ঢাকা , বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাসপাতালের ধ্বংসস্তূপ থেকে যেভাবে উদ্ধার হয়েছিলেন মোজতবা খামেনি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৪২:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

হাসপাতালের ধ্বংসস্তূপ থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরা মোজতবা খামেনিই ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন। কাতারের টেলিভিশন চ্যানেল ‘আল আরাবি’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদের সদস্য মহসেন হেইদারি জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন এবং তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত হন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মার্কিন–ইসরায়েলি বাহিনী তেহরানের তিনটি হাসপাতালে পুনরায় বোমাবর্ষণ করলে মোজতবা খামেনিকে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার করে অজ্ঞাত স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।

এই যুদ্ধকালীন সংকটের মাঝেই বিশেষজ্ঞ পরিষদের কোম শহরের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ৮ সদস্যকে হত্যা করা হয় এবং নথিপত্র পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে এক সপ্তাহের মাথায় অত্যন্ত সুরক্ষিত গোপন কক্ষে পরিষদের বেঁচে থাকা সদস্যরা সমবেত হন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সতর্কবার্তাকে উপেক্ষা করে মোজতবা খামেনিকে পরবর্তী নেতা হিসেবে প্রস্তাব করেন।

ব্যালটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত এই গোপন ভোটে উপস্থিত ৫৯ জন সদস্যের মধ্যে ৫০টি ভোট পেয়ে ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন। গত ৮ মার্চ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এই ঘোষণা প্রচারের আগ পর্যন্ত স্বয়ং মোজতবাও তাঁর এই নির্বাচন সম্পর্কে অবহিত ছিলেন না।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসপাতালের ধ্বংসস্তূপ থেকে যেভাবে উদ্ধার হয়েছিলেন মোজতবা খামেনি

আপডেট সময় ০৯:৪২:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হাসপাতালের ধ্বংসস্তূপ থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরা মোজতবা খামেনিই ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন। কাতারের টেলিভিশন চ্যানেল ‘আল আরাবি’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদের সদস্য মহসেন হেইদারি জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন এবং তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত হন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মার্কিন–ইসরায়েলি বাহিনী তেহরানের তিনটি হাসপাতালে পুনরায় বোমাবর্ষণ করলে মোজতবা খামেনিকে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার করে অজ্ঞাত স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।

এই যুদ্ধকালীন সংকটের মাঝেই বিশেষজ্ঞ পরিষদের কোম শহরের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ৮ সদস্যকে হত্যা করা হয় এবং নথিপত্র পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে এক সপ্তাহের মাথায় অত্যন্ত সুরক্ষিত গোপন কক্ষে পরিষদের বেঁচে থাকা সদস্যরা সমবেত হন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সতর্কবার্তাকে উপেক্ষা করে মোজতবা খামেনিকে পরবর্তী নেতা হিসেবে প্রস্তাব করেন।

ব্যালটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত এই গোপন ভোটে উপস্থিত ৫৯ জন সদস্যের মধ্যে ৫০টি ভোট পেয়ে ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন। গত ৮ মার্চ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এই ঘোষণা প্রচারের আগ পর্যন্ত স্বয়ং মোজতবাও তাঁর এই নির্বাচন সম্পর্কে অবহিত ছিলেন না।