ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পদার্থে দুটি ভুলের পর এবার রসায়ন পরীক্ষায় ৮ সৃজনশীলের ৪টিতেই ভুল! জোড়া গোল করেই পরের ম্যাচে নিষিদ্ধ নেইমার এমপি নজরুলের একের পর এক বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর ভিডিও এতিমখানা থেকে আর্জেন্টিনার জার্সিতে স্বপ্নযাত্রায় ‘কিকি’ রামোস নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের চেষ্টা, ২ মার্কিন কর্মকর্তার ভিসা বাতিল করলো ব্রাজিল নেতানিয়াহুর সমর্থন নিয়ে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থিতা ঘোষণা বলসোনারোর ছেলের যুক্তরাষ্ট্রের ১১ যুদ্ধবিমান-হেলিকপ্টার ও ১৭ ড্রোন ধ্বংসের দাবি ইরানের রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমাতে ১৮ মন্ত্রীর পুলিশ এসকর্ট সুবিধা প্রত্যাহার প্রাণ হারানোর ভয়ে উড়োজাহাজ পাল্টে দ্রুত দেশে ফেরেন ট্রাম্প বাগেরহাটে খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণে আগ্রহী চীন, প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন

বাগেরহাটে খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণে আগ্রহী চীন, প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১৩:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

এবার বাগেরহাটের রামপালে প্রস্তাবিত খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছে একটি চীনা প্রতিনিধি দল। শনিবার বিকেলে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে তারা বিমানবন্দরের নির্ধারিত স্থান ঘুরে দেখেন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে আগ্রহের কথা জানান। শনিবার (২৫ জুলাই) বাগেরহাটের রামপালে প্রস্তাবিত খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে বিকেল সাড়ে ৪টায় প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে একটি চীনা প্রতিনিধি দল।

এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, প্রায় ৩০ বছর আগে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া খুলনামোংলা জাতীয় মহাসড়কের পাশে বাগেরহাট, খুলনা ও মোংলার সমদূরত্বে খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সে সময় প্রকল্পের জন্য ৭৫ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল।

পরবর্তীতে বিভিন্ন জটিলতায় প্রকল্পটির কাজ দীর্ঘদিন স্থবির হয়ে পড়ে। পরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য আরও ৫০০ একরের বেশি জমি অধিগ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ এবং আংশিক ভূমি ভরাটের কাজও সম্পন্ন হয়। তৎকালীন সরকার সরকারিবেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিলেও কোনো বিদেশি কোম্পানি বা দেশ এতে বিনিয়োগে আগ্রহ না দেখানোয় নির্মাণকাজ আর এগোয়নি।

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রকল্পটি বাস্তবায়নে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মিত হলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে। বিশেষ করে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, ব্লু ইকোনমি, ইপিজেড, অর্থনৈতিক অঞ্চল, সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন, পণ্য পরিবহন এবং দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও জানান, বিমানবন্দর নির্মাণে চীন সরকার ইতোমধ্যে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সেই আগ্রহের ধারাবাহিকতায় চীনা প্রতিনিধি দল প্রকল্প এলাকার সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে। পরিদর্শন শেষে চীনা প্রতিনিধি দলের সদস্য মি. পিটার বলেন, ‘আমরা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছি এবং এতে সন্তুষ্ট। বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে আমরা আন্তরিক।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পদার্থে দুটি ভুলের পর এবার রসায়ন পরীক্ষায় ৮ সৃজনশীলের ৪টিতেই ভুল!

বাগেরহাটে খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণে আগ্রহী চীন, প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন

আপডেট সময় ১০:১৩:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

এবার বাগেরহাটের রামপালে প্রস্তাবিত খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছে একটি চীনা প্রতিনিধি দল। শনিবার বিকেলে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে তারা বিমানবন্দরের নির্ধারিত স্থান ঘুরে দেখেন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে আগ্রহের কথা জানান। শনিবার (২৫ জুলাই) বাগেরহাটের রামপালে প্রস্তাবিত খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে বিকেল সাড়ে ৪টায় প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে একটি চীনা প্রতিনিধি দল।

এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, প্রায় ৩০ বছর আগে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া খুলনামোংলা জাতীয় মহাসড়কের পাশে বাগেরহাট, খুলনা ও মোংলার সমদূরত্বে খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সে সময় প্রকল্পের জন্য ৭৫ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল।

পরবর্তীতে বিভিন্ন জটিলতায় প্রকল্পটির কাজ দীর্ঘদিন স্থবির হয়ে পড়ে। পরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য আরও ৫০০ একরের বেশি জমি অধিগ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ এবং আংশিক ভূমি ভরাটের কাজও সম্পন্ন হয়। তৎকালীন সরকার সরকারিবেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিলেও কোনো বিদেশি কোম্পানি বা দেশ এতে বিনিয়োগে আগ্রহ না দেখানোয় নির্মাণকাজ আর এগোয়নি।

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রকল্পটি বাস্তবায়নে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মিত হলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে। বিশেষ করে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, ব্লু ইকোনমি, ইপিজেড, অর্থনৈতিক অঞ্চল, সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন, পণ্য পরিবহন এবং দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও জানান, বিমানবন্দর নির্মাণে চীন সরকার ইতোমধ্যে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সেই আগ্রহের ধারাবাহিকতায় চীনা প্রতিনিধি দল প্রকল্প এলাকার সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে। পরিদর্শন শেষে চীনা প্রতিনিধি দলের সদস্য মি. পিটার বলেন, ‘আমরা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছি এবং এতে সন্তুষ্ট। বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে আমরা আন্তরিক।