ঢাকা , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নেতানিয়াহুর ভাষণ বর্জন করে কাসেম সোলাইমানির ছবি রেখে গেল ইরান আল্লাহর আইন যারা চায়, তাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী অগ্রগামী: জামায়াত আমির ইউক্রেনে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইসরায়েলি কিশোরসহ নিহত ৫ সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক জিয়া মঞ্চের ’জিয়া’ গ্রেপ্তার ইয়াবা দিয়ে বাবা ও মেয়েকে ফাঁসাতে গিয়ে এসআই প্রত্যাহার তুরস্কের নারী প্রতিনিধিদলের সাথে জামায়াতের মতবিনিময় ও সেমিনার নরসিংদী শহরে মদের দোকান বন্ধের দাবি স্থানীয়দের, তালা দিল যুবদল-ছাত্রদল ভেরিফিকেশনের নামে মেধাবীদের হয়রানির দায় সরকারকেই নিতে হবে: জামায়াত টাঙ্গাইলে মাদক ব্যবসায়ির বাড়ি ভেঙে দিল এলাকাবাসী

ছাত্রত্ব না থাকলেও তিতুমীর কলেজের ‘শহীদ মামুন হলে’ অবস্থানের অভিযোগে উত্তপ্ত হল

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:০৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ৪৩০ বার পড়া হয়েছে

সরকারি তিতুমীর কলেজের ‘শহীদ মামুন হলে’ অবৈধভাবে অবস্থান করার অভিযোগ উঠেছে কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জলিল আদিকের বিরুদ্ধে। তিনি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। অভিযোগ রয়েছে, জলিল দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে শহীদ মামুন ছাত্রাবাসের ৭০৩ নম্বর কক্ষে অবস্থান করছেন।

হলে অবস্থানরত একাধিক শিক্ষার্থী তার সেখানে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে সরজমিনে গেলে কক্ষে জলিলকে পাওয়া যায়নি, শুধুমাত্র তার ব্যবহৃত কাপড় ও ব্যক্তিগত সামগ্রী দেখা গেছে। কলেজ প্রশাসনের নিয়ম অনুযায়ী ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের উপরের শিক্ষার্থী হলে অবস্থান করতে পারবেন না।

এই ঘটনার কারণে হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তারা অভিযোগ করেছেন, যারা নিয়মিত শিক্ষার্থী এবং ক্লাস করেছেন, তাদের অনেকেই সিট না পেয়ে বঞ্চিত হয়েছেন, অথচ জলিল রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে অবস্থান করছেন। শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেছেন, কলেজ প্রশাসন এই বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছে।

জলিল আদিক অভিযোগগুলোকে অপপ্রচার দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, “আমি হলে থাকি না, মাঝে মাঝে আড্ডা দিতে যাই। আগে আমি কলেজের বিপরীতে একটি রুম ভাড়া নিয়ে থাকতাম, কিন্তু তখন সবাই হলে উঠে যাওয়ায় আমি একা হয়ে পড়ি। কখনো সকালে, কখনো বিকালে আড্ডা দিই এবং চলে আসি। কয়েকদিন আগে মাত্র এক রাতের জন্য ৭০৩ নম্বর কক্ষে ছিলাম।”

হলের তত্ত্বাবধায়ক ফারুকুল ইসলাম জানিয়েছেন, হলে সব সিট নিয়মিত শিক্ষার্থীদের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। “কিছু অভিযোগ এসেছে যে একজনের সিটে আরেকজন অবস্থান করছে। অছাত্রদের শনাক্ত করতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” সহকারী তত্ত্বাবধায়ক কাজী মোহাম্মদ আল নূরও বলেন, হলে অছাত্র থাকার কোনো সুযোগ নেই এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এর আগে জলিল আদিকের বিরুদ্ধে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীকে মারধরের এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগও ওঠে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নেতানিয়াহুর ভাষণ বর্জন করে কাসেম সোলাইমানির ছবি রেখে গেল ইরান

ছাত্রত্ব না থাকলেও তিতুমীর কলেজের ‘শহীদ মামুন হলে’ অবস্থানের অভিযোগে উত্তপ্ত হল

আপডেট সময় ১০:০৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

সরকারি তিতুমীর কলেজের ‘শহীদ মামুন হলে’ অবৈধভাবে অবস্থান করার অভিযোগ উঠেছে কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জলিল আদিকের বিরুদ্ধে। তিনি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। অভিযোগ রয়েছে, জলিল দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে শহীদ মামুন ছাত্রাবাসের ৭০৩ নম্বর কক্ষে অবস্থান করছেন।

হলে অবস্থানরত একাধিক শিক্ষার্থী তার সেখানে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে সরজমিনে গেলে কক্ষে জলিলকে পাওয়া যায়নি, শুধুমাত্র তার ব্যবহৃত কাপড় ও ব্যক্তিগত সামগ্রী দেখা গেছে। কলেজ প্রশাসনের নিয়ম অনুযায়ী ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের উপরের শিক্ষার্থী হলে অবস্থান করতে পারবেন না।

এই ঘটনার কারণে হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তারা অভিযোগ করেছেন, যারা নিয়মিত শিক্ষার্থী এবং ক্লাস করেছেন, তাদের অনেকেই সিট না পেয়ে বঞ্চিত হয়েছেন, অথচ জলিল রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে অবস্থান করছেন। শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেছেন, কলেজ প্রশাসন এই বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছে।

জলিল আদিক অভিযোগগুলোকে অপপ্রচার দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, “আমি হলে থাকি না, মাঝে মাঝে আড্ডা দিতে যাই। আগে আমি কলেজের বিপরীতে একটি রুম ভাড়া নিয়ে থাকতাম, কিন্তু তখন সবাই হলে উঠে যাওয়ায় আমি একা হয়ে পড়ি। কখনো সকালে, কখনো বিকালে আড্ডা দিই এবং চলে আসি। কয়েকদিন আগে মাত্র এক রাতের জন্য ৭০৩ নম্বর কক্ষে ছিলাম।”

হলের তত্ত্বাবধায়ক ফারুকুল ইসলাম জানিয়েছেন, হলে সব সিট নিয়মিত শিক্ষার্থীদের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। “কিছু অভিযোগ এসেছে যে একজনের সিটে আরেকজন অবস্থান করছে। অছাত্রদের শনাক্ত করতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” সহকারী তত্ত্বাবধায়ক কাজী মোহাম্মদ আল নূরও বলেন, হলে অছাত্র থাকার কোনো সুযোগ নেই এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এর আগে জলিল আদিকের বিরুদ্ধে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীকে মারধরের এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগও ওঠে।