ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হাদির দ্রুত ফেরার সম্ভাবনা নেই, লম্বা সময় থাকতে হতে পারে আইসিইউতে: ডা. রাফি ব্রেনের ফোলা কমেনি, জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ওসমান হাদি: চিকিৎসক হাদির অবস্থা এখনও সংকটাপন্ন, অপারেশনের অপেক্ষায় ডাক্তাররা বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ ছাত্রদল নেতা আটক ফয়াসলই আমাকে হাদির কাছে নিয়ে গিয়েছিল: ফয়সালের সহযোগী জামায়াত যুদ্ধের বিরুদ্ধে ছিল না, ছিল ভারতের বিরুদ্ধে : আমির হামজা মুক্তিযুদ্ধ ও ইসলামের নামে দেশকে বিভাজন করা যাবে না ফিরছেন তারেক রহমান, বাসভবন-অফিস প্রস্তুত বিজয় দিবসের সরকারি অনুষ্ঠানে বিএনপির দলীয় স্লোগান, ইউএনওর বাধা ওসমান হাদিকে গুলি করা ফয়সালের সহযোগী কবির ৭ দিনের রিমান্ডে

“উপহার দান: সুন্নত অনুসরণে হৃদ্যতা ও ভালোবাসা বৃদ্ধি”

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:২১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ৮৭ বার পড়া হয়েছে

ইসলামে উপহার দেওয়া একটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় কাজ। এটি কেবল পারস্পরিক ভালোবাসা বাড়ায় না, সম্পর্ককে দৃঢ় করে এবং ভুল-বিভেদ দূর করতেও সাহায্য করে। উপহার শুধু একটি বস্তু নয়; এটি হৃদয়ের দরজা খুলে দেয় এবং মানুষকে মানুষে আরও কাছে নিয়ে আসে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে উপহার গ্রহণ করতেন এবং অন্যদেরও উপহার প্রদানে উৎসাহিত করেছিলেন। উপহার আদান-প্রদান রাসুল (সা.)-এর সুন্নতের অংশ। জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীও এই সুন্নত অনুসরণ করতে উৎসাহিত করেছেন। তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে লিখেছেন, “উপহার—দূরত্ব কমিয়ে ভালোবাসার বন্ধনকে সুদৃঢ় করে এবং হৃদ্যতা প্রগাঢ় করে। পরস্পর উপহার বিনিময়ের এই নববী সুন্নাহ ছড়িয়ে পড়ুক সর্বত্র।”

পোস্টে হাদিসের একটি বাণীও উদ্ধৃত করেছেন, যা হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। সেখানে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—
“তোমরা একে-অপরকে হাদিয়া (উপহার) দাও এবং ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হও।” (আল আদাবুল মুফরাদ ৫৯৭)

মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর এই পোস্টে ৫৮ হাজারের বেশি ফলোয়ার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, তিন হাজারের বেশি মানুষ মন্তব্য করেছেন এবং ১০ হাজারের বেশি মানুষ পোস্টটি শেয়ার করেছেন। অনেকেই মন্তব্যে লিখেছেন—‘উপহারে ভালবাসা বাড়ে, তাই আসুন একে অন্যকে উপহার দিই’। কেউ লিখেছেন, ‘একটি মাত্র উপহার শত্রুদের মধ্যেও বন্ধুত্ব তৈরি করতে পারে।’

অন্য একজন মন্তব্যে জানিয়েছেন, “ইচ্ছেমত আমার আপনজনদের উপহার দিতে পারি না। যা পারি তাই দিয়ে থাকি, তবে আমার রব তো অভাবমুক্ত কারো মুখাপেক্ষী নন। তিনি আমার আপনজনদের জন্য দুনিয়াবি সব ফেতনা থেকে হেফাজত করুন, উত্তম হায়াত এবং রিজিক দান করুন, উত্তম ইবাদতের জন্য সাহায্য করুন। যা তাদের কল্যাণকর, তা দান করুন এবং যা অকল্যাণকর, তা থেকে হেফাজত করুন।”

এভাবেই ইসলামি সুন্নতের মাধ্যমে উপহার প্রদানের মাধ্যমে সম্পর্ক সুদৃঢ় করা, হৃদ্যতা বৃদ্ধি এবং ভালোবাসার বন্ধনকে আরও প্রগাঢ় করার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া যায়।


 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হাদির দ্রুত ফেরার সম্ভাবনা নেই, লম্বা সময় থাকতে হতে পারে আইসিইউতে: ডা. রাফি

“উপহার দান: সুন্নত অনুসরণে হৃদ্যতা ও ভালোবাসা বৃদ্ধি”

আপডেট সময় ০৭:২১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

ইসলামে উপহার দেওয়া একটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় কাজ। এটি কেবল পারস্পরিক ভালোবাসা বাড়ায় না, সম্পর্ককে দৃঢ় করে এবং ভুল-বিভেদ দূর করতেও সাহায্য করে। উপহার শুধু একটি বস্তু নয়; এটি হৃদয়ের দরজা খুলে দেয় এবং মানুষকে মানুষে আরও কাছে নিয়ে আসে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে উপহার গ্রহণ করতেন এবং অন্যদেরও উপহার প্রদানে উৎসাহিত করেছিলেন। উপহার আদান-প্রদান রাসুল (সা.)-এর সুন্নতের অংশ। জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীও এই সুন্নত অনুসরণ করতে উৎসাহিত করেছেন। তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে লিখেছেন, “উপহার—দূরত্ব কমিয়ে ভালোবাসার বন্ধনকে সুদৃঢ় করে এবং হৃদ্যতা প্রগাঢ় করে। পরস্পর উপহার বিনিময়ের এই নববী সুন্নাহ ছড়িয়ে পড়ুক সর্বত্র।”

পোস্টে হাদিসের একটি বাণীও উদ্ধৃত করেছেন, যা হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। সেখানে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—
“তোমরা একে-অপরকে হাদিয়া (উপহার) দাও এবং ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হও।” (আল আদাবুল মুফরাদ ৫৯৭)

মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর এই পোস্টে ৫৮ হাজারের বেশি ফলোয়ার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, তিন হাজারের বেশি মানুষ মন্তব্য করেছেন এবং ১০ হাজারের বেশি মানুষ পোস্টটি শেয়ার করেছেন। অনেকেই মন্তব্যে লিখেছেন—‘উপহারে ভালবাসা বাড়ে, তাই আসুন একে অন্যকে উপহার দিই’। কেউ লিখেছেন, ‘একটি মাত্র উপহার শত্রুদের মধ্যেও বন্ধুত্ব তৈরি করতে পারে।’

অন্য একজন মন্তব্যে জানিয়েছেন, “ইচ্ছেমত আমার আপনজনদের উপহার দিতে পারি না। যা পারি তাই দিয়ে থাকি, তবে আমার রব তো অভাবমুক্ত কারো মুখাপেক্ষী নন। তিনি আমার আপনজনদের জন্য দুনিয়াবি সব ফেতনা থেকে হেফাজত করুন, উত্তম হায়াত এবং রিজিক দান করুন, উত্তম ইবাদতের জন্য সাহায্য করুন। যা তাদের কল্যাণকর, তা দান করুন এবং যা অকল্যাণকর, তা থেকে হেফাজত করুন।”

এভাবেই ইসলামি সুন্নতের মাধ্যমে উপহার প্রদানের মাধ্যমে সম্পর্ক সুদৃঢ় করা, হৃদ্যতা বৃদ্ধি এবং ভালোবাসার বন্ধনকে আরও প্রগাঢ় করার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া যায়।