ঢাকা , শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট সমাধানে ব্যর্থ হলে সরকারও টিকবে না: শিবির সভাপতি কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৫ বাংলাদেশির মরদেহ ফিরছে শনিবার ২৫ বছর দায়িত্ব পালন করা ইমামকে রাজকীয় বিদায় দিলো এলাকাবাসী ইরান যুদ্ধে কতজন মার্কিন সেনা হতাহত, জানালো পেন্টাগন যারা বাংলাদেশকে ধারণ করে না, তাদের মাধ্যমেই বড় বড় দুর্নীতি হয়: সাদিক কায়েম অতীত থেকে শিক্ষা না নেওয়ায় শেখ হাসিনাকে পালাতে হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ক্ষেত্রে পূরণ করতে হবে যে ৭ শর্ত ভারত সফর হতে হবে সমতার, সমমর্যাদার ও বন্ধুত্বের: জামায়াত আমির মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের পর তাসনিম জারার দীর্ঘ পোস্ট শামীম কায়সারকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করার সিদ্ধান্তে হেফাজতের তীব্র প্রতিবাদ

কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৫ বাংলাদেশির মরদেহ ফিরছে শনিবার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:১৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ‘শিখা ইন’ হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাংবাদিক দেবাশীষ দত্তসহ পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ ফিরছে আগামীকাল শনিবার (২২ আগস্ট)।

 

জানা গেছে, সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে মরদেহগুলো দেশে আসবে। বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান খান ও বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক রুহুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

এর আগে, শুক্রবার (২১ আগস্ট) দেশে ফেরার কথা থাকলেও প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ও এনওসি জটিলতায় তা সম্ভব হয়নি।

এদিকে নিহত সাংবাদিক দেবাশীষ দত্তের স্বজনরা মরদেহ গ্রহণের জন্য কুষ্টিয়া থেকে বেনাপোলের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। নিহত ব্যবসায়ী বাবু আহমেদের বড় ভাই মো. মনির হোসেন ইতোমধ্যে বেনাপোলে পৌঁছেছেন। মরদেহগুলো নিজ নিজ এলাকায় নেওয়ার জন্য স্বজনদের সঙ্গে একটি অ্যাম্বুলেন্স ও একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকার রয়েছে।

 

গত ১৯ আগস্ট ভোরে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয়জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি নাগরিক।

 

নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চারজন রয়েছেন। তারা হলেন- কুষ্টিয়া শহরের আরুয়াপাড়া মোহিনী মিল এলাকার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত (৩৯), তার স্ত্রী আফসানা শারমীন (২৭), তাদের একমাত্র সন্তান স্বর্ণশীষ দত্ত (৩) এবং আফসানার বাবা আকরাম আলী (৬৪)।

 

দেবাশীষ দত্ত দৈনিক আজকের পত্রিকা ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ৯-এর কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্ত্রী আফসানা শারমীন অসুস্থ থাকায় চিকিৎসার জন্য পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কলকাতায় গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে ‘শিখা ইন’ হোটেলে অবস্থানকালে অগ্নিকাণ্ডে তারা নিহত হন।

 

নিহত অপর বাংলাদেশি হলেন ঢাকার সাভারের আমিনবাজার এলাকার কসমেটিকস ব্যবসায়ী বাবু আহমেদ (৩৭)। ব্যবসায়িক কাজে তিনি কলকাতায় গিয়েছিলেন।

 

অন্যদিকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার এস এম আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করবে বলে জানা গেছে। একই জেলার নিহত রেবতী সরকারের মরদেহ ভারতে সৎকারের বিষয়ে তার পরিবারের পক্ষ থেকে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।

 

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি সাইফুর রহমান খান কালবেলাকে বলেন, ‘ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন ও ভারতের স্থানীয় প্রশাসন। প্রয়োজনীয় ছাড়পত্রের জটিলতায় শুক্রবার দেশে ফেরানো সম্ভব না হলেও শনিবার মরদেহগুলো বেনাপোলে পৌঁছালে আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট সমাধানে ব্যর্থ হলে সরকারও টিকবে না: শিবির সভাপতি

কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৫ বাংলাদেশির মরদেহ ফিরছে শনিবার

আপডেট সময় ১২:১৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ‘শিখা ইন’ হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাংবাদিক দেবাশীষ দত্তসহ পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ ফিরছে আগামীকাল শনিবার (২২ আগস্ট)।

 

জানা গেছে, সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে মরদেহগুলো দেশে আসবে। বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান খান ও বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক রুহুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

এর আগে, শুক্রবার (২১ আগস্ট) দেশে ফেরার কথা থাকলেও প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ও এনওসি জটিলতায় তা সম্ভব হয়নি।

এদিকে নিহত সাংবাদিক দেবাশীষ দত্তের স্বজনরা মরদেহ গ্রহণের জন্য কুষ্টিয়া থেকে বেনাপোলের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। নিহত ব্যবসায়ী বাবু আহমেদের বড় ভাই মো. মনির হোসেন ইতোমধ্যে বেনাপোলে পৌঁছেছেন। মরদেহগুলো নিজ নিজ এলাকায় নেওয়ার জন্য স্বজনদের সঙ্গে একটি অ্যাম্বুলেন্স ও একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকার রয়েছে।

 

গত ১৯ আগস্ট ভোরে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয়জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি নাগরিক।

 

নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চারজন রয়েছেন। তারা হলেন- কুষ্টিয়া শহরের আরুয়াপাড়া মোহিনী মিল এলাকার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত (৩৯), তার স্ত্রী আফসানা শারমীন (২৭), তাদের একমাত্র সন্তান স্বর্ণশীষ দত্ত (৩) এবং আফসানার বাবা আকরাম আলী (৬৪)।

 

দেবাশীষ দত্ত দৈনিক আজকের পত্রিকা ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ৯-এর কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্ত্রী আফসানা শারমীন অসুস্থ থাকায় চিকিৎসার জন্য পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কলকাতায় গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে ‘শিখা ইন’ হোটেলে অবস্থানকালে অগ্নিকাণ্ডে তারা নিহত হন।

 

নিহত অপর বাংলাদেশি হলেন ঢাকার সাভারের আমিনবাজার এলাকার কসমেটিকস ব্যবসায়ী বাবু আহমেদ (৩৭)। ব্যবসায়িক কাজে তিনি কলকাতায় গিয়েছিলেন।

 

অন্যদিকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার এস এম আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করবে বলে জানা গেছে। একই জেলার নিহত রেবতী সরকারের মরদেহ ভারতে সৎকারের বিষয়ে তার পরিবারের পক্ষ থেকে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।

 

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি সাইফুর রহমান খান কালবেলাকে বলেন, ‘ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন ও ভারতের স্থানীয় প্রশাসন। প্রয়োজনীয় ছাড়পত্রের জটিলতায় শুক্রবার দেশে ফেরানো সম্ভব না হলেও শনিবার মরদেহগুলো বেনাপোলে পৌঁছালে আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’