ঢাকা , শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
এবার মোদির উচিত দেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে ক্ষমা চাওয়া: কংগ্রেস শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগেও হচ্ছে না কাজ, আরও ৩ দাবি বিক্ষোভকারীদের প্রথমবারের মতো ইরানে হামলা বাহরাইন-কুয়েতের  হুথিরা কোথায় থেকে হামলা চালাচ্ছে খুঁজেই পাচ্ছে না সৌদি আরব ‘ছাত্রশক্তির জয়’—শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর তেলাপোকা পার্টির পোস্ট প্রশ্নফাঁসের প্রথম দিন থেকেই আমি দায় নিয়েছি: ধর্মেন্দ্র প্রধান এক দাবি পূরণ হয়েছে, আরও দুটি মানতে হবে: ককরোচ জনতা পার্টি মানবাধিকারে ইইউর অবস্থানকে ‘ভণ্ডামি’ বলছে ইরান মুক্তির পরই বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে থালাপতির শেষ সিনেমা প্রেমিকাকে কটূক্তি, রণক্ষেত্রে পরিণত বাকৃবি আহত ১৩

দেশের তৌহিদী জনতার ওপর সরকারের প্রচ্ছন্ন সমর্থন রয়েছে: রুমিন ফারহানা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:১৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ২১৫ বার পড়া হয়েছে

দেশের তৌহিদী জনতার ওপর সরকারের প্রচ্ছন্ন সমর্থন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, তৌহিদী জনতা একেক এলাকায় একেক গ্রুপ অব পিপল হতে পারে। তাদের প্রত্যেকের ওপর সরকারের একটা প্রচ্ছন্ন সমর্থন রয়েছে। এখন পর্যন্ত যতগুলো মব সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেছে, সরকারের তরফ থেকে নিন্দা জানানো ছাড়া কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

একটি বেসরকারি টেলিভিশনে টক শোতে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে যখন একের পর এক এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। একটার পর একটা সম্প্রদায় হামলার শিকার হচ্ছে। কখনো বাউল সম্প্রদায়, কখনো আহমেদিয়া সম্প্রদায়, কখনো নারী ফুটবলারদের ওপর হামলা।আবার কখনো নাটক বন্ধের চেষ্টা করছে। একটি ঘটনার পর আরেকটি ঘটনা যেন না ঘটে, সেটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। কিন্তু সরকার কি কাজ করছে বুঝতে পারি না। রুমিন ফারহানা আরো বলেন, এসব কর্মকাণ্ডের প্রধান ভিকটিম হচ্ছেন নারীরা।

কোনো অভিনেত্রী শো রুম উদ্বোধনে যাবেন, সেখানে ঝামেলা করা হচ্ছে। কোনো অভিনেত্রী কিছু অর্গানাইজ করছেন, সেখানে গিয়ে বন্ধ করা হচ্ছে। কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে, সেখানে গিয়েও থামানো হচ্ছে। মেয়েরা ফুটবল খেলবে, সেখানে গিয়ে থামানো হচ্ছে। প্রথম টার্গেট হচ্ছেন নারীরা।

এরপর সমাজের সংখ্যালঘুরা থাকছে টার্গেটে। বিএনপির এই নেত্রী বলেন, পরিসংখ্যান বলছে— ৩৬৫ দিনে ৩৮০টির বেশি মাজারে হামলা হয়েছে। একটি ঘটনারও বিচার হয়নি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে যারা যুক্ত ছিলেন, তারা হয়তো এখন বাড়িতে নেই। তাদের আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতেও হামলা হচ্ছে। গত কয়েকদিন আগেও সাবেক এক সংসদ সদস্যের ভাইয়ের বাড়িতে গিয়ে হামলা করা হয়েছে। ওই বাড়িতে কেবল নারীরাই ছিলেন। তারা বেরিয়ে এসে অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছেন। এই যে একটি ট্রেন্ড আপনি (প্রধান উপদেষ্টা) চালু করলেন, এই ট্রেন্ডটা কি চাইলেন বন্ধ করতে পারবেন? পারবেন তো না। এখন যারা সুবিধাজনক অবস্থায় আছে, তারা যখন ভিন্ন দিকে যাবে কিছুটা অসুবিধাজনক অবস্থায় পড়বে, তখন যে তারা আক্রমণের শিকার হবেন না, এটা তো নিশ্চিতভাবে বলতে পারেন না।

