ঢাকা , রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্তমান সংকটের জন্য বিগত সরকার দায়ী: ডিএসসিসি প্রশাসক নো গ্যাস নো বিল, নো সার্ভিস নো ট্যাক্স: রুমিন ফারহানা ছয় দফা না মানলে সরকার পতনে এক দফা: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কানাডায় ২ শিশুকে ৯ মাস যৌন নিপীড়ন, প্রবাসী আর্ট শিক্ষক গ্রেপ্তার জাতিসংঘে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে বিএনপি নায়ক হতে পারতো, কিন্তু ভিলেনে পরিণত হয়েছে: তাজুল ইসলাম জাতিসংঘে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফিলিস্তিনে ধ্বংসস্তূপ থেকে একই পরিবারের ৫৫ লাশ উদ্ধার ‘আমি চলে গেলে কেউ আমার নাম দেবে না’, তাই সবকিছুতে নিজের নাম দিচ্ছেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে আকস্মিক হামলা চালাতে পারে ইরান

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় খালাস পেলেন জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫
  • ৪০২ বার পড়া হয়েছে

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামকে খালাস দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল করে মঙ্গলবার (২৭ মে) এ রায় দেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ।

এর আগে ২০২৪ সালের ৬ ও ৮ মে এ মামলার আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে আজহারুল ইসলামের পক্ষে আইনজীবী শিশির মনির যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন এবং বলেন, তার মক্কেল খালাস পাবেন বলে তারা প্রত্যাশা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ৮ মে রায়ের জন্য ২৭ মে তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রংপুর অঞ্চলে গণহত্যা, হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ, আটক, নির্যাতন, গুরুতর জখম, লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগসহ মোট ছয়টি মানবতাবিরোধী অপরাধে নয় ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছিল।

২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আজহারকে ২, ৩ ও ৪ নম্বর অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ নম্বর অভিযোগে ২৫ বছর এবং ৬ নম্বর অভিযোগে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করে। এরপর ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর আপিল বিভাগ পূর্বের রায় বহাল রাখে।

তবে ২০২০ সালের ১৫ মার্চ আপিল বিভাগের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশের পর আজহারুল ইসলাম রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন। এই আবেদনে তিনি মোট ১৪টি যুক্তি উপস্থাপন করেন। শুনানি শেষে ২০২৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি আপিলের অনুমতি দেন আদালত।

চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ (২৭ মে) সর্বোচ্চ আদালত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল করে তাকে খালাস দেন। এই রায়ের মাধ্যমে একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত এলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্তমান সংকটের জন্য বিগত সরকার দায়ী: ডিএসসিসি প্রশাসক

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় খালাস পেলেন জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম

আপডেট সময় ১০:১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামকে খালাস দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল করে মঙ্গলবার (২৭ মে) এ রায় দেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ।

এর আগে ২০২৪ সালের ৬ ও ৮ মে এ মামলার আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে আজহারুল ইসলামের পক্ষে আইনজীবী শিশির মনির যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন এবং বলেন, তার মক্কেল খালাস পাবেন বলে তারা প্রত্যাশা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ৮ মে রায়ের জন্য ২৭ মে তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রংপুর অঞ্চলে গণহত্যা, হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ, আটক, নির্যাতন, গুরুতর জখম, লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগসহ মোট ছয়টি মানবতাবিরোধী অপরাধে নয় ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছিল।

২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আজহারকে ২, ৩ ও ৪ নম্বর অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ নম্বর অভিযোগে ২৫ বছর এবং ৬ নম্বর অভিযোগে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করে। এরপর ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর আপিল বিভাগ পূর্বের রায় বহাল রাখে।

তবে ২০২০ সালের ১৫ মার্চ আপিল বিভাগের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশের পর আজহারুল ইসলাম রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন। এই আবেদনে তিনি মোট ১৪টি যুক্তি উপস্থাপন করেন। শুনানি শেষে ২০২৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি আপিলের অনুমতি দেন আদালত।

চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ (২৭ মে) সর্বোচ্চ আদালত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল করে তাকে খালাস দেন। এই রায়ের মাধ্যমে একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত এলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।