ঢাকা , বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাসচাপায় আহত সেনাসদস্য, নিহত স্ত্রী ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন মোদি ভারত-পাকিস্তানের জাহাজসহ ৪৫টি নৌযান ইরানের কালো তালিকায় অপরাধ ঘটলেই গ্রেপ্তার হচ্ছে, এটাই সরকারের কৃতিত্ব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রংপুরের ঘটনায় দ্রুত সময়ে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতে বাংলাভাষী মুসলিমসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন নিয়ে জাতিসংঘের কড়া বার্তা সব হারানো জহুরার ঘর এখন জরাজীর্ণ যাত্রীছাউনি ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিলেই পারমাণবিক প্রযুক্তি পাবে সৌদি আরব: ট্রাম্প মাঠের মধ্যেই ভারত-শ্রীলঙ্কার খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতি গণ’হ*ত্যা’র ৯ বছর পরও যে কারণে মিয়ানমারে ফিরতে চান তারা

আমার আর বোধ হয় চাকরি করা হলো না: এসপির আবেগঘন পোস্ট

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

এবার খাগড়াছড়ির এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত করার পর ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন এসবির সুপারনিউমারারি পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম।  মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) তাকে খাগড়াছড়ির এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত করা হয়। এর পর ফেসবুকে একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন এই পুলিশ সুপার।

ফেসবুক পোস্টে মো. রেজাউল করিম লেখেন, আমি সংযুক্ত: আমার কাজ আর বাংলাদেশ পুলিশের প্রয়োজন নেই। পুলিশ ডিপার্টমেন্টে কেন ভালো কাজ করতে অফিসাররা উৎসাহিত হন না, তার আরেকটা উদাহরণ তৈরি হলো আমার পোস্টিং দিয়ে। আলহামদুলিল্লাহ, বিগত ১৫ বছরের চাকরিতে ৯ বছর ছিলাম ডাম্পিং পোস্টিংয়ে, কিছুই মনে করিনি, এখনো মনে করব না।

শুধু এটুকুই বলব, এই ডিপার্টমেন্ট তেলবাজদের জন্যই ফিট। আমার মতো উচিত কথা বলা, সাহস নিয়ে সত্য বলা, নিয়ম মেনে কাজ করা অফিসারের কদর এই ডিপার্টমেন্ট করতে পারবে না। ১০০% সততা, স্বচ্ছতা নিয়ে কাজ করেও যদি এই রেজাল্ট পেতে হয়, তাহলে আর আমার কিচ্ছু বলার নাই। এই ডিপার্টমেন্ট আমার জন্য নয়।

তিনি আরও লেখেন, অন্যায়কে মেনে নেওয়ার চেয়ে সংযুক্ত থাকাই শ্রেয়। আমার আর বোধ হয় চাকরি করা হলো না। ভালো থাকবেন সবাই।

ফেসবুকের ওই পোস্টে বিশেষ দ্রটব্য দিয়ে তিনি লেখেন, অনেকেই জানতে চাইবেন আসলে কেন এই অর্ডার। আমি যতটুকু জানতে পেরেছি, কয়েক দিন আগে আমাদের পদায়ন নিয়ে যুগান্তরে একটি নিউজ হয়েছিল, সেটা আমি শেয়ার দিয়েছিলাম। আর পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের একজন সিনিয়র অফিসার এটা নিয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করলে আমি তার জবাব দিয়েছিলাম। পরে অবশ্য সেই শেয়ার দেওয়া নিউজ আমি ডিলেট করে দিয়েছিলাম। কিন্তু তারপরও আমাকে সংযুক্ত করা হলো। এটাই বাংলাদেশ পুলিশে কাজের মূল্যায়ন। ভালো থাকুক বাংলাদেশ পুলিশ, ভালো থাকুক সেই সকল তথাকথিত ভালো অফিসাররা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাসচাপায় আহত সেনাসদস্য, নিহত স্ত্রী

আমার আর বোধ হয় চাকরি করা হলো না: এসপির আবেগঘন পোস্ট

আপডেট সময় ১১:৩৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

এবার খাগড়াছড়ির এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত করার পর ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন এসবির সুপারনিউমারারি পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম।  মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) তাকে খাগড়াছড়ির এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত করা হয়। এর পর ফেসবুকে একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন এই পুলিশ সুপার।

ফেসবুক পোস্টে মো. রেজাউল করিম লেখেন, আমি সংযুক্ত: আমার কাজ আর বাংলাদেশ পুলিশের প্রয়োজন নেই। পুলিশ ডিপার্টমেন্টে কেন ভালো কাজ করতে অফিসাররা উৎসাহিত হন না, তার আরেকটা উদাহরণ তৈরি হলো আমার পোস্টিং দিয়ে। আলহামদুলিল্লাহ, বিগত ১৫ বছরের চাকরিতে ৯ বছর ছিলাম ডাম্পিং পোস্টিংয়ে, কিছুই মনে করিনি, এখনো মনে করব না।

শুধু এটুকুই বলব, এই ডিপার্টমেন্ট তেলবাজদের জন্যই ফিট। আমার মতো উচিত কথা বলা, সাহস নিয়ে সত্য বলা, নিয়ম মেনে কাজ করা অফিসারের কদর এই ডিপার্টমেন্ট করতে পারবে না। ১০০% সততা, স্বচ্ছতা নিয়ে কাজ করেও যদি এই রেজাল্ট পেতে হয়, তাহলে আর আমার কিচ্ছু বলার নাই। এই ডিপার্টমেন্ট আমার জন্য নয়।

তিনি আরও লেখেন, অন্যায়কে মেনে নেওয়ার চেয়ে সংযুক্ত থাকাই শ্রেয়। আমার আর বোধ হয় চাকরি করা হলো না। ভালো থাকবেন সবাই।

ফেসবুকের ওই পোস্টে বিশেষ দ্রটব্য দিয়ে তিনি লেখেন, অনেকেই জানতে চাইবেন আসলে কেন এই অর্ডার। আমি যতটুকু জানতে পেরেছি, কয়েক দিন আগে আমাদের পদায়ন নিয়ে যুগান্তরে একটি নিউজ হয়েছিল, সেটা আমি শেয়ার দিয়েছিলাম। আর পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের একজন সিনিয়র অফিসার এটা নিয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করলে আমি তার জবাব দিয়েছিলাম। পরে অবশ্য সেই শেয়ার দেওয়া নিউজ আমি ডিলেট করে দিয়েছিলাম। কিন্তু তারপরও আমাকে সংযুক্ত করা হলো। এটাই বাংলাদেশ পুলিশে কাজের মূল্যায়ন। ভালো থাকুক বাংলাদেশ পুলিশ, ভালো থাকুক সেই সকল তথাকথিত ভালো অফিসাররা।