েছে যে ভবনটি আগেই হেলে ছিল। সাততলা ভবনটিতে বর্তমানে ১০টি পরিবার বসবাস করছে। নিচতলায় রয়েছে একটি ডায়াবেটিস কেয়ার সেন্টার। সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

পাশের ভবনের মালিক আব্দুল্লাহ বিন আশরাফ জানান, পাঁচ বছর আগে ভবনটি হেলে পড়ার পর সিডিএ উপরের দুইতলা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু ভবন মালিক তা মানেননি। সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে ভবনটি আরও হেলে পড়েছে বলে তিনি জানান।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ–সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস বলেন, ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে। মালিক ভাঙতে রাজি না হলে সিটি করপোরেশনকে ব্যবস্থা নিতে তালিকা দেওয়া হবে।

অভিযোগের বিষয়ে সাবেক মেয়র মনজুর আলম বলেন, ‘হেলে পড়ার খবর পেয়ে ভবন পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রকৌশলীদের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

এদিকে চট্টগ্রামে ৫ দশমিক ৫ মাত্রার হালকা ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভবনটি ছাড়া শহরের অন্যান্য এলাকায় বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। আগ্রাবাদের একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা পলাশ দে জানান, অফিস ভবন কেঁপে ওঠার পর তারা আতঙ্কে নিচে নেমে আসেন।