ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার সময় ছেলের গায়ে ছিল গেঞ্জি, পরে দেখি শার্ট: সিদ্ধার্থের বাবা এবার সাভারে ওরস বন্ধের দাবি ‘তৌহিদি জনতার’, নেতৃত্বে বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত ২০২৭ সালের রমজানের সম্ভাব্য তারিখ ৬ অথবা ৭ ফেব্রুয়ারি বাবার মরদেহ বারান্দায়, সাড়ে তিন হাত জায়গা নিয়ে ২ ভাইয়ের মারামারি হাঁস-মুরগির দোকানে ম্যারেজ মিডিয়ার অফিস ওমরাহর জন্য স্ত্রীর জমানো টাকায় ৫৬ বছরের রাস্তা সংস্কার সন্তান জন্ম দিলেই মিলবে ৬৭ লাখ টাকা, ঘোষণা সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার আগে বলে ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’, পরে বলে ‘গিভ মি ইওর প্ল্যান’: হাসনাত আব্দুল্লাহ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: এমপি শওকতুল ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণিত, আলোচিত সেই মাদরাসা শিক্ষকই শিশুটির বাবা

প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চাইলেন জামায়াত এমপির ড্রাইভার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:০৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • ৯১ বার পড়া হয়েছে

এবার ভিডিও বিতর্ককে ঘিরে আলোচনার মধ্যেই জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাতক্ষীরা৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ সামনে এসেছে।   গণমাধ্যমকর্মীদের হাতে পৌঁছানো প্রধানমন্ত্রী বরাবর লেখা একটি আবেদনপত্রের অনুলিপিতে দেখা যায়, ওবায়দুর রহমান নামে এক ব্যক্তি নিজেকে গাজী নজরুল ইসলামের সাবেক গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। আবেদনপত্রে তিনি অভিযোগ করেন, তার ওপর হামলার ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা ছিলেন সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।

গত সোমবার (২০ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর মাধ্যমে পাঠানো ওই আবেদনপত্রে ওবায়দুর রহমান নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান।  আবেদনপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, ১৪ জুলাই রাত আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটে পল্লবী থানাধীন উত্তর কালশীর আলীনগরে অবস্থিত রোজ গার্ডেন টাওয়ার ২এর ডি২ ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তিনজন ব্যক্তি লাঠিসোঁটা দিয়ে হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেন।

তিনি অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা হলেনআমিন (পিতাজব্বার সরদার, (দুর্নীতির দায়ে চাকরিচ্যুত পুলিশের এসআই), মাসুম বিল্লাহ এবং মোস্তাসিম বিল্লাহ (উভয়ের পিতা ইউনুস সরদার)আবেদনপত্রে ওবায়দুর রহমান দাবি করেন, একপর্যায়ে তার গোঙানির শব্দ ও মারধরের আওয়াজ শুনে পাশের কক্ষ থেকে তার মা ও ছোট বোন এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে তাদের সহযোগিতায় তিনি একটি সিএনজিযোগে রাত ১২টা ৩৮ মিনিটে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি হন। বর্তমানে প্রাণনাশের আশঙ্কায় আত্মগোপনে রয়েছেন বলেও আবেদনপত্রে উল্লেখ করেন।

আবেদনপত্রে তিনি আরও দাবি করেন, আমি তার গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারী ছিলাম। সেই সুবাদে তার সকল প্রকার দুর্নীতি ও অনৈতিক কাজের আমি চাক্ষুষ সাক্ষী। এ কারণেই তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। আবেদনপত্রে গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে জমি দখল, বালুমহল দখল, ঘুষ গ্রহণ, মব বাহিনী গঠন, নারীঘটিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডসহ একাধিক অভিযোগও তোলা হয়েছে। এছাড়া ২২ জুন, ৯ জুলাই এবং ১৩ জুলাই রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এক তরুণীকে নিয়ে অবস্থানের দাবিও করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে আবেদনপত্রে কোনো প্রামাণ্য নথি সংযুক্ত রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আবেদনপত্রের শেষাংশে ওবায়দুর রহমান অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার সময় ছেলের গায়ে ছিল গেঞ্জি, পরে দেখি শার্ট: সিদ্ধার্থের বাবা

প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চাইলেন জামায়াত এমপির ড্রাইভার

আপডেট সময় ১২:০৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

এবার ভিডিও বিতর্ককে ঘিরে আলোচনার মধ্যেই জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাতক্ষীরা৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ সামনে এসেছে।   গণমাধ্যমকর্মীদের হাতে পৌঁছানো প্রধানমন্ত্রী বরাবর লেখা একটি আবেদনপত্রের অনুলিপিতে দেখা যায়, ওবায়দুর রহমান নামে এক ব্যক্তি নিজেকে গাজী নজরুল ইসলামের সাবেক গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। আবেদনপত্রে তিনি অভিযোগ করেন, তার ওপর হামলার ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা ছিলেন সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।

গত সোমবার (২০ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর মাধ্যমে পাঠানো ওই আবেদনপত্রে ওবায়দুর রহমান নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান।  আবেদনপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, ১৪ জুলাই রাত আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটে পল্লবী থানাধীন উত্তর কালশীর আলীনগরে অবস্থিত রোজ গার্ডেন টাওয়ার ২এর ডি২ ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তিনজন ব্যক্তি লাঠিসোঁটা দিয়ে হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেন।

তিনি অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা হলেনআমিন (পিতাজব্বার সরদার, (দুর্নীতির দায়ে চাকরিচ্যুত পুলিশের এসআই), মাসুম বিল্লাহ এবং মোস্তাসিম বিল্লাহ (উভয়ের পিতা ইউনুস সরদার)আবেদনপত্রে ওবায়দুর রহমান দাবি করেন, একপর্যায়ে তার গোঙানির শব্দ ও মারধরের আওয়াজ শুনে পাশের কক্ষ থেকে তার মা ও ছোট বোন এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে তাদের সহযোগিতায় তিনি একটি সিএনজিযোগে রাত ১২টা ৩৮ মিনিটে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি হন। বর্তমানে প্রাণনাশের আশঙ্কায় আত্মগোপনে রয়েছেন বলেও আবেদনপত্রে উল্লেখ করেন।

আবেদনপত্রে তিনি আরও দাবি করেন, আমি তার গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারী ছিলাম। সেই সুবাদে তার সকল প্রকার দুর্নীতি ও অনৈতিক কাজের আমি চাক্ষুষ সাক্ষী। এ কারণেই তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। আবেদনপত্রে গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে জমি দখল, বালুমহল দখল, ঘুষ গ্রহণ, মব বাহিনী গঠন, নারীঘটিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডসহ একাধিক অভিযোগও তোলা হয়েছে। এছাড়া ২২ জুন, ৯ জুলাই এবং ১৩ জুলাই রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এক তরুণীকে নিয়ে অবস্থানের দাবিও করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে আবেদনপত্রে কোনো প্রামাণ্য নথি সংযুক্ত রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আবেদনপত্রের শেষাংশে ওবায়দুর রহমান অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।