ঢাকা , সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইনকিলাব মঞ্চের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা, জায়গা পেলেন ওসমান হাদিও আগে ভোট চুরি হতো এবার বিএনপি ফল চুরি করেছে: হাসনাত আব্দুল্লাহ রক্ত লেখা ইতিহাস কখনো মুছে যায় না: নাহিদ ইসলাম ভারতের দিকে তাক করা চীনের ১১ স্টেলথ যুদ্ধবিমান, স্যাটেলাইট ইমেজে অবাক করা দৃশ্য তিন শিক্ষার্থীকে পে’টা’লে’ন সালাহউদ্দিন আম্মারসহ শিবির নেতারা ৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর ‘চুক্তিভঙ্গ’ করেছে মোদি সরকার, ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ‘তেলাপোকার’ হরমুজ আমাদের নিয়ন্ত্রণে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চাইনি: ইরান সরকার সেই পুরোনো ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে চাচ্ছে: গোলাম পরওয়ার ‘ভালুকার এমপির আমলনামা পড়ে শেষ করতে পারিনি’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

তিন শিক্ষার্থীকে পে’টা’লে’ন সালাহউদ্দিন আম্মারসহ শিবির নেতারা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও এক রাকসু নেতাকে মারধরের ঘটনায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক এক কর্মীসহ তিন শিক্ষার্থীকে দফায় দফায় পিটিয়েছে রাকসু ও শাখা ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে সামনে এ ঘটনা ঘটে।

 

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার সংস্কৃত বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী তার নিজ বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থী মহসিন আলমের বিরুদ্ধে প্রেমের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ায় হুমকির অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গতকাল রাতে একটি সভায় বসেন প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান।

 

এ সময় তার সঙ্গে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৭-১৮ বর্ষের আনাস, একই বিভাগের শিক্ষার্থী হাসিব, সংস্কৃত বিভাগের মাহমুদুল হাসানসহ কয়েকজন সেখানে যায়। পরে তারা অভিযোগটি অস্বীকার করে প্রক্টরের সঙ্গে উচ্চবাচ্য করেন।

 

এ বিষয়ে সোমবার দুপুরে আবারও একটি সভা ডাকেন প্রক্টর। ওই সভায় উপস্থিত হয়ে আনাসকে ছাত্রলীগ কর্মী বলে অভিযোগ করেন রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও এসজিএস সালমান সাব্বিরসহ রাকসুর নেতারা। পরে রাকসু নেতারা আনাসের মোবাইল ফোন চেক করে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ হিল গালিবসহ কয়েকজন নেতার সঙ্গে আনাসের ছবি খুজেঁ পান। পরে তাকে প্রক্টর দপ্তরে আম্মার ও সালমান সাব্বির মারধর করেন। পরে দুপুরেই প্রক্টর বিষয়টির সাময়িক সমাধান করে দেন এবং আনাসসহ বাকিরা প্রক্টর দপ্তর থেকে চলে আসেন।

 

এ ঘটনার জেরে বিকাল তিনটার দিকে আনাস, হাসিব, মাহমুদুলসহ কয়েকজন রাকসু ভবনে ঢুকে আম্মারসহ কয়েকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে রাকসুর তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক নাজমুস সাকিব আহত হন। পরে রাকসু নেতারা তাদের ওপরে পালটা চড়াও হলে সেখান থেকে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পাঠকক্ষের সামনে দুই পক্ষ অবস্থান নেয়।

এক পর্যায়ে সেখানে উপস্থিত হন রাকসু জিএস আম্মার, এজিএস সালমান সাব্বির, বিতর্ক ও সাহিত্য সম্পাদক ইমরান লস্কর, আহত বিএম নাজমুস সাকিব, সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সিফাত আবু সালেহ, শাখা শিবিরের সেক্রেটারি মেহেদী হাসান, প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মেহেদী সজীব, দপ্তর সম্পাদক মানাজির আহাসান, অর্থ সম্পাদক শামীম পাটোয়ারী, সিনেট সদস্য ফজলে রাব্বি মোহাম্মদ ফাহিম রেজা, শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম, শহীদ হবিবুর রহমান হল সংসদের ভিপি আহসানুল্লাহ ফারহান, জিএস আশিক শিকদার, নবাব আব্দুল লতীফ হল জিএস নুরুল ইসলাম শহীদ, শাহ মখদুম হল শাখা শিবিরের সভাপতি তাসনিম রাফি এবং সাবেক শিবির নেতা রমজান আলীসহ অন্যান্যরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইনকিলাব মঞ্চের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা, জায়গা পেলেন ওসমান হাদিও

