ঢাকা , সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ে বাংলাদেশের সব স্মৃতি মুছে ফেললেন কিউবা মিচেল

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৩২:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

কিউবা মিচেল তার ইনস্টাগ্রাম থেকে বাংলাদেশ সম্পর্কিত সব ছবি সরিয়ে ফেলেছেন। জাতীয় দলে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই তিনি এই কাজ করলেন। ২০ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারের এমন পদক্ষেপ আসে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ টমাস ডুলির একটি সিদ্ধান্তের পর। আসন্ন ফিফা আসিয়ান কাপের মূল ক্যাম্পে ডুলি সরাসরি মিচেলকে রাখেননি। শোনা যাচ্ছে, দলে সুযোগ পেতে হলে তাকে আগে একটি ট্রায়াল দিতে হবে।

সম্প্রতি একটি অনলাইন মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডুলি বলেন, ‘আমি তাকে দেখিনি। কাউকে না দেখে আমি মূল ক্যাম্পে নিই না, তার খেলার ধরন সম্পর্কেও আমি জানি না। অবশ্যই বিষয়টা ভিন্ন হতো, যদি কেউ প্রিমিয়ার লিগ, চ্যাম্পিয়নশিপ বা ইংল্যান্ডের প্রথম কিংবা দ্বিতীয় বিভাগে খেলত।

তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় দল নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমি খেলোয়াড়কে দেখতে চাই এবং তার খেলা বিচার করতে চাই। এটাই তো স্বাভাবিক, তাই না? আমি আগেও বলেছি, চূড়ান্ত দলে কাউকে নেওয়ার আগে আমার তাকে দেখা দরকার।

এছাড়া ভ্রমণ খরচ নিয়েও দুই পক্ষের মধ্যে মতানৈক্যের খবর পাওয়া গেছে। শোনা যাচ্ছে, মিচেল আগে জাতীয় দলে খেলেছেন। তারপরও তাকে নিজের খরচে নির্বাচনী ক্যাম্পে যোগ দিতে বলা হয়েছিল। মিচেল আগে সান্ডারল্যান্ডের একাডেমিতে খেলতেন। সম্প্রতি তিনি ইংল্যান্ডের নিচু সারির ক্লাব স্ট্র্যাটফোর্ড টাউন এফসিতে যোগ দিয়েছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ে বাংলাদেশের সব স্মৃতি মুছে ফেললেন কিউবা মিচেল

আপডেট সময় ১২:৩২:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

কিউবা মিচেল তার ইনস্টাগ্রাম থেকে বাংলাদেশ সম্পর্কিত সব ছবি সরিয়ে ফেলেছেন। জাতীয় দলে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই তিনি এই কাজ করলেন। ২০ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারের এমন পদক্ষেপ আসে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ টমাস ডুলির একটি সিদ্ধান্তের পর। আসন্ন ফিফা আসিয়ান কাপের মূল ক্যাম্পে ডুলি সরাসরি মিচেলকে রাখেননি। শোনা যাচ্ছে, দলে সুযোগ পেতে হলে তাকে আগে একটি ট্রায়াল দিতে হবে।

সম্প্রতি একটি অনলাইন মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডুলি বলেন, ‘আমি তাকে দেখিনি। কাউকে না দেখে আমি মূল ক্যাম্পে নিই না, তার খেলার ধরন সম্পর্কেও আমি জানি না। অবশ্যই বিষয়টা ভিন্ন হতো, যদি কেউ প্রিমিয়ার লিগ, চ্যাম্পিয়নশিপ বা ইংল্যান্ডের প্রথম কিংবা দ্বিতীয় বিভাগে খেলত।

তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় দল নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমি খেলোয়াড়কে দেখতে চাই এবং তার খেলা বিচার করতে চাই। এটাই তো স্বাভাবিক, তাই না? আমি আগেও বলেছি, চূড়ান্ত দলে কাউকে নেওয়ার আগে আমার তাকে দেখা দরকার।

এছাড়া ভ্রমণ খরচ নিয়েও দুই পক্ষের মধ্যে মতানৈক্যের খবর পাওয়া গেছে। শোনা যাচ্ছে, মিচেল আগে জাতীয় দলে খেলেছেন। তারপরও তাকে নিজের খরচে নির্বাচনী ক্যাম্পে যোগ দিতে বলা হয়েছিল। মিচেল আগে সান্ডারল্যান্ডের একাডেমিতে খেলতেন। সম্প্রতি তিনি ইংল্যান্ডের নিচু সারির ক্লাব স্ট্র্যাটফোর্ড টাউন এফসিতে যোগ দিয়েছেন।