কীভাবে বুঝবেন চার্জারটি আসল না নকল?
১. দাম সন্দেহজনকভাবে কম হলে সতর্ক থাকুন
আসল চার্জারে মানসম্মত যন্ত্রাংশ থাকে, তাই এর দাম সাধারণত নির্দিষ্ট সীমার নিচে নামার কথা নয়। বাজারদর থেকে অস্বাভাবিক কম দামে চার্জার পেলে এটি নকল হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
২. প্যাকেজিং ও লোগো খুঁটিয়ে দেখুন
আসল ব্র্যান্ড সাধারণত উচ্চমানের প্রিন্ট, পরিষ্কার লোগো এবং নিখুঁত বানান ব্যবহার করে। নকল চার্জারে লোগোতে অস্পষ্টতা, ভিন্ন ফন্ট বা বানান ত্রুটি থাকতে পারে।
৩. ওজন তুলনা করুন
নকল চার্জার সাধারণত হালকা হয়। কারণ এগুলোতে সঠিক ট্রান্সফরমার বা সার্কিট প্রটেকশন ব্যবহার করা হয় না। আসল চার্জার তুলনামূলক ভারী ও মজবুত।
৪. পোর্ট ও প্লাগের গুণমান দেখুন
আসল চার্জারের পোর্টগুলি সমান, শক্ত এবং নিখুঁতভাবে বসানো থাকে। নকল চার্জারে পোর্ট ঢিলা, বাকা বা অমসৃণ হতে পারে।
৫. চার্জিং গতিতে ভিন্নতা লক্ষ্য করুন
নকল চার্জার সাধারণত নির্দিষ্ট ভোল্টেজ বজায় রাখতে পারে না। ফলে কখনও বেশি গরম হয়, কখনও খুব ধীরে চার্জ দেয়। এই অনিয়মই বড় বিপদের লক্ষণ।
৬. সেফটি সার্টিফিকেশন আছে কি না দেখুন
আসল চার্জারে সাধারণত নিরাপত্তা সংক্রান্ত সার্টিফিকেশন—যেমন CE, UL বা RoHS—উল্লেখ থাকে। নকল চার্জারে এসব তথ্য অনুপস্থিত থাকে কিংবা ভুয়া চিহ্ন দেওয়া থাকে।
৭. তারের গুণমান ও প্রিন্ট পরীক্ষা করুন
আসল চার্জারের তার মোটা ও শক্ত হয় এবং প্রিন্ট স্পষ্ট থাকে। নকল চার্জারে তার পাতলা, নরম ও সহজে ভাঙার মতো হয়।
—
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ
পরিচিত দোকান বা অনুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটর থেকে চার্জার কিনুন
চার্জারের সাথে থাকা সিরিয়াল নম্বর ব্র্যান্ডের ওয়েবসাইটে যাচাই করুন
অস্বাভাবিক গরম হওয়া বা স্পার্ক দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার বন্ধ করুন

ডেস্ক রিপোর্ট 

