মবের ঘটনায় সরকার সুবিধা নিচ্ছে মন্তব্য কনে তিনি বলেন, সরকারে তো রাজনৈতিক দল নেই। সরকার চায় একটি প্রেসার গ্রুপ তার পক্ষে থাকুক। সরকার যে কথাগুলো বলতে পারে না, যে কাজগুলো করতে চায়, তারা চায় প্রেসার গ্রুপ সেই আওয়াজটা তুলুক। সরকার খুব সহজে ওই কাজটা করে ফেলতে পারে। এই প্রেসার গ্রুপটাকে লালন-পালন করা, তাদের আইনি সাপোর্ট দেওয়া, তারা কোনো রকম বাড়াবাড়ি করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেন তাদের বাধা না দেয়, সেটা নিশ্চিত করা— এই কাজগুলো সরকার করছে। সে কারণে এত বেশি মবের ঘটনা ঘটছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

এবার মোদির উচিত দেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে ক্ষমা চাওয়া: কংগ্রেস

দেশের তৌহিদী জনতার ওপর সরকারের প্রচ্ছন্ন সমর্থন রয়েছে: রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় ১১:১৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

দেশের তৌহিদী জনতার ওপর সরকারের প্রচ্ছন্ন সমর্থন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, তৌহিদী জনতা একেক এলাকায় একেক গ্রুপ অব পিপল হতে পারে। তাদের প্রত্যেকের ওপর সরকারের একটা প্রচ্ছন্ন সমর্থন রয়েছে। এখন পর্যন্ত যতগুলো মব সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেছে, সরকারের তরফ থেকে নিন্দা জানানো ছাড়া কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

একটি বেসরকারি টেলিভিশনে টক শোতে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে যখন একের পর এক এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। একটার পর একটা সম্প্রদায় হামলার শিকার হচ্ছে। কখনো বাউল সম্প্রদায়, কখনো আহমেদিয়া সম্প্রদায়, কখনো নারী ফুটবলারদের ওপর হামলা।আবার কখনো নাটক বন্ধের চেষ্টা করছে। একটি ঘটনার পর আরেকটি ঘটনা যেন না ঘটে, সেটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। কিন্তু সরকার কি কাজ করছে বুঝতে পারি না। রুমিন ফারহানা আরো বলেন, এসব কর্মকাণ্ডের প্রধান ভিকটিম হচ্ছেন নারীরা।

কোনো অভিনেত্রী শো রুম উদ্বোধনে যাবেন, সেখানে ঝামেলা করা হচ্ছে। কোনো অভিনেত্রী কিছু অর্গানাইজ করছেন, সেখানে গিয়ে বন্ধ করা হচ্ছে। কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে, সেখানে গিয়েও থামানো হচ্ছে। মেয়েরা ফুটবল খেলবে, সেখানে গিয়ে থামানো হচ্ছে। প্রথম টার্গেট হচ্ছেন নারীরা।

এরপর সমাজের সংখ্যালঘুরা থাকছে টার্গেটে। বিএনপির এই নেত্রী বলেন, পরিসংখ্যান বলছে— ৩৬৫ দিনে ৩৮০টির বেশি মাজারে হামলা হয়েছে। একটি ঘটনারও বিচার হয়নি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে যারা যুক্ত ছিলেন, তারা হয়তো এখন বাড়িতে নেই। তাদের আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতেও হামলা হচ্ছে। গত কয়েকদিন আগেও সাবেক এক সংসদ সদস্যের ভাইয়ের বাড়িতে গিয়ে হামলা করা হয়েছে। ওই বাড়িতে কেবল নারীরাই ছিলেন। তারা বেরিয়ে এসে অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছেন। এই যে একটি ট্রেন্ড আপনি (প্রধান উপদেষ্টা) চালু করলেন, এই ট্রেন্ডটা কি চাইলেন বন্ধ করতে পারবেন? পারবেন তো না। এখন যারা সুবিধাজনক অবস্থায় আছে, তারা যখন ভিন্ন দিকে যাবে কিছুটা অসুবিধাজনক অবস্থায় পড়বে, তখন যে তারা আক্রমণের শিকার হবেন না, এটা তো নিশ্চিতভাবে বলতে পারেন না।

মবের ঘটনায় সরকার সুবিধা নিচ্ছে মন্তব্য কনে তিনি বলেন, সরকারে তো রাজনৈতিক দল নেই। সরকার চায় একটি প্রেসার গ্রুপ তার পক্ষে থাকুক। সরকার যে কথাগুলো বলতে পারে না, যে কাজগুলো করতে চায়, তারা চায় প্রেসার গ্রুপ সেই আওয়াজটা তুলুক। সরকার খুব সহজে ওই কাজটা করে ফেলতে পারে। এই প্রেসার গ্রুপটাকে লালন-পালন করা, তাদের আইনি সাপোর্ট দেওয়া, তারা কোনো রকম বাড়াবাড়ি করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেন তাদের বাধা না দেয়, সেটা নিশ্চিত করা— এই কাজগুলো সরকার করছে। সে কারণে এত বেশি মবের ঘটনা ঘটছে।