ঢাকা , শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা বাউফলে তিনটি বসতঘর পুড়ে ছাই, প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি ইরানের হরমুজ নিয়ন্ত্রণ: ক্রিপ্টোতে টোল আদায়, ব্যারেল প্রতি গুনতে হবে ১ ডলার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, ফের খুলছে শ্রমবাজার আবু সাঈদের মরদেহে গুলির অস্তিত্ব প্রমাণ হয়নি: আসামিপক্ষের আইনজীবী হেলিকপ্টারে গিয়ে নয়, নিজ কক্ষে বসেই দেখব কোন স্কুলে কী হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী ভোট বর্জন করলেন শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে রাশিয়ান দূতাবাসে মাওলানা মামুনুল হক এই সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচনেই কারচুপি-অনিয়ম ঘটছে: পরওয়ার ‘জঙ্গি এমপি’ অপবাদে খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্যের বিশেষ অধিকারের নোটিশ

ট্রাম্প প্রশাসন থেকে সরে দাঁড়ালেন ইলন মাস্ক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৮:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫
  • ৩৫২ বার পড়া হয়েছে

এবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। মাস্ক গত কয়েক মাস ধরে কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় সংকোচনের একটি বড় প্রকল্প ‘সরকারি দক্ষতা দপ্তর’ (DOGE)-এর নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন।

বুধবার সন্ধ্যায় সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় মাস্ক লিখেছেন, “বিশেষ সরকারি কর্মচারী হিসেবে আমার নির্ধারিত সময় শেষ হয়েছে। আমি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানাই অপচয় রোধে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।”

DOGE-এর মাধ্যমে এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে জানুয়ারিতে ট্রাম্প প্রশাসনে যোগ দেন মাস্ক। তবে দপ্তরের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত সাশ্রয়ের পরিমাণ প্রায় ১৭৫ বিলিয়ন ডলার, যা প্রতিটি করদাতার জন্য গড়ে ১,০৮৮.৯৬ ডলার

একজন হোয়াইট হাউস কর্মকর্তা রয়টার্স ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে মাস্কের পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রে “বিশেষ সরকারি কর্মচারী” হিসেবে কাজ করার মেয়াদ সর্বোচ্চ ১৩০ দিন—এই সীমা পেরিয়েই মাস্ক সরে দাঁড়াচ্ছেন।

মাস্ক একসময় ট্রাম্পকে রাজনৈতিকভাবে সমর্থন জানিয়ে তাঁর প্রচারণায় প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছিলেন। তবে তাঁদের সম্পর্ক কিছুটা শীতল হয়ে পড়ে ২০২৫ সালের শুরু থেকে। মাস্কের বেশ কিছু ব্যয় সংকোচন নীতি ব্যালট রাজ্যগুলোতে ভোটারদের বিরক্ত করেছে।

উইসকনসিন সুপ্রিম কোর্টের একটি নির্বাচনে রক্ষণশীল প্রার্থীর পেছনে ২০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেও মাস্ক পরাজিত হন। এপ্রিল মাসে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট ও এবিসি নিউজ প্রকাশিত এক জরিপে দেখা যায়, ট্রাম্প প্রশাসনে মাস্কের ভূমিকার প্রতি জনসমর্থন মাত্র ৩৫ শতাংশে নেমে এসেছে।

সমালোচনার মুখে মাস্ক ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি রাজনীতিতে অর্থ ব্যয় কমিয়ে আবারো প্রযুক্তি খাতে মনোযোগ দিচ্ছেন। তিনি এক্সে লিখেছেন,“আবারও ২৪ ঘণ্টাই কাজ করবো, অফিসের কনফারেন্স রুম বা ফ্যাক্টরিতেই ঘুমাবো। আমাকে এখন পুরোপুরি মন দিতে হবে এক্স, xAI, টেসলা এবং সামনের সপ্তাহে স্টারশিপ উৎক্ষেপণে।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা

ট্রাম্প প্রশাসন থেকে সরে দাঁড়ালেন ইলন মাস্ক

আপডেট সময় ১১:৩৮:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫

এবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। মাস্ক গত কয়েক মাস ধরে কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় সংকোচনের একটি বড় প্রকল্প ‘সরকারি দক্ষতা দপ্তর’ (DOGE)-এর নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন।

বুধবার সন্ধ্যায় সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় মাস্ক লিখেছেন, “বিশেষ সরকারি কর্মচারী হিসেবে আমার নির্ধারিত সময় শেষ হয়েছে। আমি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানাই অপচয় রোধে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।”

DOGE-এর মাধ্যমে এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে জানুয়ারিতে ট্রাম্প প্রশাসনে যোগ দেন মাস্ক। তবে দপ্তরের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত সাশ্রয়ের পরিমাণ প্রায় ১৭৫ বিলিয়ন ডলার, যা প্রতিটি করদাতার জন্য গড়ে ১,০৮৮.৯৬ ডলার

একজন হোয়াইট হাউস কর্মকর্তা রয়টার্স ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে মাস্কের পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রে “বিশেষ সরকারি কর্মচারী” হিসেবে কাজ করার মেয়াদ সর্বোচ্চ ১৩০ দিন—এই সীমা পেরিয়েই মাস্ক সরে দাঁড়াচ্ছেন।

মাস্ক একসময় ট্রাম্পকে রাজনৈতিকভাবে সমর্থন জানিয়ে তাঁর প্রচারণায় প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছিলেন। তবে তাঁদের সম্পর্ক কিছুটা শীতল হয়ে পড়ে ২০২৫ সালের শুরু থেকে। মাস্কের বেশ কিছু ব্যয় সংকোচন নীতি ব্যালট রাজ্যগুলোতে ভোটারদের বিরক্ত করেছে।

উইসকনসিন সুপ্রিম কোর্টের একটি নির্বাচনে রক্ষণশীল প্রার্থীর পেছনে ২০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেও মাস্ক পরাজিত হন। এপ্রিল মাসে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট ও এবিসি নিউজ প্রকাশিত এক জরিপে দেখা যায়, ট্রাম্প প্রশাসনে মাস্কের ভূমিকার প্রতি জনসমর্থন মাত্র ৩৫ শতাংশে নেমে এসেছে।

সমালোচনার মুখে মাস্ক ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি রাজনীতিতে অর্থ ব্যয় কমিয়ে আবারো প্রযুক্তি খাতে মনোযোগ দিচ্ছেন। তিনি এক্সে লিখেছেন,“আবারও ২৪ ঘণ্টাই কাজ করবো, অফিসের কনফারেন্স রুম বা ফ্যাক্টরিতেই ঘুমাবো। আমাকে এখন পুরোপুরি মন দিতে হবে এক্স, xAI, টেসলা এবং সামনের সপ্তাহে স্টারশিপ উৎক্ষেপণে।”