ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শ্রীমঙ্গলে তারেক রহমানের অনুষ্ঠানস্থলে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান, যুবক আটক  ইরাকের জার্সিতে বিশ্বকাপে পাকিস্তানের ইতিহাস লিখতে যাচ্ছেন যে ফুটবলার আরও ১৫০০ কোটি তারল্য সহায়তা পেল ইসলামী ব্যাংক সাকিবের পর দীঘিও কি ‘পল্টি’ দিলেন? কালুখালীতপ জামায়াত কর্মী হত্যার পর মরদেহ আগুনের ঘটনায় গ্রপ্তার ৩ ২ ঘণ্টার মধ্যে আমেরিকা ছাড়ার নির্দেশ ইরানকে প্রতিমন্ত্রী দিলেন ডিও লেটার, নাম প্রস্তাব বিএনপি নেতার, সংসদে ‘মিরাকল’ নির্বাচনী ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে আদালতে মমতা ব্যানার্জী স্পেনের এক ড্রয়ে উড়ে গেল ১২ কোটি টাকার বাজি মাঠে নামার আগেই আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া সমর্থকদের মারামারি

গরু কুরবানি ইসলামের অংশ নয়: কলকাতা হাইকোর্ট

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
  • ৯২ বার পড়া হয়েছে

ঈদুল আজহার আগে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গবাদিপশু কুরবানি নিয়ন্ত্রণের আদেশ বাতিলের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পল ও বিচারপতি পার্থ সারথী সেনের বেঞ্চ বলেছে, গরু কুরবানি ঈদুল আজহার অংশ নয় এবং ইসলামে এটি ধর্মীয়ভাবে বাধ্যতামূলকও নয়। একাধিক জনস্বার্থ মামলায় আদালতকে রাজ্যের আদেশ বাতিল করতে এবং অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিতে বলা হয়েছিল। আদালত সেই আবেদনে রাজি হয়নি।

তবে আদালত রাজ্যকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি বিষয় বিবেচনা করতে বলেছে। সেটি হলো, ১৯৫০ সালের পশ্চিমবঙ্গ পশু কুরবানি নিয়ন্ত্রণ আইনের ১২ নম্বর ধারায় ধর্মীয়, ওষুধ বা গবেষণার উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ পশু কুরবানিয়ের ছাড় দেওয়ার ক্ষমতা সরকারের আছে কি না। ২৭ ও ২৮ মে ঈদ হওয়ায় সময় কম থাকায় আদালত দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বলেছে। এছাড়া আদালত রাজ্যকে বলেছে, খোলা জায়গায় পশু কুরবানি করা যাবে না এমন একটি শর্ত যোগ করার বিষয়টিও ভেবে দেখতে।

রাজ্য সরকার গত ১৩ মে যে আদেশ দিয়েছিল তাতে ১৯৫০ সালের আইন ও ২০১৮ সালের হাইকোর্টের একটি রায়ের কথা উল্লেখ আছে। দুটিতেই বলা হয়েছে, ‘কুরবানিয়ের উপযুক্তসনদ না পেলে গরু ও মহিষ কুরবানি করা যাবে না। আইনের সংবিধানিকতা নিয়ে চ্যালেঞ্জ করা মামলাগুলোতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য যুক্তি দেন, এই আইন কলকাতা ও অন্যান্য পৌরসভার জন্য তৈরি হয়েছিল, পুরো রাজ্যের জন্য নয়। তবে আদালত সেই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি।

কলকাতা পৌরসংস্থার আইনজীবী নীলোৎপল চ্যাটার্জি জানান, তাদের কাছে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোসহ জবাইখানা আছে এবং সনদ দেওয়ার জন্য নির্ধারিত কর্মকর্তাও আছেন। আদালত বলেছে, সনদ দেওয়ার সঠিক ব্যবস্থা আছে কি না তা দেখার দায়িত্ব রাজ্যের। কোনো ঘাটতি পাওয়া গেলে তা দ্রুত ঠিক করতে হবে বলেও আদালত আশা প্রকাশ করেছে। সূত্রটাইমস অফ ইন্ডিয়া

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীমঙ্গলে তারেক রহমানের অনুষ্ঠানস্থলে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান, যুবক আটক 

গরু কুরবানি ইসলামের অংশ নয়: কলকাতা হাইকোর্ট

আপডেট সময় ১০:৫৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

ঈদুল আজহার আগে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গবাদিপশু কুরবানি নিয়ন্ত্রণের আদেশ বাতিলের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পল ও বিচারপতি পার্থ সারথী সেনের বেঞ্চ বলেছে, গরু কুরবানি ঈদুল আজহার অংশ নয় এবং ইসলামে এটি ধর্মীয়ভাবে বাধ্যতামূলকও নয়। একাধিক জনস্বার্থ মামলায় আদালতকে রাজ্যের আদেশ বাতিল করতে এবং অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিতে বলা হয়েছিল। আদালত সেই আবেদনে রাজি হয়নি।

তবে আদালত রাজ্যকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি বিষয় বিবেচনা করতে বলেছে। সেটি হলো, ১৯৫০ সালের পশ্চিমবঙ্গ পশু কুরবানি নিয়ন্ত্রণ আইনের ১২ নম্বর ধারায় ধর্মীয়, ওষুধ বা গবেষণার উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ পশু কুরবানিয়ের ছাড় দেওয়ার ক্ষমতা সরকারের আছে কি না। ২৭ ও ২৮ মে ঈদ হওয়ায় সময় কম থাকায় আদালত দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বলেছে। এছাড়া আদালত রাজ্যকে বলেছে, খোলা জায়গায় পশু কুরবানি করা যাবে না এমন একটি শর্ত যোগ করার বিষয়টিও ভেবে দেখতে।

রাজ্য সরকার গত ১৩ মে যে আদেশ দিয়েছিল তাতে ১৯৫০ সালের আইন ও ২০১৮ সালের হাইকোর্টের একটি রায়ের কথা উল্লেখ আছে। দুটিতেই বলা হয়েছে, ‘কুরবানিয়ের উপযুক্তসনদ না পেলে গরু ও মহিষ কুরবানি করা যাবে না। আইনের সংবিধানিকতা নিয়ে চ্যালেঞ্জ করা মামলাগুলোতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য যুক্তি দেন, এই আইন কলকাতা ও অন্যান্য পৌরসভার জন্য তৈরি হয়েছিল, পুরো রাজ্যের জন্য নয়। তবে আদালত সেই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি।

কলকাতা পৌরসংস্থার আইনজীবী নীলোৎপল চ্যাটার্জি জানান, তাদের কাছে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোসহ জবাইখানা আছে এবং সনদ দেওয়ার জন্য নির্ধারিত কর্মকর্তাও আছেন। আদালত বলেছে, সনদ দেওয়ার সঠিক ব্যবস্থা আছে কি না তা দেখার দায়িত্ব রাজ্যের। কোনো ঘাটতি পাওয়া গেলে তা দ্রুত ঠিক করতে হবে বলেও আদালত আশা প্রকাশ করেছে। সূত্রটাইমস অফ ইন্ডিয়া