ঢাকা , শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ, পূজা চেরির বাবা গ্রেপ্তার উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর স্মার্টফোনের ন্যূনতম দাম ২৫০০ টাকার মধ্যে আনতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে ‘স্থায়ী শান্তি’ আসবে না: রাশিয়া হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির আজহারী ও জারার ছবি ব্যবহার করে যৌন উত্তেজক ওষুধের বিজ্ঞাপন, গ্রেপ্তার ১০ নিজেদের সক্ষমতার সামান্যই ব্যবহার করেছে ইরান, নিচ্ছে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নির্মূলে কাজ করতে হবে: মির্জা ফখরুল ৭২-এর সংবিধান মোতাবেক শেখ হাসিনা এখনও দেশের প্রধানমন্ত্রী: ব্যারিস্টার ফুয়াদ ‘যেই বিএনপির জন্ম হয়েছে গণভোটের মাধ্যমে, তারাই আজ গণভোটকে অস্বীকার করছে’

কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপে অনাগ্রহী ট্রাম্প প্রশাসন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৭:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩৪৭ বার পড়া হয়েছে

মোদি- ট্রাম্প

কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র জোর করে কোনো পদক্ষেপ নিতে আগ্রহী নয় বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তার ভাষ্য, এটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি প্রত্যক্ষ সমস্যা এবং সমাধানের দায়িত্বও তাদের নিজেদের কাঁধেই বহন করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সংবাদ সম্মেলনে ওই মার্কিন কর্মকর্তা জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে অনেক জটিল আন্তর্জাতিক ইস্যু রয়েছে। তবে ভারত বা পাকিস্তান চাইলে তিনি সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত থাকবেন। যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হবে ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির ভিত্তিতে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণেও ট্রাম্প ভারত-পাকিস্তানের সাম্প্রতিক সংঘাত বন্ধের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। পররাষ্ট্র দপ্তরের ওই কর্মকর্তা বলেন, সংকটকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রেখেছিল।

প্রসঙ্গত, ২২ এপ্রিল পহেলগামে হামলায় ২৬ জন পর্যটক নিহত হওয়ার পর ভারত পাকিস্তানকে দায়ী করে। এর প্রতিক্রিয়ায় ভারত ৭ মে ‘অপারেশন সিন্দুর’ শুরু করে এবং পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে হামলা চালায়। পাল্টা জবাব দেয় পাকিস্তানও। কয়েকদিনের সংঘাতের পর যুদ্ধবিরতি হয়, যা নিয়ে ট্রাম্প দাবি করেন যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেছে।

তবে নয়াদিল্লি এ দাবি নাকচ করেছে। ভারতের মতে, যুদ্ধবিরতি হয়েছিল দুই দেশের সেনাবাহিনীর সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে, কোনো তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতায় নয়। পাকিস্তানও পহেলগাম হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।

কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের অবস্থান সবসময়ই স্পষ্ট—এটি একটি দ্বিপাক্ষিক সমস্যা, যেখানে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ কাম্য নয়। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রও এখন একই সুরে বলছে, সমাধানের ভার দুই প্রতিবেশী দেশের হাতেই থাকবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ, পূজা চেরির বাবা গ্রেপ্তার

কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপে অনাগ্রহী ট্রাম্প প্রশাসন

আপডেট সময় ১০:৫৭:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র জোর করে কোনো পদক্ষেপ নিতে আগ্রহী নয় বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তার ভাষ্য, এটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি প্রত্যক্ষ সমস্যা এবং সমাধানের দায়িত্বও তাদের নিজেদের কাঁধেই বহন করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সংবাদ সম্মেলনে ওই মার্কিন কর্মকর্তা জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে অনেক জটিল আন্তর্জাতিক ইস্যু রয়েছে। তবে ভারত বা পাকিস্তান চাইলে তিনি সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত থাকবেন। যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হবে ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির ভিত্তিতে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণেও ট্রাম্প ভারত-পাকিস্তানের সাম্প্রতিক সংঘাত বন্ধের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। পররাষ্ট্র দপ্তরের ওই কর্মকর্তা বলেন, সংকটকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রেখেছিল।

প্রসঙ্গত, ২২ এপ্রিল পহেলগামে হামলায় ২৬ জন পর্যটক নিহত হওয়ার পর ভারত পাকিস্তানকে দায়ী করে। এর প্রতিক্রিয়ায় ভারত ৭ মে ‘অপারেশন সিন্দুর’ শুরু করে এবং পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে হামলা চালায়। পাল্টা জবাব দেয় পাকিস্তানও। কয়েকদিনের সংঘাতের পর যুদ্ধবিরতি হয়, যা নিয়ে ট্রাম্প দাবি করেন যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেছে।

তবে নয়াদিল্লি এ দাবি নাকচ করেছে। ভারতের মতে, যুদ্ধবিরতি হয়েছিল দুই দেশের সেনাবাহিনীর সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে, কোনো তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতায় নয়। পাকিস্তানও পহেলগাম হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।

কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের অবস্থান সবসময়ই স্পষ্ট—এটি একটি দ্বিপাক্ষিক সমস্যা, যেখানে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ কাম্য নয়। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রও এখন একই সুরে বলছে, সমাধানের ভার দুই প্রতিবেশী দেশের হাতেই থাকবে।