তিন শিক্ষার্থীকে পে’টা’লে’ন সালাহউদ্দিন আম্মারসহ শিবির নেতারা

আপডেট সময় ১১:০৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও এক রাকসু নেতাকে মারধরের ঘটনায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক এক কর্মীসহ তিন শিক্ষার্থীকে দফায় দফায় পিটিয়েছে রাকসু ও শাখা ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে সামনে এ ঘটনা ঘটে।

 

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার সংস্কৃত বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী তার নিজ বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থী মহসিন আলমের বিরুদ্ধে প্রেমের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ায় হুমকির অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গতকাল রাতে একটি সভায় বসেন প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান।

 

এ সময় তার সঙ্গে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৭-১৮ বর্ষের আনাস, একই বিভাগের শিক্ষার্থী হাসিব, সংস্কৃত বিভাগের মাহমুদুল হাসানসহ কয়েকজন সেখানে যায়। পরে তারা অভিযোগটি অস্বীকার করে প্রক্টরের সঙ্গে উচ্চবাচ্য করেন।

 

এ বিষয়ে সোমবার দুপুরে আবারও একটি সভা ডাকেন প্রক্টর। ওই সভায় উপস্থিত হয়ে আনাসকে ছাত্রলীগ কর্মী বলে অভিযোগ করেন রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও এসজিএস সালমান সাব্বিরসহ রাকসুর নেতারা। পরে রাকসু নেতারা আনাসের মোবাইল ফোন চেক করে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ হিল গালিবসহ কয়েকজন নেতার সঙ্গে আনাসের ছবি খুজেঁ পান। পরে তাকে প্রক্টর দপ্তরে আম্মার ও সালমান সাব্বির মারধর করেন। পরে দুপুরেই প্রক্টর বিষয়টির সাময়িক সমাধান করে দেন এবং আনাসসহ বাকিরা প্রক্টর দপ্তর থেকে চলে আসেন।

 

এ ঘটনার জেরে বিকাল তিনটার দিকে আনাস, হাসিব, মাহমুদুলসহ কয়েকজন রাকসু ভবনে ঢুকে আম্মারসহ কয়েকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে রাকসুর তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক নাজমুস সাকিব আহত হন। পরে রাকসু নেতারা তাদের ওপরে পালটা চড়াও হলে সেখান থেকে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পাঠকক্ষের সামনে দুই পক্ষ অবস্থান নেয়।

এক পর্যায়ে সেখানে উপস্থিত হন রাকসু জিএস আম্মার, এজিএস সালমান সাব্বির, বিতর্ক ও সাহিত্য সম্পাদক ইমরান লস্কর, আহত বিএম নাজমুস সাকিব, সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সিফাত আবু সালেহ, শাখা শিবিরের সেক্রেটারি মেহেদী হাসান, প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মেহেদী সজীব, দপ্তর সম্পাদক মানাজির আহাসান, অর্থ সম্পাদক শামীম পাটোয়ারী, সিনেট সদস্য ফজলে রাব্বি মোহাম্মদ ফাহিম রেজা, শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম, শহীদ হবিবুর রহমান হল সংসদের ভিপি আহসানুল্লাহ ফারহান, জিএস আশিক শিকদার, নবাব আব্দুল লতীফ হল জিএস নুরুল ইসলাম শহীদ, শাহ মখদুম হল শাখা শিবিরের সভাপতি তাসনিম রাফি এবং সাবেক শিবির নেতা রমজান আলীসহ অন্যান্যরা।