ঢাকা , শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ওয়াকআউট না করে নেতানিয়াহুর বক্তব্য শুনেছে যে দুই মুসলিম দেশ বিয়ের জন্য ১২ ঘণ্টার প্যারোল, নববধূকে রেখে আবার কারাগারে ফিরলেন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বর ‘এই বয়সে এসে বিয়ের তাগিদও অনুভব করি না’, কেন বললেন রাইমা সেন? নাটোরে শিশুর আঙুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে যখন যে সরকারে থাকে, আইসাই বলে আইনশৃঙ্খলা আগের চেয়ে ভালো: জামায়াত আমির ইরান যুদ্ধ থামাতে যুক্তরাষ্ট্রকে সংলাপে ফেরার আহ্বান শি জিনপিংয়ের তারেক রহমানের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক অডিও ফাঁসের ঘটনায় ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসি রিমান্ডে আচারের টক-ঝাল নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ ১৫ হাজার টাকার দলিলে ২ লাখ টাকা ঘুষ, এরপর কমিশনও ২০ হাজার

পবিত্র কাবা শরীফ ধোয়া হবে ৩০ জুন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:২৫:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • ৩৩১ বার পড়া হয়েছে

এবার পবিত্র কাবা শরীফ ধৌতকরণের ঐতিহ্যবাহী উৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ৩০ জুন । প্রতি বছরের মতো এবারও  ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে এই পবিত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। ইতিমধ্যেই এই ধৌতকরণ উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। গত রাতে এশার নামাজের পর পবিত্র কাবার দরজার গিলাফের অংশটি ওপরে তুলে দেওয়া হয়েছে, যাতে ধৌতকরণের সময় ভেতরে যাতায়াত করতে কোনো সমস্যা না হয়। মূলত প্রতি বছর ফজরের নামাজের পর এই ঐতিহ্যবাহী ধৌতকরণ উৎসব শুরু হয়।

পবিত্র কাবা শরিফ ধৌতকরণের এই রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে মুসলিম বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব, আলেম, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা অংশ নিয়ে থাকেন। সৌদি আরবের বাদশাহ অথবা তার নিযুক্ত কোনো বিশেষ প্রতিনিধি এই অনুষ্ঠানের নেতৃত্ব দেন। কাবার ভেতরের দেয়াল ও মেঝে ধোয়ার এই কাজটি একই সাথে একটি শারীরিক ও আধ্যাত্মিক দায়িত্ব, যা বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মুসলমানের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।

এই ধৌতকরণ প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করা হয় জমজমের পানি এবং সুগন্ধি তৈরিতে ব্যবহৃত দামি উদ ও গোলাপ জল। বিশেষ করে তায়েফের বাগান থেকে সংগৃহীত গোলাপ দিয়ে তৈরি করা হয় এই বিশেষ গোলাপ জল। কাবার ভেতরের দেয়াল ও মেঝে সুবাসিত করতে এবার ৪০ লিটার জমজমের পানি দুটি রুপার পাত্রে রাখা হয়েছে। এর সাথে মেশানো হবে ৫৪০ মিলিলিটার তায়েফি গোলাপ জল, ২৪ মিলিলিটার প্রিমিয়াম কোয়ালিটির গোলাপ তেল, ২৪ মিলিলিটার খাঁটি উদ তেল এবং ৩ মিলিলিটার কস্তুরী।

সাধারণত বছরে দুইবার কাবা শরিফ ধোয়ার এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমবার পবিত্র রমজান মাসের আগে এবং দ্বিতীয়বার পবিত্র হজ শেষ হওয়ার পর মহররম মাসের শুরুতে। কাবার ভেতরে প্রবেশের সুযোগ সীমিত হলেও এই উৎসবের ছবি ও ভিডিও চিত্র যখন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে, তখন তা বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের মনে এক গভীর আধ্যাত্মিক আবহ তৈরি করে। সূত্র : দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ওয়াকআউট না করে নেতানিয়াহুর বক্তব্য শুনেছে যে দুই মুসলিম দেশ

পবিত্র কাবা শরীফ ধোয়া হবে ৩০ জুন

আপডেট সময় ০১:২৫:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

এবার পবিত্র কাবা শরীফ ধৌতকরণের ঐতিহ্যবাহী উৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ৩০ জুন । প্রতি বছরের মতো এবারও  ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে এই পবিত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। ইতিমধ্যেই এই ধৌতকরণ উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। গত রাতে এশার নামাজের পর পবিত্র কাবার দরজার গিলাফের অংশটি ওপরে তুলে দেওয়া হয়েছে, যাতে ধৌতকরণের সময় ভেতরে যাতায়াত করতে কোনো সমস্যা না হয়। মূলত প্রতি বছর ফজরের নামাজের পর এই ঐতিহ্যবাহী ধৌতকরণ উৎসব শুরু হয়।

পবিত্র কাবা শরিফ ধৌতকরণের এই রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে মুসলিম বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব, আলেম, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা অংশ নিয়ে থাকেন। সৌদি আরবের বাদশাহ অথবা তার নিযুক্ত কোনো বিশেষ প্রতিনিধি এই অনুষ্ঠানের নেতৃত্ব দেন। কাবার ভেতরের দেয়াল ও মেঝে ধোয়ার এই কাজটি একই সাথে একটি শারীরিক ও আধ্যাত্মিক দায়িত্ব, যা বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মুসলমানের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।

এই ধৌতকরণ প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করা হয় জমজমের পানি এবং সুগন্ধি তৈরিতে ব্যবহৃত দামি উদ ও গোলাপ জল। বিশেষ করে তায়েফের বাগান থেকে সংগৃহীত গোলাপ দিয়ে তৈরি করা হয় এই বিশেষ গোলাপ জল। কাবার ভেতরের দেয়াল ও মেঝে সুবাসিত করতে এবার ৪০ লিটার জমজমের পানি দুটি রুপার পাত্রে রাখা হয়েছে। এর সাথে মেশানো হবে ৫৪০ মিলিলিটার তায়েফি গোলাপ জল, ২৪ মিলিলিটার প্রিমিয়াম কোয়ালিটির গোলাপ তেল, ২৪ মিলিলিটার খাঁটি উদ তেল এবং ৩ মিলিলিটার কস্তুরী।

সাধারণত বছরে দুইবার কাবা শরিফ ধোয়ার এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমবার পবিত্র রমজান মাসের আগে এবং দ্বিতীয়বার পবিত্র হজ শেষ হওয়ার পর মহররম মাসের শুরুতে। কাবার ভেতরে প্রবেশের সুযোগ সীমিত হলেও এই উৎসবের ছবি ও ভিডিও চিত্র যখন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে, তখন তা বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের মনে এক গভীর আধ্যাত্মিক আবহ তৈরি করে। সূত্র : দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন