ঢাকা , সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নির্বাচনে সুযোগ পেলে বাকি জীবন দিয়ে মানুষের ঋণ পরিশোধ করব: নাহিদ ইসলাম রাজনীতিতে সওয়ার হওয়া দুই ভূতকে বিতাড়িত করার আহ্বান মামুনুল হকের তারেক রহমানকে অমানবিক নির্যাতন করেছিল ডিজিএফআই: সাবেক সেনাপ্রধান এলাকার সন্তান হিসেবে সবার কাছে ধানের শীষে ভোট চাই: তারেক রহমান জামায়াতের নিবন্ধন ও আমিরের প্রার্থিতা বাতিল চাইলেন নারী নেত্রীরা: সিইসিকে স্মারকলিপি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে দিয়ে আল্লাহ আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন: মির্জা আব্বাস আমি পার্ট টাইম শিক্ষিকা, ফুল টাইম রাজনীতিবিদ: ট্রলের জবাবে ঢাবি শিক্ষিকা  নিউ ইয়র্কবাসীকে মহানবীর হিজরতের গল্প শোনালেন মেয়র মামদানি মুফতি আমির হামজা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আমরা বিজয় নিয়েই ঘরে ফিরব: নাহিদ ইসলাম

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় খালাস পেলেন জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫
  • ৩৩৫ বার পড়া হয়েছে

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামকে খালাস দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল করে মঙ্গলবার (২৭ মে) এ রায় দেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ।

এর আগে ২০২৪ সালের ৬ ও ৮ মে এ মামলার আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে আজহারুল ইসলামের পক্ষে আইনজীবী শিশির মনির যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন এবং বলেন, তার মক্কেল খালাস পাবেন বলে তারা প্রত্যাশা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ৮ মে রায়ের জন্য ২৭ মে তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রংপুর অঞ্চলে গণহত্যা, হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ, আটক, নির্যাতন, গুরুতর জখম, লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগসহ মোট ছয়টি মানবতাবিরোধী অপরাধে নয় ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছিল।

২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আজহারকে ২, ৩ ও ৪ নম্বর অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ নম্বর অভিযোগে ২৫ বছর এবং ৬ নম্বর অভিযোগে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করে। এরপর ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর আপিল বিভাগ পূর্বের রায় বহাল রাখে।

তবে ২০২০ সালের ১৫ মার্চ আপিল বিভাগের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশের পর আজহারুল ইসলাম রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন। এই আবেদনে তিনি মোট ১৪টি যুক্তি উপস্থাপন করেন। শুনানি শেষে ২০২৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি আপিলের অনুমতি দেন আদালত।

চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ (২৭ মে) সর্বোচ্চ আদালত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল করে তাকে খালাস দেন। এই রায়ের মাধ্যমে একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত এলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনে সুযোগ পেলে বাকি জীবন দিয়ে মানুষের ঋণ পরিশোধ করব: নাহিদ ইসলাম

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় খালাস পেলেন জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম

আপডেট সময় ১০:১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামকে খালাস দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল করে মঙ্গলবার (২৭ মে) এ রায় দেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ।

এর আগে ২০২৪ সালের ৬ ও ৮ মে এ মামলার আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে আজহারুল ইসলামের পক্ষে আইনজীবী শিশির মনির যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন এবং বলেন, তার মক্কেল খালাস পাবেন বলে তারা প্রত্যাশা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ৮ মে রায়ের জন্য ২৭ মে তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রংপুর অঞ্চলে গণহত্যা, হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ, আটক, নির্যাতন, গুরুতর জখম, লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগসহ মোট ছয়টি মানবতাবিরোধী অপরাধে নয় ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছিল।

২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আজহারকে ২, ৩ ও ৪ নম্বর অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ নম্বর অভিযোগে ২৫ বছর এবং ৬ নম্বর অভিযোগে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করে। এরপর ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর আপিল বিভাগ পূর্বের রায় বহাল রাখে।

তবে ২০২০ সালের ১৫ মার্চ আপিল বিভাগের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশের পর আজহারুল ইসলাম রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন। এই আবেদনে তিনি মোট ১৪টি যুক্তি উপস্থাপন করেন। শুনানি শেষে ২০২৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি আপিলের অনুমতি দেন আদালত।

চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ (২৭ মে) সর্বোচ্চ আদালত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল করে তাকে খালাস দেন। এই রায়ের মাধ্যমে একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত এলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।