ঢাকা , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ব্যভিচারের মামলায় খালাস পেলেন নাসির-তামিমা শান্তিরক্ষায় ভবিষ্যতের মিশনগুলো হবে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর: প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে টাকা দিয়েছে ইসলামী ব্যাংক, প্রমাণ করতে পারলে তাকে মেডেল দেব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশে জামায়াত আমির ৭  মাসে দেশ কেঁপেছে ৩০ বার: ঢাকার ৬ লাখ ভবনের ৪০ শতাংশ ভূমিকম্পে ঝুঁকিপূর্ণ মধ্যপ্রাচ্যের ২১টি মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের হামলা  যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান আজ নাসির-তামিমার বিয়ে মামলার রায়, দোষ প্রমাণ হলে হতে পারে ৭ বছরের কারাদণ্ড রামিসার পাশের বাসা থেকে পাঁচ বছরের শিশু নিখোঁজ, চার দিনেও মেলেনি খোঁজ জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, সাইরেন বাজছে কুয়েতেও বাংলাদেশে সাড়ে ৮ হাজার অবৈধ ভারতীয় নাগরিক, চাকরী করছেন বিভিন্ন সেক্টরে

জুলাই বিপ্লবের পর আমি আশাবাদী ছিলাম, কিন্তু ভুল করেছি: বাঁধন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৫৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫
  • ৬০৭ বার পড়া হয়েছে

এবার কুমিল্লার মুরাদনগরের একটি গ্রামে বসতঘরের দরজা ভেঙে এক নারীকে (২৫) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় একটি ভিডিও গতকাল শনিবার রাতে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে তুলকালাম।

এ ঘটনায় প্রতিবাদে উত্তাল শোবিজ অঙ্গনও। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একের পর এক তারকা ক্ষোভ প্রকাশ করে ধর্ষকদের বিচার দাবি করছেন। প্রতিবাদ জানিয়েছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনও। অভিনেত্রী জানান, রবিবার (২৯ জুন) সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে অভিনেত্রী দাবি করেন, তিনি নিজেও এই দেশে নিরাপদ নন। এমনকী জুলাই অভ্যুত্থানের পরেও তিনি আশাহত হচ্ছেন।

নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসের শুরুতেই বাঁধন প্রশ্ন তুলে লেখেন, ‘এই দেশে আমি কি নিরাপদ? উত্তরটা সহজ : না। মোটেও না।’ অভিনেত্রী লেখেন, প্রতি দিন এই দেশের মেয়েরা, নারীরা নির্যাতন, হয়রানি, হুমকি আর অবিচারের শিকার হচ্ছেন। এর পরিবর্তে আমরা কি করি? আমরা সহ্য করি, আমরা প্রতিরোধ করি। আর কেউ কেউ বেঁচেও থাকে না। কেউ কেউ এই সহিংসতার বলি হয়ে প্রাণ হারান।’

কেউ প্রাণ হারালেই তখন বাকী সবার টনক নড়ে বলে জানান অভিনেত্রী। তখনই হঠাৎ সবাই উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে। তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। হ্যাশট্যাগ ছড়ায়। তারপর সব কিছু ফিকে হয়ে যায়। আবার আগের মতো চলতে থাকে সবাই। এটাই দীর্ঘদিনের বাস্তবতা। এটা নতুন কিছু নয়।

এরপর নিজের প্রসঙ্গে বাঁধন বলেন, ‘আমি কতবার কত ধরনের অনলাইন হুমকি পেয়েছি। ঘৃণা, গালিগালাজ, কুৎসা রটানো, হয়রানি— তাতে কি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? না। কারণ, এই দেশে অনেকেই বিশ্বাস করে, আমি এসব প্রাপ্য। যতক্ষণ না আমি খুন হচ্ছি, ততক্ষণ তারা ভাববে— আমাকে হেয় করা যাবে, চুপ করাতে হবে, লাঞ্ছিত করা যাবে।

রাষ্ট্রের ওপর আর ভরসা নেই জানিয়ে বাঁধন বলেন, ‘আমি অনেকদিন ধরে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ওপর বিশ্বাস রাখতে পারিনি। জুলাই বিপ্লবের পর আমি আশা রাখতে শুরু করেছিলাম। কিন্তু ভুল করেছিলাম। এই দুর্নীতিগ্রস্ত, পিতৃতান্ত্রিক দেশে আশাবাদী হওয়ার কোনো কারণ নেই। এটাই সত্যি। এটাই বাস্তবতা। আর আমাদের সেই বাস্তবতাই মানতে বাধ্য করা হচ্ছে।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যভিচারের মামলায় খালাস পেলেন নাসির-তামিমা

জুলাই বিপ্লবের পর আমি আশাবাদী ছিলাম, কিন্তু ভুল করেছি: বাঁধন

আপডেট সময় ০৩:৫৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫

এবার কুমিল্লার মুরাদনগরের একটি গ্রামে বসতঘরের দরজা ভেঙে এক নারীকে (২৫) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় একটি ভিডিও গতকাল শনিবার রাতে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে তুলকালাম।

এ ঘটনায় প্রতিবাদে উত্তাল শোবিজ অঙ্গনও। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একের পর এক তারকা ক্ষোভ প্রকাশ করে ধর্ষকদের বিচার দাবি করছেন। প্রতিবাদ জানিয়েছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনও। অভিনেত্রী জানান, রবিবার (২৯ জুন) সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে অভিনেত্রী দাবি করেন, তিনি নিজেও এই দেশে নিরাপদ নন। এমনকী জুলাই অভ্যুত্থানের পরেও তিনি আশাহত হচ্ছেন।

নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসের শুরুতেই বাঁধন প্রশ্ন তুলে লেখেন, ‘এই দেশে আমি কি নিরাপদ? উত্তরটা সহজ : না। মোটেও না।’ অভিনেত্রী লেখেন, প্রতি দিন এই দেশের মেয়েরা, নারীরা নির্যাতন, হয়রানি, হুমকি আর অবিচারের শিকার হচ্ছেন। এর পরিবর্তে আমরা কি করি? আমরা সহ্য করি, আমরা প্রতিরোধ করি। আর কেউ কেউ বেঁচেও থাকে না। কেউ কেউ এই সহিংসতার বলি হয়ে প্রাণ হারান।’

কেউ প্রাণ হারালেই তখন বাকী সবার টনক নড়ে বলে জানান অভিনেত্রী। তখনই হঠাৎ সবাই উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে। তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। হ্যাশট্যাগ ছড়ায়। তারপর সব কিছু ফিকে হয়ে যায়। আবার আগের মতো চলতে থাকে সবাই। এটাই দীর্ঘদিনের বাস্তবতা। এটা নতুন কিছু নয়।

এরপর নিজের প্রসঙ্গে বাঁধন বলেন, ‘আমি কতবার কত ধরনের অনলাইন হুমকি পেয়েছি। ঘৃণা, গালিগালাজ, কুৎসা রটানো, হয়রানি— তাতে কি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? না। কারণ, এই দেশে অনেকেই বিশ্বাস করে, আমি এসব প্রাপ্য। যতক্ষণ না আমি খুন হচ্ছি, ততক্ষণ তারা ভাববে— আমাকে হেয় করা যাবে, চুপ করাতে হবে, লাঞ্ছিত করা যাবে।

রাষ্ট্রের ওপর আর ভরসা নেই জানিয়ে বাঁধন বলেন, ‘আমি অনেকদিন ধরে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ওপর বিশ্বাস রাখতে পারিনি। জুলাই বিপ্লবের পর আমি আশা রাখতে শুরু করেছিলাম। কিন্তু ভুল করেছিলাম। এই দুর্নীতিগ্রস্ত, পিতৃতান্ত্রিক দেশে আশাবাদী হওয়ার কোনো কারণ নেই। এটাই সত্যি। এটাই বাস্তবতা। আর আমাদের সেই বাস্তবতাই মানতে বাধ্য করা হচ্ছে।’