ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
থানার দরজা ভেঙে পালাল ১৭ কিশোর গ্যাং সদস্য যুক্তরাষ্ট্রকে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিল ইরান নবায়ন নয়, গঙ্গা পানিবণ্টন নিয়ে নতুন চুক্তি চায় বাংলাদেশ: পানিসম্পদমন্ত্রী এশিয়ান গেমসে শ্রীলঙ্কাকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিলো বাংলাদেশ নিজেই রোলার চালিয়ে ৩ লাখের বেশি বোতল ফেনসিডিল ধ্বংস করলেন শুভেন্দু জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে আজ বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী ইরাককে সামরিক ঘাঁটি হস্তান্তর করছে তুরস্ক বক্তব্য দেওয়ার সময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন সাবেক শিবির নেতা ‘দেশের অর্থনীতি বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী কীভাবে সাশ্রয় করছেন, এটা কি আপনারা দেখেন না?’ এবার যমুনা এক্সপ্রেসওয়েতে স্লিপার বাসে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৯

যুক্তরাষ্ট্রকে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিল ইরান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:১৩:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

এবার যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটিরোডম্যাপবা কর্মপরিকল্পনা দিয়েছে ইরান। এতে পুরো অঞ্চলে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি, ধাপে ধাপে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং সংঘাত অবসানে বড় পরিসরে আলোচনার সময়সূচির প্রস্তাব রয়েছে বলে আঞ্চলিক কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে। সূত্রগুলোর দাবি, ইরানের প্রস্তাবে আরব প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর হামলা বন্ধের বিষয়টিও রয়েছে।

এর আগে ইরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের শর্ত মেনে নিলে সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া সম্ভব হতে পারে। নিউইয়র্কে অবস্থানরত ইরানি কর্মকর্তারা বলেছেন, কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ এখনো রয়েছে। তবে যেকোনো চুক্তিতে ইরানের দাবিগুলো বিবেচনায় নিতে হবে। এর মধ্যে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার বিষয়টিও রয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন কূটনীতির পথের জন্য এখনো উন্মুক্ত। তবে সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনাও তারা ধরে রেখেছে। দুই পক্ষের অবস্থান এখনো বেশ কঠোর। ফলে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছানোর সুযোগ কতটা তৈরি হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

এদিকে কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই ইরান ও দেশটির আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে জড়িত হামলায় আরব উপদ্বীপের আশপাশে জাহাজ চলাচল ও বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা কমানো এবং জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে কাতার পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে কাজ করছে। আলোচনা শুরু হলেও এখন পর্যন্ত যুদ্ধ শেষ করার কোনো চুক্তি ঘোষণা করা হয়নি। উপসাগরীয় দেশগুলো সংঘাতের অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত প্রভাব মোকাবিলা করছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যেও ভিন্ন ধরনের বার্তা পাওয়া যাচ্ছে। নিউইয়র্কে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের আলোচনাকে তিনি ফলপ্রসূ বলে মন্তব্য করেছেন। একই সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির দিকে অগ্রগতি হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন। তবে জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, তার সামনে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো অথবা ইরানের বিরুদ্ধে আরও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পথ রয়েছে। তথ্যসূত্র: গলফ নিউজ

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

থানার দরজা ভেঙে পালাল ১৭ কিশোর গ্যাং সদস্য

যুক্তরাষ্ট্রকে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিল ইরান

আপডেট সময় ১২:১৩:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এবার যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটিরোডম্যাপবা কর্মপরিকল্পনা দিয়েছে ইরান। এতে পুরো অঞ্চলে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি, ধাপে ধাপে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং সংঘাত অবসানে বড় পরিসরে আলোচনার সময়সূচির প্রস্তাব রয়েছে বলে আঞ্চলিক কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে। সূত্রগুলোর দাবি, ইরানের প্রস্তাবে আরব প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর হামলা বন্ধের বিষয়টিও রয়েছে।

এর আগে ইরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের শর্ত মেনে নিলে সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া সম্ভব হতে পারে। নিউইয়র্কে অবস্থানরত ইরানি কর্মকর্তারা বলেছেন, কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ এখনো রয়েছে। তবে যেকোনো চুক্তিতে ইরানের দাবিগুলো বিবেচনায় নিতে হবে। এর মধ্যে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার বিষয়টিও রয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন কূটনীতির পথের জন্য এখনো উন্মুক্ত। তবে সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনাও তারা ধরে রেখেছে। দুই পক্ষের অবস্থান এখনো বেশ কঠোর। ফলে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছানোর সুযোগ কতটা তৈরি হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

এদিকে কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই ইরান ও দেশটির আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে জড়িত হামলায় আরব উপদ্বীপের আশপাশে জাহাজ চলাচল ও বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা কমানো এবং জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে কাতার পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে কাজ করছে। আলোচনা শুরু হলেও এখন পর্যন্ত যুদ্ধ শেষ করার কোনো চুক্তি ঘোষণা করা হয়নি। উপসাগরীয় দেশগুলো সংঘাতের অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত প্রভাব মোকাবিলা করছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যেও ভিন্ন ধরনের বার্তা পাওয়া যাচ্ছে। নিউইয়র্কে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের আলোচনাকে তিনি ফলপ্রসূ বলে মন্তব্য করেছেন। একই সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির দিকে অগ্রগতি হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন। তবে জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, তার সামনে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো অথবা ইরানের বিরুদ্ধে আরও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পথ রয়েছে। তথ্যসূত্র: গলফ নিউজ