গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর অভিযোগ করেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার নির্দিষ্ট একটি দলের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে। বুধবার (২৩ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
নুর বলেন, “একটি গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত সরকার যদি পক্ষপাত দেখায়, তবে জনগণের আস্থা দ্রুতই হারিয়ে যাবে।” তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোন ভিত্তিতে চারটি দলকে ‘বড় দল’ হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হলো—যার একটি নিবন্ধিতও নয়, সদ্য গঠিত।
তিনি অভিযোগ করেন, এনসিপির প্রতি সরকারের স্পষ্ট পক্ষপাত একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি করছে। “নির্বাচনের আগে যদি পক্ষপাত স্পষ্ট হয়, তাহলে সেই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়,”—জানান তিনি।
চট্টগ্রামে আইনজীবী হত্যাকাণ্ড ও গোপালগঞ্জে সম্ভাব্য সহিংসতা প্রসঙ্গে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যর্থতার দিকেও আঙুল তোলেন। বলেন, “সরকার যদি আগেভাগে এসব আঁচ করতে না পারে, তাহলে তাদের সক্ষমতা নিয়েই প্রশ্ন ওঠে।”
জাতীয় ঐকমত্য কমিশন নিয়ে তিনি বলেন, “এক-দুইটি দলের মতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে, বৃহত্তর জনআকাঙ্ক্ষা উপেক্ষিত হয়।” তিনি রাজনৈতিক চাপ ও পক্ষপাত থেকে মুক্ত থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
নুর স্থানীয় সরকারের অকার্যকর কাঠামো নিয়েও উদ্বেগ জানান। তার মতে, জনপ্রতিনিধি না থাকায় এলাকাভিত্তিক বিশৃঙ্খলা বাড়ছে। এজন্য তিনি ধাপে ধাপে স্থানীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তাব দেন।
তিনি অভিযোগ করেন, গত ১১ মাসে এনসিপি ছাড়া অন্য কোনো ছাত্রসংগঠনের সঙ্গে সরকার বসেনি। সকল ছাত্রসংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের প্রস্তাব রাখলে, সরকার তাতে সম্মতি দিয়েছে বলেও জানান নুরুল হক নুর।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























