ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
৩ দাবি মানলে ঢাকা শহরে আর ককটেল ফুটবে না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী একজন অপদার্থকে বিদ্যুৎমন্ত্রী বানিয়ে রাখা হয়েছে: জামায়াত আমির পড়তে-লিখতে জানেন না, শুনে শুনে ৭১ বছরে পুরো কোরআন হিফজ! সিঙ্গাপুরের ৬১তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে সংবর্ধনায় জামায়াত নেতারা জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি নাহিদ ইসলামের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের ২ দিন পর শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার বিশ্ববাজারে তৃতীয় দফায় তেলের দামে বড় পতন মোহনপুরে বিধবা নারীকে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জে মসজিদে সোফা বসিয়ে সংসদ সদস্যের সভা দেশের ইতিহাসে বড় আকারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে

সাভারে সড়ক দুর্ঘটনায় গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক বিভাগীয় প্রধান আখতার-উল-আলম নিহত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:২২:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩২৮ বার পড়া হয়েছে

সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) ইংরেজি বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আখতার-উল-আলম (৫০) সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। রোববার (২৩ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে ধামরাইয়ের ভাড়ারিয়া রোডে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সকাল ৮টার দিকে আমতলা বাজার থেকে ঢুলিভিটা যাওয়ার উদ্দেশ্যে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় রওনা দেন আখতার-উল-আলম। পথিমধ্যে ভাড়ারিয়া রোডে পৌঁছালে অটোরিকশাটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে প্রথমে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। সেখানকার চিকিৎসকেরা অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে দ্রুত গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেওয়ার পরামর্শ দেন। সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের রেজিস্ট্রার ডা. রতনগীর কবীর বলেন, “মাল্টিপল ইঞ্জুরিসহ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় তাকে আনা হয়। হাসপাতালে আনার পরও একবার রেসপন্স করেছিলেন। তিনি প্রায় ৩০ মিনিট জীবিত ছিলেন।”

দুপুর বারোটার দিকে মরদেহ গণ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আনা হলে সহকর্মী ও শিক্ষার্থীরা শোকে ভেঙে পড়েন। জানাজা শেষে মরদেহ দাফনের জন্য নেওয়া হয় তার জন্মস্থান টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য, মোহাম্মদ আখতার-উল-আলম টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার সন্তান। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। ২০০৬ সালে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন এবং পরবর্তীতে বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও এক শিশু পুত্র রেখে গেছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

৩ দাবি মানলে ঢাকা শহরে আর ককটেল ফুটবে না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাভারে সড়ক দুর্ঘটনায় গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক বিভাগীয় প্রধান আখতার-উল-আলম নিহত

আপডেট সময় ০৮:২২:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) ইংরেজি বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আখতার-উল-আলম (৫০) সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। রোববার (২৩ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে ধামরাইয়ের ভাড়ারিয়া রোডে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সকাল ৮টার দিকে আমতলা বাজার থেকে ঢুলিভিটা যাওয়ার উদ্দেশ্যে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় রওনা দেন আখতার-উল-আলম। পথিমধ্যে ভাড়ারিয়া রোডে পৌঁছালে অটোরিকশাটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে প্রথমে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। সেখানকার চিকিৎসকেরা অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে দ্রুত গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেওয়ার পরামর্শ দেন। সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের রেজিস্ট্রার ডা. রতনগীর কবীর বলেন, “মাল্টিপল ইঞ্জুরিসহ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় তাকে আনা হয়। হাসপাতালে আনার পরও একবার রেসপন্স করেছিলেন। তিনি প্রায় ৩০ মিনিট জীবিত ছিলেন।”

দুপুর বারোটার দিকে মরদেহ গণ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আনা হলে সহকর্মী ও শিক্ষার্থীরা শোকে ভেঙে পড়েন। জানাজা শেষে মরদেহ দাফনের জন্য নেওয়া হয় তার জন্মস্থান টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য, মোহাম্মদ আখতার-উল-আলম টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার সন্তান। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। ২০০৬ সালে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন এবং পরবর্তীতে বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও এক শিশু পুত্র রেখে গেছেন।