ঢাকা , রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জানালা দিয়ে পানি চাইছিল দুই শিশু, তালা ভেঙে মিলল মায়ের মরদেহ ১৮ বছরের লুটপাট ও অব্যবস্থাপনায় জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে: রাশেদ খাঁন অস্ট্রেলিয়ায় স্মরণীয় সিরিজ শেষে টেস্টে ইতিহাসের সেরা র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ গাজায় ফুরিয়ে আসছে কবরের জায়গাও ট্রাম্পের ৫০ শতাংশ শুল্কের জবাবে মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার গত ১৭ বছর ধরে সংবাদমাধ্যমের হাত বাঁধা ছিল: তথ্যমন্ত্রী পার্থ খালেদা জিয়ার সাজে চমকের ‘চমক’ ৬ বছর পর রোগীর বেশে চিকিৎসক স্ত্রীর চেম্বারে হাজির প্রবাসী স্বামী হরমুজকে ‘মার্কিন ভূখণ্ড’ ঘোষণা করে মানচিত্র প্রকাশ করলেন ট্রাম্প ইউনুস সরকারের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার; নিবন্ধন ফিরে পেলো বাংলা এডিশন

গাজায় ফুরিয়ে আসছে কবরের জায়গাও

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৩৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

এবার যুদ্ধের ভয়াবহতায় ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে প্রতিদিনই প্রাণ হারাচ্ছেন মানুষ। কিন্তু মৃত্যুর পরও যেন মিলছে না শেষ আশ্রয়ের জায়গা। কবরস্থানগুলোতে জায়গা সংকুচিত হয়ে আসায় স্বজনদের মরদেহ দাফন করতে গিয়ে বিপাকে পড়ছে পরিবারগুলো। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, ২০ বছর বয়সী ওমর আল-সাওহির এখন তার বাবা ৪০ বছর বয়সী মোহাম্মদকে কবর দেয়ার জায়গা খুঁজতে হচ্ছে। গাজার ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রিত সামরিক এলাকা ‘ইয়েলো লাইন’-এর কাছে গুলিতে নিহত হন মোহাম্মদ। গাজা সিটির জেইতুন এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ একটি সড়কের পাশে ছোট দোকানে চা-কফি বিক্রি করতেন। গত ১০ জুন কাজ করার সময় তার ঘাড়ে গুলি লাগে। এতে প্রায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

বাবাকে দাফন করতে জেইতুন কবরস্থানে যান ওমর। সেখানে গিয়ে দেখেন, কবরগুলো একটির সঙ্গে আরেকটি ঠাসাঠাসি করে তৈরি করা হয়েছে। এসব কবরের অনেকগুলোতেই ইসরায়েলের চলমান হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের দাফন করা হয়েছে। জায়গার সংকট ও যুদ্ধের কঠিন পরিস্থিতির কারণে অনেক কবরের ওপর শুধু একটি পাথর ও মৃত ব্যক্তির নাম লেখা একটি কাগজ রাখা হয়েছে। যুদ্ধের আগের মতো কবর তৈরি বা যথাযথভাবে প্রস্তুত করার সুযোগ নেই।

ওমর আল জাজিরাকে বলেন, ‘আমি কবরস্থানের মাঝখানে দাঁড়িয়ে বহু কবর দেখেছি। সেখানে বালুর স্তূপের মতো উঁচু জায়গা রয়েছে, আর তার নিচে মানুষকে কবর দেয়া হয়েছে’। তিনি বলেন, ‘একটি কবরের ওপর শুধু একটি পাথর ও শহীদের নাম লেখা কাগজ ছিল। যুদ্ধের আগের মতো কবরটি তৈরি বা ঠিকভাবে প্রস্তুত করা হয়নি।’ বর্তমানে সেখানে একটি কবরের জন্য প্রায় ৫০০ শেকেল (১৬৭ ডলার) খরচ হয়। কিন্তু ওমরের পরিবারের পক্ষে এই অর্থ দেয়া সম্ভব ছিল না। তাই তাদের অন্য ব্যবস্থা করতে হয়। ওমর বলেন, ‘নতুন কবরের জন্য কোনও জায়গাই নেই। তাই আমাদের দাদার কবরে তাকে দাফন করতে হয়েছে।’

আল জাজিরা বলছে, গাজায় সেবা ও অবকাঠামো ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়া এবং ইসরায়েলি হামলার ঝুঁকির কারণে যুদ্ধের সময় হাজার হাজার নিহত ফিলিস্তিনিকে ‘নিখোঁজ’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তাদের অনেককে বাগান, তাঁবু, বাস্তুচ্যুতদের শিবির, স্কুল কিংবা হাসপাতালের চত্বরে দাফন করা হয়েছে। ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর গাজায় ইসরায়েলি হামলা কিছুটা কমে আসে। এরপর ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপ কিংবা অস্থায়ী কবরস্থান থেকে স্বজনদের মরদেহ উদ্ধার করতে শুরু করে পরিবারগুলো।

যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে অন্তত ১ হাজার ২০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তাদের প্রত্যেকের জন্যই এখন কবরের জায়গা প্রয়োজন। গাজার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হাসপাতালের চত্বরে থাকা সাতটি গণকবর থেকে ৫২৯ ফিলিস্তিনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ইসরায়েলি হামলা কিছুটা কমে আসার সুযোগে ওমরের পরিবারও মোহাম্মদের মরদেহ কবর থেকে তুলে নিয়ে চূড়ান্তভাবে দাফনের জন্য একটি কবরস্থানে নিয়ে যায়। তবে কবরের সংকট শুধু ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর নিহত ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনির কারণে তৈরি হয়নি। ইসরায়েলি হামলায় কবরস্থান ধ্বংস হওয়াও এর অন্যতম কারণ।

গাজার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ৪০টির বেশি কবরস্থান ধ্বংস হয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনী তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোর কবরস্থানে প্রবেশের ওপরও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। ফলে পরিবারগুলোর জন্য দাফনের জায়গা আরও কমে গেছে। ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ ও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির কারণে লাখ লাখ ফিলিস্তিনি ইতোমধ্যে ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। ফলে আগে কবরস্থানের জন্য নির্ধারিত অনেক জায়গাই এখন বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে। গাজার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কবরের ফলকসহ বিভিন্ন উপকরণের সংকটের কারণে এখন একটি মরদেহ দাফনে ৭০০ থেকে ১ হাজার শেকেল (২৩৫ থেকে ৩৩৫ ডলার) পর্যন্ত খরচ হচ্ছে।

এছাড়া কবরের ফলক যথাযথভাবে তৈরির মতো অর্থ জোগাড় না হওয়া পর্যন্ত ধ্বংস হওয়া ভবনের ইট-পাথর, কাদা কিংবা ঢেউটিন দিয়ে অস্থায়ীভাবে কবর চিহ্নিত করা হচ্ছে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের গণমাধ্যম কর্মকর্তা ইকরামি আল-মাদালাল বলেন, যুদ্ধ শুরুর আগেই গাজার ৬০টি কবরস্থানের অনেকগুলো প্রায় পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল। তিনি আল জাজিরাকে বলেন, ‘দাফনের জায়গার সংকটের কারণে আমাদের নতুন কবরস্থান তৈরি করতে হবে।’ মন্ত্রণালয় নতুন কবরস্থানের জন্য জায়গা খুঁজছে। পাশাপাশি অস্থায়ীভাবে দাফন করা মরদেহগুলো কবরস্থানে স্থানান্তর করাও কর্তৃপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আল-মাদালাল বলেন, ‘মরদেহ স্থানান্তর ইচ্ছেমতো করা যাবে না। এ জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়, স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জানালা দিয়ে পানি চাইছিল দুই শিশু, তালা ভেঙে মিলল মায়ের মরদেহ

গাজায় ফুরিয়ে আসছে কবরের জায়গাও

আপডেট সময় ০১:৩৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

এবার যুদ্ধের ভয়াবহতায় ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে প্রতিদিনই প্রাণ হারাচ্ছেন মানুষ। কিন্তু মৃত্যুর পরও যেন মিলছে না শেষ আশ্রয়ের জায়গা। কবরস্থানগুলোতে জায়গা সংকুচিত হয়ে আসায় স্বজনদের মরদেহ দাফন করতে গিয়ে বিপাকে পড়ছে পরিবারগুলো। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, ২০ বছর বয়সী ওমর আল-সাওহির এখন তার বাবা ৪০ বছর বয়সী মোহাম্মদকে কবর দেয়ার জায়গা খুঁজতে হচ্ছে। গাজার ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রিত সামরিক এলাকা ‘ইয়েলো লাইন’-এর কাছে গুলিতে নিহত হন মোহাম্মদ। গাজা সিটির জেইতুন এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ একটি সড়কের পাশে ছোট দোকানে চা-কফি বিক্রি করতেন। গত ১০ জুন কাজ করার সময় তার ঘাড়ে গুলি লাগে। এতে প্রায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

বাবাকে দাফন করতে জেইতুন কবরস্থানে যান ওমর। সেখানে গিয়ে দেখেন, কবরগুলো একটির সঙ্গে আরেকটি ঠাসাঠাসি করে তৈরি করা হয়েছে। এসব কবরের অনেকগুলোতেই ইসরায়েলের চলমান হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের দাফন করা হয়েছে। জায়গার সংকট ও যুদ্ধের কঠিন পরিস্থিতির কারণে অনেক কবরের ওপর শুধু একটি পাথর ও মৃত ব্যক্তির নাম লেখা একটি কাগজ রাখা হয়েছে। যুদ্ধের আগের মতো কবর তৈরি বা যথাযথভাবে প্রস্তুত করার সুযোগ নেই।

ওমর আল জাজিরাকে বলেন, ‘আমি কবরস্থানের মাঝখানে দাঁড়িয়ে বহু কবর দেখেছি। সেখানে বালুর স্তূপের মতো উঁচু জায়গা রয়েছে, আর তার নিচে মানুষকে কবর দেয়া হয়েছে’। তিনি বলেন, ‘একটি কবরের ওপর শুধু একটি পাথর ও শহীদের নাম লেখা কাগজ ছিল। যুদ্ধের আগের মতো কবরটি তৈরি বা ঠিকভাবে প্রস্তুত করা হয়নি।’ বর্তমানে সেখানে একটি কবরের জন্য প্রায় ৫০০ শেকেল (১৬৭ ডলার) খরচ হয়। কিন্তু ওমরের পরিবারের পক্ষে এই অর্থ দেয়া সম্ভব ছিল না। তাই তাদের অন্য ব্যবস্থা করতে হয়। ওমর বলেন, ‘নতুন কবরের জন্য কোনও জায়গাই নেই। তাই আমাদের দাদার কবরে তাকে দাফন করতে হয়েছে।’

আল জাজিরা বলছে, গাজায় সেবা ও অবকাঠামো ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়া এবং ইসরায়েলি হামলার ঝুঁকির কারণে যুদ্ধের সময় হাজার হাজার নিহত ফিলিস্তিনিকে ‘নিখোঁজ’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তাদের অনেককে বাগান, তাঁবু, বাস্তুচ্যুতদের শিবির, স্কুল কিংবা হাসপাতালের চত্বরে দাফন করা হয়েছে। ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর গাজায় ইসরায়েলি হামলা কিছুটা কমে আসে। এরপর ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপ কিংবা অস্থায়ী কবরস্থান থেকে স্বজনদের মরদেহ উদ্ধার করতে শুরু করে পরিবারগুলো।

যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে অন্তত ১ হাজার ২০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তাদের প্রত্যেকের জন্যই এখন কবরের জায়গা প্রয়োজন। গাজার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হাসপাতালের চত্বরে থাকা সাতটি গণকবর থেকে ৫২৯ ফিলিস্তিনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ইসরায়েলি হামলা কিছুটা কমে আসার সুযোগে ওমরের পরিবারও মোহাম্মদের মরদেহ কবর থেকে তুলে নিয়ে চূড়ান্তভাবে দাফনের জন্য একটি কবরস্থানে নিয়ে যায়। তবে কবরের সংকট শুধু ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর নিহত ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনির কারণে তৈরি হয়নি। ইসরায়েলি হামলায় কবরস্থান ধ্বংস হওয়াও এর অন্যতম কারণ।

গাজার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ৪০টির বেশি কবরস্থান ধ্বংস হয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনী তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোর কবরস্থানে প্রবেশের ওপরও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। ফলে পরিবারগুলোর জন্য দাফনের জায়গা আরও কমে গেছে। ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ ও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির কারণে লাখ লাখ ফিলিস্তিনি ইতোমধ্যে ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। ফলে আগে কবরস্থানের জন্য নির্ধারিত অনেক জায়গাই এখন বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে। গাজার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কবরের ফলকসহ বিভিন্ন উপকরণের সংকটের কারণে এখন একটি মরদেহ দাফনে ৭০০ থেকে ১ হাজার শেকেল (২৩৫ থেকে ৩৩৫ ডলার) পর্যন্ত খরচ হচ্ছে।

এছাড়া কবরের ফলক যথাযথভাবে তৈরির মতো অর্থ জোগাড় না হওয়া পর্যন্ত ধ্বংস হওয়া ভবনের ইট-পাথর, কাদা কিংবা ঢেউটিন দিয়ে অস্থায়ীভাবে কবর চিহ্নিত করা হচ্ছে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের গণমাধ্যম কর্মকর্তা ইকরামি আল-মাদালাল বলেন, যুদ্ধ শুরুর আগেই গাজার ৬০টি কবরস্থানের অনেকগুলো প্রায় পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল। তিনি আল জাজিরাকে বলেন, ‘দাফনের জায়গার সংকটের কারণে আমাদের নতুন কবরস্থান তৈরি করতে হবে।’ মন্ত্রণালয় নতুন কবরস্থানের জন্য জায়গা খুঁজছে। পাশাপাশি অস্থায়ীভাবে দাফন করা মরদেহগুলো কবরস্থানে স্থানান্তর করাও কর্তৃপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আল-মাদালাল বলেন, ‘মরদেহ স্থানান্তর ইচ্ছেমতো করা যাবে না। এ জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়, স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।’