ঢাকা , বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিগত ১৮ বছরে লোভ–লালসায় পা দিইনি: তথ্যমন্ত্রী পার্থ স্বৈরাচারের সময়ে বাপেক্সকে পঙ্গু করে রাখা হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী নিজের বি’রুদ্ধে অভি/যোগের প্রমাণ উন্মুক্ত করতে বললেন আসিফ মাহমুদ পে-স্কেল: ৫৩ বছরে ১৩০ থেকে পৌঁছেছে ১ লাখ ৫৬ হাজার বাংলাদেশ থেকে ২ লাখ কর্মী নেওয়ার দাবি নাকচ করল মালয়েশিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বং’স করতে ইরানকে গোপনে ‘ক্ষেপ/ণা/স্ত্র’ সহায়তা করছে রাশিয়া চলন্ত ট্রেনের ক্যান্টিনে নারীকে ধ/র্ষণ, চার পুলিশ সদস্যের বি’রু’দ্ধে ব্যবস্থা গ্যাস না পেয়ে সিএনজি চালকদের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ চিকিৎসাধীন বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন কমলো এলপিজির দাম, সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর

পবিত্র কাবা শরীফ ধোয়া হবে ৩০ জুন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:২৫:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • ২৯৩ বার পড়া হয়েছে

এবার পবিত্র কাবা শরীফ ধৌতকরণের ঐতিহ্যবাহী উৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ৩০ জুন প্রতি বছরের মতো এবারও  ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে এই পবিত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। ইতিমধ্যেই এই ধৌতকরণ উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। গত রাতে এশার নামাজের পর পবিত্র কাবার দরজার গিলাফের অংশটি ওপরে তুলে দেওয়া হয়েছে, যাতে ধৌতকরণের সময় ভেতরে যাতায়াত করতে কোনো সমস্যা না হয়। মূলত প্রতি বছর ফজরের নামাজের পর এই ঐতিহ্যবাহী ধৌতকরণ উৎসব শুরু হয়।

পবিত্র কাবা শরিফ ধৌতকরণের এই রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে মুসলিম বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব, আলেম, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা অংশ নিয়ে থাকেন। সৌদি আরবের বাদশাহ অথবা তার নিযুক্ত কোনো বিশেষ প্রতিনিধি এই অনুষ্ঠানের নেতৃত্ব দেন। কাবার ভেতরের দেয়াল ও মেঝে ধোয়ার এই কাজটি একই সাথে একটি শারীরিক ও আধ্যাত্মিক দায়িত্ব, যা বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মুসলমানের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।

এই ধৌতকরণ প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করা হয় জমজমের পানি এবং সুগন্ধি তৈরিতে ব্যবহৃত দামি উদ ও গোলাপ জল। বিশেষ করে তায়েফের বাগান থেকে সংগৃহীত গোলাপ দিয়ে তৈরি করা হয় এই বিশেষ গোলাপ জল। কাবার ভেতরের দেয়াল ও মেঝে সুবাসিত করতে এবার ৪০ লিটার জমজমের পানি দুটি রুপার পাত্রে রাখা হয়েছে। এর সাথে মেশানো হবে ৫৪০ মিলিলিটার তায়েফি গোলাপ জল, ২৪ মিলিলিটার প্রিমিয়াম কোয়ালিটির গোলাপ তেল, ২৪ মিলিলিটার খাঁটি উদ তেল এবং ৩ মিলিলিটার কস্তুরী।

সাধারণত বছরে দুইবার কাবা শরিফ ধোয়ার এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমবার পবিত্র রমজান মাসের আগে এবং দ্বিতীয়বার পবিত্র হজ শেষ হওয়ার পর মহররম মাসের শুরুতে। কাবার ভেতরে প্রবেশের সুযোগ সীমিত হলেও এই উৎসবের ছবি ও ভিডিও চিত্র যখন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে, তখন তা বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের মনে এক গভীর আধ্যাত্মিক আবহ তৈরি করে। সূত্র : দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিগত ১৮ বছরে লোভ–লালসায় পা দিইনি: তথ্যমন্ত্রী পার্থ

পবিত্র কাবা শরীফ ধোয়া হবে ৩০ জুন

আপডেট সময় ০১:২৫:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

এবার পবিত্র কাবা শরীফ ধৌতকরণের ঐতিহ্যবাহী উৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ৩০ জুন প্রতি বছরের মতো এবারও  ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে এই পবিত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। ইতিমধ্যেই এই ধৌতকরণ উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। গত রাতে এশার নামাজের পর পবিত্র কাবার দরজার গিলাফের অংশটি ওপরে তুলে দেওয়া হয়েছে, যাতে ধৌতকরণের সময় ভেতরে যাতায়াত করতে কোনো সমস্যা না হয়। মূলত প্রতি বছর ফজরের নামাজের পর এই ঐতিহ্যবাহী ধৌতকরণ উৎসব শুরু হয়।

পবিত্র কাবা শরিফ ধৌতকরণের এই রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে মুসলিম বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব, আলেম, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা অংশ নিয়ে থাকেন। সৌদি আরবের বাদশাহ অথবা তার নিযুক্ত কোনো বিশেষ প্রতিনিধি এই অনুষ্ঠানের নেতৃত্ব দেন। কাবার ভেতরের দেয়াল ও মেঝে ধোয়ার এই কাজটি একই সাথে একটি শারীরিক ও আধ্যাত্মিক দায়িত্ব, যা বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মুসলমানের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।

এই ধৌতকরণ প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করা হয় জমজমের পানি এবং সুগন্ধি তৈরিতে ব্যবহৃত দামি উদ ও গোলাপ জল। বিশেষ করে তায়েফের বাগান থেকে সংগৃহীত গোলাপ দিয়ে তৈরি করা হয় এই বিশেষ গোলাপ জল। কাবার ভেতরের দেয়াল ও মেঝে সুবাসিত করতে এবার ৪০ লিটার জমজমের পানি দুটি রুপার পাত্রে রাখা হয়েছে। এর সাথে মেশানো হবে ৫৪০ মিলিলিটার তায়েফি গোলাপ জল, ২৪ মিলিলিটার প্রিমিয়াম কোয়ালিটির গোলাপ তেল, ২৪ মিলিলিটার খাঁটি উদ তেল এবং ৩ মিলিলিটার কস্তুরী।

সাধারণত বছরে দুইবার কাবা শরিফ ধোয়ার এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমবার পবিত্র রমজান মাসের আগে এবং দ্বিতীয়বার পবিত্র হজ শেষ হওয়ার পর মহররম মাসের শুরুতে। কাবার ভেতরে প্রবেশের সুযোগ সীমিত হলেও এই উৎসবের ছবি ও ভিডিও চিত্র যখন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে, তখন তা বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের মনে এক গভীর আধ্যাত্মিক আবহ তৈরি করে। সূত্র : দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন